হাদিস নং: ২৮২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا ابو عوانة حدثنا عبد الملك بن عمير سمعت عمرو بن ميمون الاودي قال كان سعد يعلم بنيه هولاء الكلمات كما يعلم المعلم الغلمان الكتابة ويقول ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يتعوذ منهن دبر الصلاة اللهم اني اعوذ بك من الجبن واعوذ بك ان ارد الى ارذل العمر واعوذ بك من فتنة الدنيا واعوذ بك من عذاب القبر فحدثت به مصعبا فصدقه
২৮২২. ‘আমর ইবনু মায়মূন আউদী (রহ.) হতে বর্ণিত। শিক্ষক যেমন ছাত্রদের লেখা শিক্ষা দেন, সা‘দ (রাঃ) তেমনি তাঁর সন্তানদের এ বাক্যগুলো শিক্ষা দিতেন এবং বলতেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাতের পর এগুলো থেকে পানাহ চাইতেন, ‘হে আল্লাহ্! আমি ভীরুতা, অতি বার্ধক্য, দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের শাস্তি থেকে আপনার নিকট পানাহ চাই।’ রাবী বলেন, আমি মুস‘আব (রাঃ)-এর নিকট হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি এটির সত্যতা স্বীকার করেন। (৬৩৬৫, ৬৩৭০, ৬৩৭৪, ৬৩৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬২৩)
হাদিস নং: ২৮২৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا يقول مسدد حدثنا معتمر قال سمعت ابي قال سمعت انس بن مالك قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول اللهم اني اعوذ بك من العجز والكسل والجبن والهرم واعوذ بك من فتنة المحيا والممات واعوذ بك من عذاب القبر
২৮২৩. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই দু‘আ করতেন, ‘হে আল্লাহ্! আমি অক্ষমতা, ভীরুতা ও বার্ধক্য থেকে আপনার নিকট পানাহ চাচ্ছি এবং জীবন ও মরণের ফিতনা থেকে এবং কবরের আযাব থেকে আপনার নিকট পানাহ চাচ্ছি।’ (৪৭০৭, ৬৩৬৭, ৬৩৭১) (মুসলিম ৪৮/১৫ হাঃ ২৭০৬, আহমাদ ১২১১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬২৪)
হাদিস নং: ২৮২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا حاتم عن محمد بن يوسف عن الساىب بن يزيد قال صحبت طلحة بن عبيد الله وسعدا والمقداد بن الاسود وعبد الرحمن بن عوف فما سمعت احدا منهم يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم الا اني سمعت طلحة يحدث عن يوم احد
قَالَهُ أَبُوْ عُثْمَانَ عَنْ سَعْدٍ
আবূ ‘উসমান (রহ.) তা সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন
২৮২৪. সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ত্বলহা ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ, সা‘দ, মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ এবং ‘আবদুর রাহমান ইবনু আওফ (রাঃ)-এর সাহচর্য লাভ করেছি। আমি তাদের কাউকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি। তবে ত্বলহা (রাঃ)-কে উহুদ যুদ্ধের ঘটনাবলী বর্ণনা করতে শুনেছি। (৪০৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮২৫)
আবূ ‘উসমান (রহ.) তা সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন
২৮২৪. সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ত্বলহা ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ, সা‘দ, মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ এবং ‘আবদুর রাহমান ইবনু আওফ (রাঃ)-এর সাহচর্য লাভ করেছি। আমি তাদের কাউকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি। তবে ত্বলহা (রাঃ)-কে উহুদ যুদ্ধের ঘটনাবলী বর্ণনা করতে শুনেছি। (৪০৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮২৫)
হাদিস নং: ২৮২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن علي حدثنا يحيى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني منصور عن مجاهد عن طاوس عن ابن عباس رضي الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم قال يوم الفتح لا هجرة بعد الفتح ولكن جهاد ونية واذا استنفرتم فانفروا
وَقَوْلِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ )اِنْفِرُوْا خِفَافًا وَّثِقَالًا وَجَاهِدُوْا بِأَمْوٰلِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ ذٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ لَوْ كَانَ عَرَضًا قَرِيْبًا وَّسَفَرًا قَاصِدًا لَّاَتَّبَعُوْكَ وَلٰكِنْم بَعُدَتُّ عَلَيْهِمْ الشُّقَّةُ وَسَيَحْلِفُوْنَ بِاللهِ( ( التوبة : 41-42) الآيَةَ وَقَوْلِهِ) يٰٓأَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مَا لَكُمْ إِذَا قِيْلَ لَكُمُ انْفِرُوْا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ اثَّاقَلْتُمْ إِلٰى الْأَرْضِ أَرَضِيْتُمْ بِالْحَيَاةِ الدُّنْيَا مِنَ الْآخِرَةِ (إِلَى قَوْلِهِ )عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ তোমরা অভিযানে বের হয়ে পড়, স্বল্প সরঞ্জামের সাথে কিংবা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে; এবং জিহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল দিয়ে ও নিজেদের জান দিয়ে। এটাই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা জানতে। যদি আশু লাভের সম্ভাবনা থাকত এবং সফরও সহজ হত, তবে তারা অবশ্যই আপনার অনুগামী হত, কিন্তু তাদের কাছে যাত্রাপথ দীর্ঘ মনে হল। আর তারা এখনই আল্লাহর নামে শপথ করে বলবেঃ আমাদের সাধ্য থাকলে নিশ্চয়ই আমরা তোমাদের সাথে বের হতাম। তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করছে। আল্লাহ জানেন যে, তারা তো মিথ্যাবাদী। (আত তওবা্ ৪১-৪২)
আল্লাহ্ তাআলা আরো বলেনঃ ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের কী হল? যখন তোমাদের আল্লাহর পথে অভিযানে বের হতে বলা হয় তখন তোমরা ভারাক্রান্ত হয়ে মাটিতে ঝুঁকে পড়। তবে কি তোমরা আখিরাতের পরিবর্তে পার্থিব জীবনে তুষ্ট হয়ে গেলে? বস্তুত আখিরাতের তুলনায় পার্থিব জীবনের ভোগের উপকরণ নিতান্ত অকিঞ্চিৎকর।। (আত তওবা্ ৩৮-৩৯)
ويُذْكَرُ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ انْفِرُوْا ثُبَاتٍ سَرَايَا مُتَفَرِّقِيْنَ يُقَالُ أَحَدُ الثُّبَاتِ ثُبَةٌ
ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) থেকে উল্লেখ রয়েছে, انْفِرُوْا ثُبَاتٍ অর্থ হলো- বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত হয়ে তোমরা জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়। الثُّبَاتِ শব্দটির একবচন ثُبَةٌ অর্থ ক্ষুদ্র দল।
২৮২৫. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন বলেছিলেন, এই বিজয়ের পর আর হিজরতের প্রয়োজন নেই। এখন কেবল জিহাদ ও নিয়্যাত। যখনই তোমাদের বের হবার আহবান জানানো হবে, তখনই তোমরা বেরিয়ে পড়বে। (১৩৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬২৬)
আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ তোমরা অভিযানে বের হয়ে পড়, স্বল্প সরঞ্জামের সাথে কিংবা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে; এবং জিহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল দিয়ে ও নিজেদের জান দিয়ে। এটাই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা জানতে। যদি আশু লাভের সম্ভাবনা থাকত এবং সফরও সহজ হত, তবে তারা অবশ্যই আপনার অনুগামী হত, কিন্তু তাদের কাছে যাত্রাপথ দীর্ঘ মনে হল। আর তারা এখনই আল্লাহর নামে শপথ করে বলবেঃ আমাদের সাধ্য থাকলে নিশ্চয়ই আমরা তোমাদের সাথে বের হতাম। তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করছে। আল্লাহ জানেন যে, তারা তো মিথ্যাবাদী। (আত তওবা্ ৪১-৪২)
আল্লাহ্ তাআলা আরো বলেনঃ ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের কী হল? যখন তোমাদের আল্লাহর পথে অভিযানে বের হতে বলা হয় তখন তোমরা ভারাক্রান্ত হয়ে মাটিতে ঝুঁকে পড়। তবে কি তোমরা আখিরাতের পরিবর্তে পার্থিব জীবনে তুষ্ট হয়ে গেলে? বস্তুত আখিরাতের তুলনায় পার্থিব জীবনের ভোগের উপকরণ নিতান্ত অকিঞ্চিৎকর।। (আত তওবা্ ৩৮-৩৯)
ويُذْكَرُ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ انْفِرُوْا ثُبَاتٍ سَرَايَا مُتَفَرِّقِيْنَ يُقَالُ أَحَدُ الثُّبَاتِ ثُبَةٌ
ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) থেকে উল্লেখ রয়েছে, انْفِرُوْا ثُبَاتٍ অর্থ হলো- বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত হয়ে তোমরা জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়। الثُّبَاتِ শব্দটির একবচন ثُبَةٌ অর্থ ক্ষুদ্র দল।
২৮২৫. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন বলেছিলেন, এই বিজয়ের পর আর হিজরতের প্রয়োজন নেই। এখন কেবল জিহাদ ও নিয়্যাত। যখনই তোমাদের বের হবার আহবান জানানো হবে, তখনই তোমরা বেরিয়ে পড়বে। (১৩৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬২৬)
হাদিস নং: ২৮২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول
