অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৫৮/১. জিযিয়াহ্ কর ও সন্ধি স্থাপন
মোট ৩৪ টি হাদিস
হাদিস নং: ৩১৭৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا الحميدي حدثنا الوليد بن مسلم حدثنا عبد الله بن العلاء بن زبر قال سمعت بسر بن عبيد الله انه سمع ابا ادريس قال سمعت عوف بن مالك قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم في غزوة تبوك وهو في قبة من ادم فقال اعدد ستا بين يدي الساعة موتي ثم فتح بيت المقدس ثم موتان ياخذ فيكم كقعاص الغنم ثم استفاضة المال حتى يعطى الرجل ماىة دينار فيظل ساخطا ثم فتنة لا يبقى بيت من العرب الا دخلته ثم هدنة تكون بينكم وبين بني الاصفر فيغدرون فياتونكم تحت ثمانين غاية تحت كل غاية اثنا عشر الفا
وَقَوْلِهِ تَعَالَى )وَإِنْ يُّرِيْدُوْا أَنْ يَّخْدَعُوْكَ فَإِنَّ حَسْبَكَ اللهُ هُوَ الَّذِيْٓ أَيَّدَكَ بِنَصْرِهٰ إِلَى قَوْلِهِ عَزِيْزٌ حَكِيْمٌ( الأية

আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ তবে তারা যদি আপনাকে ধোঁকা দিতে চায়, তাহলে আপনার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি সেই সত্তা যিনি আপনাকে শক্তি যুগিয়েছেন স্বীয় সাহায্যে ও মুমিনদের মাধ্যমে। (আনফাল ৬২)


৩১৭৬. ‘আউফ ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তাবুক যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলাম। তিনি তখন একটি চামড়ার তৈরি তাঁবুতে ছিলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কিয়ামতের আগের ছয়টি নিদর্শন গণনা করে রাখো। আমার মৃত্যু, অতঃপর বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয়, অতঃপর তোমাদের মধ্যে ঘটবে মহামারী, বকরীর পালের মহামারীর মত, সম্পদের প্রাচুর্য, এমনকি এক ব্যক্তিকে একশ’ দ্বীনার দেয়ার পরেও সে অসন্তুষ্ট থাকবে। অতঃপর এমন এক ফিতনা আসবে যা আরবের প্রতিটি ঘরে প্রবেশ করবে। অতঃপর যুদ্ধ বিরতির চুক্তি-যা তোমাদের ও বানী আসফার বা রোমকদের মধ্যে সম্পাদিত হবে। অতঃপর তারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে এবং আশিটি পতাকা উড়িয়ে তোমাদের বিপক্ষে আসবে; প্রত্যেক পতাকার নীচে থাকবে বার হাজার সৈন্য। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৪৯)

 
হাদিস নং: ৩১৭৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري اخبرنا حميد بن عبد الرحمن ان ابا هريرة قال بعثني ابو بكر فيمن يوذن يوم النحر بمنى لا يحج بعد العام مشرك ولا يطوف بالبيت عريان ويوم الحج الاكبر يوم النحر وانما قيل الاكبر من اجل قول الناس الحج الاصغر فنبذ ابو بكر الى الناس في ذلك العام فلم يحج عام حجة الوداع الذي حج فيه النبي صلى الله عليه وسلم مشرك
وَقَوْلُ اللهِِ عَزَّ وَ جَلَّ : )وَإِمَّا تَخَافَنَّ مِنْ قَوْمٍ خِيَانَةً فَانْبِذْ إِلِيْهِمْ عَلٰى سَوَآءٍ( الأية (الأنفال : 58)

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ তবে আপনি যদি কোন সম্প্রদায় থেকে চুক্তি ভঙ্গের আশংকা করেন তবে আপনিও তাদের চুক্তি তাদের দিকে সমভাবে ছুঁড়ে ফেলে দেবেন। (আনফাল ৫৮)