الله صلى الله عليه وسلم قال يضحك الله الى رجلين يقتل احدهما الاخر يدخلان الجنة يقاتل هذا في سبيل الله فيقتل ثم يتوب الله على القاتل فيستشهد
الله صلى الله عليه وسلم قال يضحك الله الى رجلين يقتل احدهما الاخر يدخلان الجنة يقاتل هذا في سبيل الله فيقتل ثم يتوب الله على القاتل فيستشهد
২৮২৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, দু’ব্যক্তিও ক্ষেত্রে আল্লাহ্ হাসেন। যারা একে অপরকে হত্যা করে উভয়েই জান্নাতবাসী হবে। একজন তো এ কারণে জান্নাতবাসী হবে যে, সে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ্ তা‘আলা হত্যাকারীর তওবা কবুল করেছেন। ফলে সেও আল্লাহর রাস্তায় শহীদ বলে গণ্য হয়েছে। (মুসলিম ৩৩/৩৫ হাঃ ১৮৯০, আহমাদ ৯৯৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬২৭)
হাদিস নং: ২৮২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحميدي حدثنا سفيان حدثنا الزهري قال اخبرني عنبسة بن سعيد عن ابي هريرة قال اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بخيبر بعد ما افتتحوها فقلت يا رسول الله اسهم لي فقال بعض بني سعيد بن العاص لا تسهم له يا رسول الله فقال ابو هريرة هذا قاتل ابن قوقل فقال ابن سعيد بن العاص واعجبا لوبر تدلى علينا من قدوم ضان ينعى علي قتل رجل مسلم اكرمه الله على يدي ولم يهني على يديه قال فلا ادري اسهم له ام لم يسهم له قال سفيان وحدثنيه السعيدي عن جده عن ابي هريرة قال ابو عبد الله السعيدي هو عمرو بن يحيى بن سعيد بن عمرو بن سعيد بن العاص
২৮২৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বার বিজয়ের পর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সেখানে অবস্থানকালেই আমি তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমাকেও অংশ দিন।’ তখন সা‘ঈদ ইবনু ‘আসের কোন এক পুত্র বলে উঠল, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! তাকে অংশ দিবেন না।’ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বললেন, সে তো ইবনু কাউকালের হত্যাকারী। তা শুনে সা‘ঈদ ইবনু ‘আসের পুত্র বললেন, ‘যান’ পাহাড়ের নিম্নদেশ থেকে আমাদের নিকট আগত বিড়াল মাশি জন্তুটি, তার কথায় আশ্চর্যবোধ করছি, সে আমাকে এমন একজন মুসলিমকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করেছে যাকে আল্লাহ্ তা‘আলা আমার হাতে সম্মানিত করেছেন এবং যার দ্বারা আমাকে লাঞ্ছিত করেননি। ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, পরে তাকে অংশ দিয়েছেন কি দেননি, তা আমার জানা নেই। সুফইয়ান (রহ.) বলেন, আমাকে সা‘ঈদী (রহ.) তার দাদার মাধ্যমে আবূ হুরাইরাহ্ (রহ.) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী) (রহ.) বলেন, সা‘ঈদী হলেন, ‘আমর ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু সা‘ঈদ ইবনু ‘আমর ইবনু সা‘ঈদ ইবনু ‘আস। (৪২৩৭, ৪২৩৮, ৪২৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬২৮)
হাদিস নং: ২৮২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا ثابت البناني قال سمعت انس بن مالكقال كان ابو طلحة لا يصوم على عهد النبي صلى الله عليه وسلم من اجل الغزو فلما قبض النبي لم اره مفطرا الا يوم فطر او اضحى
২৮২৮. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় আবূ ত্বলহা (রাঃ) জিহাদের কারণে সিয়াম পালন করতেন না। কিন্তু আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের পর ‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আয্হা ব্যতীত তাকে কখনো সিয়াম বাদ দিতে দেখিনি। (আ.প্র. ২৬১৮, ই.ফা. ২৬২৯)
হাদিস নং: ২৮২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن سمي عن ابي صالح عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الشهداء خمسة المطعون والمبطون والغرق وصاحب الهدم والشهيد في سبيل الله
২৮২৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পাঁচ প্রকার মৃত শহীদঃ মহামারীতে মৃত, পেটের পীড়ায় মৃত, পানিতে ডুবে মৃত, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃত এবং যে আল্লাহর পথে শহীদ হলো। (৬৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩০)
হাদিস নং: ২৮৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا بشر بن محمد اخبرنا عبد الله اخبرنا عاصم عن حفصة بنت سيرين عن انس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الطاعون شهادة لكل مسلم