৩১৭৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমাকে সে সকল লোকের সঙ্গে পাঠান যাঁরা মিনায় কুরবানীর দিন এ ঘোষণা দিবেনঃ এ বছরের পর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না আর বায়তুল্লাহ শরীফে কোন নগ্ন ব্যক্তি তাওয়াফ করতে পারবে না আর কুরবানীর দিনই হল হজ্জে আকবারের দিন। একে আকবার এ জন্য বলা হয় যে, লোকেরা (উমরাহ্কে) হজ্জে আসগার (ছোট) বলে। আবূ বকর (রাঃ) সে বছর মুশরিকদের চুক্তি রহিত করে দেন। কাজেই হুজ্জাতুল বিদার বছর যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ করেন, তখন কোন মুশরিক হাজ্জ করেনি। (৩৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫০)

 
হাদিস নং: ৩১৭৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن الاعمش عن عبد الله بن مرة عن مسروق عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اربع خلال من كن فيه كان منافقا خالصا من اذا حدث كذب واذا وعد اخلف واذا عاهد غدر واذا خاصم فجر ومن كانت فيه خصلة منهن كانت فيه خصلة من النفاق حتى يدعها
وَقَوْلِ اللهِ )الَّذِيْنَ عَاهَدْتَّ مِنْهُمْ ثُمَّ يَنْقُضُوْنَ عَهْدَهُمْ فِيْ كُلِّ مَرَّةٍ وَهُمْ لَا يَتَّقُوْنَ( ( الأنفال : 56)

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ তাদের মধ্য থেকে যাদের সাথে আপনি চুক্তি করেছেন তারা প্রতিবার তাদের কৃত চুক্তি লংঘন করে এবং মোটেও ভয় পায় না। (সূরা আনফাল ৫৬)


৩১৭৮. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, চারটি স্বভাব যার মধ্যে পাওয়া যাবে, সে খালিস মুনাফিক বলে গণ্য হবে। যে ব্যক্তি কথা বলার সময় মিথ্যা বলে, আর অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে, প্রতিশ্রুতি দিলে বিশ্বাসঘাতকতা করে, যখন ঝগড়া করে গালাগালি করে। যার মধ্যে এগুলোর কোন একটি স্বভাব পাওয়া যাবে, তার মধ্যে নিফাকের একটি স্বভাব পাওয়া গেল, যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে। (৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫১)