২৮৩০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহামারীতে মৃত্যু হওয়া প্রতিটি মুসলিমের জন্য শাহাদাত। (৫৭৩২) (মুসলিম ৩৩/৫১ হাঃ ১৯১৬, আহমাদ ১২৫২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩১)
হাদিস নং: ২৮৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، قال سمعت البراء ـ رضى الله عنه ـ يقول لما نزلت (لا يستوي القاعدون من المومنين) دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا، فجاء بكتف فكتبها، وشكا ابن ام مكتوم ضرارته فنزلت (لا يستوي القاعدون من المومنين غير اولي الضرر ).
)لَا يَسْتَوِي الْقٰعِدُوْنَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ وَالْمُجٰهِدُوْنَ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ بِأَمْوٰلِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فَضَّلَ اللهُ الْمُجٰهِدِيْنَ بِأَمْوٰلِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ عَلَى الْقٰعِدِيْنَ دَرَجَةً ط وَكُلًّا وَّعَدَ اللهُ الْحُسْنٰى وَفَضَّلَ اللهُ الْمُجٰهِدِيْنَ عَلَى الْقَاعِدِيْنَ( إِلَى قَوْلِهِ )غَفُوْرًا رَّحِيْمًا(
গৃহে উপবিষ্ট মুসলিম-যাদেরও কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলিম যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জিহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহিদ্বীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন। এগুলো তাঁর পক্ষ থেকে পদমর্যাদা, ক্ষমা ও করুণা; আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। (আন-নিসা ৯৫-৯৬)
২৮৩১. বারা‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُوْنَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْن আয়াতটি নাযিল হলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যায়দ (রাঃ)-কে ডেকে আনলেন। তিনি কোন জন্তুর একটি চওড়া হাড় নিয়ে আসেন এবং তাতে উক্ত আয়াতটি লিখে রাখেন। ইবনু উম্মু মাকতুম জিহাদে শরীক হওয়ার ব্যাপারে তাঁর অক্ষমতা প্রকাশ করলে لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُوْنَ مِنْ الْمُؤْمِنِيْنَ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ আয়াতটি নাযিল হল। (৪৫৯৩, ৪৫৯৪, ৪৯৯০) (মুসলিম ৩৩/৪০ হাঃ ১৮৯৮, ) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩২)
গৃহে উপবিষ্ট মুসলিম-যাদেরও কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলিম যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জিহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহিদ্বীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন। এগুলো তাঁর পক্ষ থেকে পদমর্যাদা, ক্ষমা ও করুণা; আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। (আন-নিসা ৯৫-৯৬)
২৮৩১. বারা‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُوْنَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْن আয়াতটি নাযিল হলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যায়দ (রাঃ)-কে ডেকে আনলেন। তিনি কোন জন্তুর একটি চওড়া হাড় নিয়ে আসেন এবং তাতে উক্ত আয়াতটি লিখে রাখেন। ইবনু উম্মু মাকতুম জিহাদে শরীক হওয়ার ব্যাপারে তাঁর অক্ষমতা প্রকাশ করলে لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُوْنَ مِنْ الْمُؤْمِنِيْنَ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ আয়াতটি নাযিল হল। (৪৫৯৩, ৪৫৯৪, ৪৯৯০) (মুসলিম ৩৩/৪০ হাঃ ১৮৯৮, ) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩২)
হাদিস নং: ২৮৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا ابراهيم بن سعد الزهري، قال حدثني صالح بن كيسان، عن ابن شهاب، عن سهل بن سعد الساعدي، انه قال رايت مروان بن الحكم جالسا في المسجد، فاقبلت حتى جلست الى جنبه، فاخبرنا ان زيد بن ثابت اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم املى عليه لا يستوي القاعدون من المومنين والمجاهدون في سبيل الله قال فجاءه ابن ام مكتوم وهو يملها على، فقال يا رسول الله، لو استطيع الجهاد لجاهدت. وكان رجلا اعمى، فانزل الله تبارك وتعالى على رسوله صلى الله عليه وسلم وفخذه على فخذي، فثقلت على حتى خفت ان ترض فخذي، ثم سري عنه، فانزل الله عز وجل (غير اولي الضرر).
২৮৩২. সাহল ইবনু সা‘দ সা‘ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি মারওয়ান ইবনু হাকামকে মসজিদে উপবিষ্ট অবস্থায় দেখলাম। অতঃপর আমি তাঁর দিকে এগিয়ে গেলাম এবং তাঁর পাশে গিয়ে বসলাম। তিনি আমাকে বর্ণনা করেন যে, যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) তাঁকে জানিয়েছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর উপর অবতীর্ণ আয়াত, ‘‘মুসলিমদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে তারা সমান নয়’’ (আন-নিসাঃ ৯৫) যখন তাকে দিয়ে লিখেছিলেন, ঠিক সে সময় অন্ধ ইবনু উম্মু মাকতুম (রাঃ) সেখানে উপস্থিত হয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি জিহাদে যেতে সক্ষম হতাম, তবে অবশ্যই অংশ গ্রহণ করতাম।’ সে সময় আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর ওয়াহী নাযিল করেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উরু আমার উরুর উপর রাখা ছিল এবং তা আমার নিকট এতই ভারী মনে হচ্ছিল যে, আমি আমার উরু ভেঙ্গে যাবার আশংকা করছিলাম। অতঃপর ওয়াহী অবতীর্ণ হবার অবস্থা দূর হল, এ সময় غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ আয়াতটি আল্লাহ নাযিল করেন। (৪৫৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৩)
হাদিস নং: ২৮৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا ابو اسحاق عن موسى بن عقبة عن سالم ابي النضر ان عبد الله بن ابي اوفى كتب فقراته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اذا لقيتموهم فاصبروا
২৮৩৩. সালিম আবু নাযর (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) লিখে পাঠালেন, আর আমি তাতে পড়লাম যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমরা তাদের (শত্রুদের) মুখোমুখী হবে তখন ধৈর্য অবলম্বন করবে। (২৮১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৪)
হাদিস নং: ২৮৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا ابو اسحاق عن حميد قال سمعت انسا خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم الى الخندق فاذا المهاجرون والانصار يحفرون في غداة باردة فلم يكن لهم عبيد يعملون ذلك لهم فلما راى ما بهم من النصب والجوع قال :
اللهم ان العيش عيش الاخره فاغفر للانصار والمهاجره
فقالوا مجيبين له
نحن الذين بايعوا محمــدا على الجهاد ما بقينا ابدا
اللهم ان العيش عيش الاخره فاغفر للانصار والمهاجره
فقالوا مجيبين له
نحن الذين بايعوا محمــدا على الجهاد ما بقينا ابدا
وَقَوْلِهِ تَعَالَى )حَرِّضِ الْمُؤْمِنِيْنَ عَلَى الْقِتَالِ (65)
আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ (জিহাদের জন্য মুমিনদের উদ্বুদ্ধ করুন) (আল-আনফালঃ ৬৫)।
২৮৩৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খন্দকের দিকে বের হলেন, হিম শীতল সকালে আনসার ও মুহাজিররা পরিখা খনন করছেন, আর তাদের এ কাজ করার জন্য তাদের কোন গোলাম ছিল না। যখন তিনি তাদের দেখতে পেলেন যে, তারা কষ্ট এবং ক্ষুধায় আক্রান্ত, তখন বললেন,
হে আল্লাহ্! সত্যিকারে আয়েশ হচ্ছে আখেরাতের আয়েশ। তুমি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করে দাও।
এর উত্তরে তারা বলে উঠেনঃ
আমরা তারাই যারা মুহাম্মাদের হাতে বায়‘আত করেছি জিহাদের, যদ্দিন আমরা বেঁচে আছি।
(২৮৩৫, ২৯৬১, ৩৭৯৫, ৩৭৯৬, ৪০৯৯, ৪১০০, ৬৪১৩, ৭২০১) (মুসলিম ৩২/৪৪ হাঃ ১৮০৫, আহমাদ ১২৭৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৫)
আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ (জিহাদের জন্য মুমিনদের উদ্বুদ্ধ করুন) (আল-আনফালঃ ৬৫)।