 
হাদিস নং: ৩১৭৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن كثير اخبرنا سفيان عن الاعمش عن ابراهيم التيمي عن ابيه عن علي قال ما كتبنا عن النبي صلى الله عليه وسلم الا القران وما في هذه الصحيفة قال النبي المدينة حرام ما بين عاىر الى كذا فمن احدث حدثا او اوى محدثا فعليه لعنة الله والملاىكة والناس اجمعين لا يقبل منه عدل ولا صرف وذمة المسلمين واحدة يسعى بها ادناهم فمن اخفر مسلما فعليه لعنة الله والملاىكة والناس اجمعين لا يقبل منه صرف ولا عدل ومن والى قوما بغير اذن مواليه فعليه لعنة الله والملاىكة والناس اجمعين لا يقبل منه صرف ولا عدل
৩১৭৯. ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কুরআন এবং এ কাগজে যা লিখা আছে তা ছাড়া কোন কিছু লিপিবদ্ধ করিনি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আয়ির পর্বত হতে এ পর্যন্ত মদিনার হরম এলাকা। যে কেউ দ্বীনের ব্যাপারে বিদ্‘আত উদ্ভাবণ করে কিংবা কোন বিদ্‘আতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ তা‘আলা, ফেরেশতা ও সকল মানুষের লা’নত। তার কোন ফরজ কিংবা নফল ‘ইবাদাত গৃহীত হবে না। আর সকল মুসলিমের পক্ষ হতে নিরাপত্তা একই স্তরের। সাধারণ মুসলিম নিরাপত্তা দিলে সকলকে তা রক্ষা করতে হবে। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দেয়া নিরাপত্তা বাধাগ্রস্ত করবে তার উপর আল্লাহ তা‘আলার লা‘নত এবং ফেরেশতামন্ডলী ও সকল মানুষের। তার কোন নফল কিংবা ফরজ ‘ইবাদাত গৃহীত হবে না। আর যে স্বীয় মনিবের অনুমতি ব্যতীত অন্যদের সঙ্গে বন্ধুত্বের চুক্তি করে, তার উপর আল্লাহ তা‘আলার লা‘নত এবং ফেরেশতামন্ডলী ও সকল মানুষের। তার কোন নফল কিংবা ফরজ ‘ইবাদাত কবূল হবে না। (১১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫২ প্রথমাংশ)
হাদিস নং: ৩১৮০ সহিহ (Sahih)
قال ابو موسى حدثنا هاشم بن القاسم حدثنا اسحاق بن سعيد عن ابيه عن ابي هريرة قال كيف انتم اذا لم تجتبوا دينارا ولا درهما فقيل له وكيف ترى ذلك كاىنا يا ابا هريرة قال اي والذي نفس ابي هريرة بيده عن قول الصادق المصدوق قالوا عم ذاك قال تنتهك ذمة الله وذمة رسوله صلى الله عليه وسلم فيشد الله عز وجل قلوب اهل الذمة فيمنعون ما في ايديهم
৩১৮০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, অমুসলিমদের নিকট হতে (জিযইয়াহ স্বরূপ) একটি দ্বীনার বা দিরহামও তোমরা পাবে না, তখন তোমাদের কী অবস্থা হবে? তাকে বলা হল, হে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) আপনি কিভাবে মনে করেন যে, এমন অবস্থা দেখা দিবে, তিনি বললেন, হ্যাঁ, শপথ সে মহান সত্তার যাঁর হাতে আবূ হুরাইরাহর প্রাণ, যিনি সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে স্বীকৃত তাঁর উক্তি থেকে আমি বলছি। লোকেরা বলল, কী কারণে এমন হবে? তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দেয়া নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করা হবে। ফলে আল্লাহ্ তা‘আলা জিম্মীদের হৃদয়কে কঠিন করে দিবেন; তারা তাদের হাতের সম্পদ দিবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪১ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫২ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৩১৮১ সহিহ (Sahih)
باب حدثنا عبدان اخبرنا ابو حمزة قال سمعت الاعمش قال سالت ابا واىل شهدت صفين قال نعم فسمعت سهل بن حنيف يقول اتهموا رايكم رايتني يوم ابي جندل ولو استطيع ان ارد امر النبي صلى الله عليه وسلم لرددته وما وضعنا اسيافنا على عواتقنا لامر يفظعنا الا اسهلن بنا الى امر نعرفه غير امرنا هذا
৩১৮১. আ‘মাশ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ ওয়াইল (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সিফ্ফীনের যুদ্ধে হাযির ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তোমরা নিজ মতামতকে বিশুদ্ধ মনে করো না। আমি নিজেকে আবূ জান্দালের দিন দেখেছি। আমি যদি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশ রদ করতে পারতাম, তবে তা নিশ্চয়ই রদ করতাম। আসলে আমরা যখনই কোন ভয়ানক অবস্থায় আমাদের স্কন্ধে তলোয়ার তুলে নিয়েছি, তখন তা আমাদের জন্য সহজ করে দেয়া হয়েছে এমনভাবে যা আমরা উপলব্ধি করেছি। কিন্তু বর্তমান অবস্থা অন্যরূপ। (৩১৮২, ৪১৮৯, ৪৮৪৪, ৭৩০৮) (মুসলিম ৩২/৩৪ হাঃ ১৭৮৫, আহমাদ ১৫৯৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫৩)