২৮৩৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খন্দকের দিকে বের হলেন, হিম শীতল সকালে আনসার ও মুহাজিররা পরিখা খনন করছেন, আর তাদের এ কাজ করার জন্য তাদের কোন গোলাম ছিল না। যখন তিনি তাদের দেখতে পেলেন যে, তারা কষ্ট এবং ক্ষুধায় আক্রান্ত, তখন বললেন,
হে আল্লাহ্! সত্যিকারে আয়েশ হচ্ছে আখেরাতের আয়েশ। তুমি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করে দাও।
এর উত্তরে তারা বলে উঠেনঃ
আমরা তারাই যারা মুহাম্মাদের হাতে বায়‘আত করেছি জিহাদের, যদ্দিন আমরা বেঁচে আছি।
(২৮৩৫, ২৯৬১, ৩৭৯৫, ৩৭৯৬, ৪০৯৯, ৪১০০, ৬৪১৩, ৭২০১) (মুসলিম ৩২/৪৪ হাঃ ১৮০৫, আহমাদ ১২৭৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৫)
হাদিস নং: ২৮৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا عبد العزيز عن انس قال جعل المهاجرون والانصار يحفرون الخندق حول المدينة وينقلون التراب على متونهم ويقولون :
نحن الذين بايعوا محمــدا * على الاسلام ما بقينا ابـدا
والنبي صلى الله عليه وسلم يجيبهم ويقول :
اللهم انه لا خير الا خير الاخره * فبارك في الانصار والمهاجره
نحن الذين بايعوا محمــدا * على الاسلام ما بقينا ابـدا
والنبي صلى الله عليه وسلم يجيبهم ويقول :
اللهم انه لا خير الا خير الاخره * فبارك في الانصار والمهاجره
২৮৩৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসার ও মুহাজিরগণ মদিনার পাশে পরিখা খনন করছিলেন এবং তারা পিঠে করে মাটি বহন করছিলেন। আর তারা এই কবিতা আবৃত্তি করছিলেনঃ
আমরা ইসলামের উপর মুহাম্মদের হাতে বায়‘আত নিয়েছি, ততদিন পর্যন্ত যদ্দিন আমরা বেঁচে থাকি।
আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের উত্তরে বলেছিলেনঃ
হে আল্লাহ্! আখিরাতের কল্যাণ ব্যতীত কোন কল্যাণ নেই। তাই আনসার ও মুহাজিরদের প্রতি বরকত নাযিল করুন। (২৮৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৬)
আমরা ইসলামের উপর মুহাম্মদের হাতে বায়‘আত নিয়েছি, ততদিন পর্যন্ত যদ্দিন আমরা বেঁচে থাকি।
আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের উত্তরে বলেছিলেনঃ
হে আল্লাহ্! আখিরাতের কল্যাণ ব্যতীত কোন কল্যাণ নেই। তাই আনসার ও মুহাজিরদের প্রতি বরকত নাযিল করুন। (২৮৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৬)
হাদিস নং: ২৮৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد حدثنا شعبة عن ابي اسحاق سمعت البراء كان النبي صلى الله عليه وسلم ينقل ويقول لولا انت ما اهتدينا
২৮৩৬. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাটি উঠাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন, যদি আপনি না হতেন তাহলে আমরা হিদায়াত লাভ করতাম না। (২৮৩৭, ৩০৩৪, ৪১০৪, ৪১০৬, ৬৬২০, ৭২৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৭)
হাদিস নং: ২৮৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة عن ابي اسحاق عن البراء قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الاحزاب ينقل التراب وقد وارى التراب بياض بطنه وهو يقول :
لولا انت ما اهتدينــا ولا تصدقنا ولا صلينـا
فانزلن سكينة علـيـنـا وثبت الاقدام ان لاقينـا
ان الالى قد بغوا علينـا اذا ارادوا فتنـة ابينـا
لولا انت ما اهتدينــا ولا تصدقنا ولا صلينـا
فانزلن سكينة علـيـنـا وثبت الاقدام ان لاقينـا
ان الالى قد بغوا علينـا اذا ارادوا فتنـة ابينـا
২৮৩৭. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আহযাবের দিন আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখেছি যে, তিনি মাটি বহন করছেন। আর তাঁর পেটের শুভ্রতা মাটি ঢেকে ফেলেছে। সে সময় তিনি আবৃত্তি করছিলেন, (হে আল্লাহ্)ঃ
আপনি না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না;
সাদাকা দিতাম না এবং সালাত আদায় করতাম না।
তাই আমাদের উপর শান্তি নাযিল করুন।
যখন আমরা শত্রু সম্মুখীন হই তখন আমাদের পা সুদৃঢ় করুন।
ওরা আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করেছে।
তারা যখনই কোন ফিতনা সৃষ্টি করতে চায় তখনই আমরা তা থেকে বিরত থাকি।
(২৮৩৬) (মুসলিম ৩২/৪৪ হাঃ ১৮০৩, আহমাদ ১৮৫৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৮)
আপনি না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না;
সাদাকা দিতাম না এবং সালাত আদায় করতাম না।
তাই আমাদের উপর শান্তি নাযিল করুন।
যখন আমরা শত্রু সম্মুখীন হই তখন আমাদের পা সুদৃঢ় করুন।
ওরা আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করেছে।
তারা যখনই কোন ফিতনা সৃষ্টি করতে চায় তখনই আমরা তা থেকে বিরত থাকি।
(২৮৩৬) (মুসলিম ৩২/৪৪ হাঃ ১৮০৩, আহমাদ ১৮৫৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৮)
হাদিস নং: ২৮৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا حميد ان انسا حدثهم قال رجعنا من غزوة تبوك مع النبي صلى الله عليه وسلم
২৮৩৮. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা তাবূকের যুদ্ধ থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে প্রত্যাবর্তন করেছি। (২৮৩৯, ৪৪২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ )
হাদিস নং: ২৮৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد هو ابن زيد عن حميد عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم كان في غزاة فقال ان اقواما بالمدينة خلفنا ما سلكنا شعبا ولا واديا الا وهم معنا فيه حبسهم العذر وقال موسى حدثنا حماد عن حميد عن موسى بن انس عن ابيه قال النبي قال ابو عبد الله الاول اصح
২৮৩৯. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক যুদ্ধে ছিলেন, তখন তিনি বললেন, কিছু ব্যক্তি মদিনা্য় আমাদের পেছনে রয়েছে। আমরা কোন ঘাঁটি বা কোন উপত্যকায় চলিনি, তাদের সঙ্গে ব্যতীত। ওযরই তাদের বাধা দিয়েছে। (২৮৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৯)
হাদিস নং: ২৮৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن نصر حدثنا عبد الرزاق اخبرنا ابن جريج قال اخبرني يحيى بن سعيد وسهيل بن ابي صالح انهما سمعا النعمان بن ابي عياش عن ابي سعيد الخدري قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول من صام يوما في سبيل الله بعد الله وجهه عن النار سبعين خريفا
২৮৪০. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিনও সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তার মুখমণ্ডল
কে দোযখের আগুন হতে সত্তর বছরের রাস্তা দূরে সরিয়ে নেন। (মুসলিম ১৩/৩১ হাঃ ১১৫৩, আহমাদ ১১৭৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪০)
কে দোযখের আগুন হতে সত্তর বছরের রাস্তা দূরে সরিয়ে নেন। (মুসলিম ১৩/৩১ হাঃ ১১৫৩, আহমাদ ১১৭৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪০)
হাদিস নং: ২৮৪১
সহিহ (Sahih)
حدثني سعد بن حفص حدثنا شيبان عن يحيى عن ابي سلمة انه سمع ابا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من انفق زوجين في سبيل الله دعاه خزنة الجنة كل خزنة باب اي فل هلم قال ابو بكر يا رسول الله ذاك الذي لا توى عليه فقال النبي صلى الله عليه وسلم اني لارجو ان تكون منهم
২৮৪১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় দু’টি করে কোন জিনিস ব্যয় করবে, জান্নাতের প্রত্যেক দরজায় প্রহরী তাকে ডাক দিবে। (তারা বলবে), হে অমুক। এদিকে আস। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে তো তার জন্য কোন ক্ষতি নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘আমি আশা করি যে, তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ (১৮৯৭) (মুসলিম ১২/২৭ হাঃ ১০২৭, আহমাদ ৭৬৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪১)