হাদিস নং: ৩১৮২ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا يحيى بن ادم حدثنا يزيد بن عبد العزيز عن ابيه حدثنا حبيب بن ابي ثابت قال حدثني ابو واىل قال كنا بصفين فقام سهل بن حنيف فقال ايها الناس اتهموا انفسكم فانا كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية ولو نرى قتالا لقاتلنا فجاء عمر بن الخطاب فقال يا رسول الله السنا على الحق وهم على الباطل فقال بلى فقال اليس قتلانا في الجنة وقتلاهم في النار قال بلى قال فعلام نعطي الدنية في ديننا انرجع ولما يحكم الله بيننا وبينهم فقال يا ابن الخطاب اني رسول الله ولن يضيعني الله ابدا فانطلق عمر الى ابي بكر فقال له مثل ما قال للنبي صلى الله عليه وسلم فقال انه رسول الله ولن يضيعه الله ابدا فنزلت سورة الفتح فقراها رسول الله صلى الله عليه وسلم على عمر الى اخرها فقال عمر يا رسول الله اوفتح هو قال نعم
৩১৮২. আবূ ওয়ায়িল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সিফফীন যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। সে সময় সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা নিজ মতামতকে সঠিক মনে করো না। আমরা হুদায়বিয়ার দিন রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। যদি আমরা যুদ্ধ করা সঠিক মনে করতাম, তবে আমরা যুদ্ধ করতাম। পরে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি হকের উপর নই এবং তারা বাতিলের উপর নয়? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর তিনি বললেন, আমাদের নিহত ব্যক্তিগণ কি জান্নাতী নন এবং তাদের নিহত ব্যক্তিরা জাহান্নামী নয়? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ, আমাদের নিহতগণ অবশ্যই জান্নাতী। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তবে কী কারণে আমরা আমাদের দ্বীনের ব্যাপারে হীনতা স্বীকার করব? আমরা কি ফিরে যাব? অথচ আল্লাহ্ তা‘আলা আমাদের ও তাদের মধ্যে কোন ফায়সালা করেননি? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে ইবনু খাত্তাব! আমি নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল, আল্লাহ আমাকে কখনো হেয় করবেন না। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট গেলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যা বলেছিলেন, তা তাঁর নিকট বললেন। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, তিনি আল্লাহর রাসূল, আল্লাহ তা‘আলা কখনও তাঁকে অপদস্থ করবেন না। অতঃপর সূরা ফাত্হ নাযিল হয়। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শেষ পর্যন্ত ‘উমার (রাঃ)-কে পাঠ করে শোনান। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি বিজয়? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। (৩১৮১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫৪)
হাদিস নং: ৩১৮৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا حاتم بن اسماعيل عن هشام بن عروة عن ابيه عن اسماء بنت ابي بكر رضي الله عنهما قالت قدمت علي امي وهي مشركة في عهد قريش اذ عاهدوا رسول الله صلى الله عليه وسلم ومدتهم مع ابيها فاستفتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله ان امي قدمت علي وهي راغبة افاصلها قال نعم صليها
৩১৮৩. আসমা বিনতে আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার মা, যিনি মুশরিক ছিলেন, তাঁর পিতার সঙ্গে আমার নিকট এলেন, যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কুরাইশরা চুক্তি করেছিল। তখন আসমা (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার মা আমার কাছে এসেছেন। তিনি ইসলামের প্রতি আসক্ত নন। আমি কি তাঁর সঙ্গে ভাল ব্যবহার করব?’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হ্যাঁ, তাঁর সঙ্গে সদ্ব্যবহার কর।’ (২৬২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫৫)
হাদিস নং: ৩১৮৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عثمان بن حكيم حدثنا شريح بن مسلمة حدثنا ابراهيم بن يوسف بن ابي اسحاق قال حدثني ابي عن ابي اسحاق قال حدثني البراء ان النبي صلى الله عليه وسلم لما اراد ان يعتمر ارسل الى اهل مكة يستاذنهم ليدخل مكة فاشترطوا عليه ان لا يقيم بها الا ثلاث ليال ولا يدخلها الا بجلبان السلاح ولا يدعو منهم احدا قال فاخذ يكتب الشرط بينهم علي بن ابي طالب فكتب هذا ما قاضى عليه محمد رسول الله فقالوا لو علمنا انك رسول الله لم نمنعك ولبايعناك ولكن اكتب هذا ما قاضى عليه محمد بن عبد الله فقال انا والله محمد بن عبد الله وانا والله رسول الله قال وكان لا يكتب قال فقال لعلي امح رسول الله فقال علي والله لا امحاه ابدا قال فارنيه قال فاراه اياه فمحاه النبي بيده فلما دخل ومضت الايام اتوا عليا فقالوا مر صاحبك فليرتحل فذكر ذلك علي لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال نعم ثم ارتحل
৩১৮৪. বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ‘উমরাহ করার ইচ্ছা করেন, তখন তিনি মক্কা্য় আগমনের অনুমতি চেয়ে মক্কা্য় কাফিরদের নিকট লোক পাঠান। তারা শর্ত দেয় যে, তিনি সেখানে তিন রাতের বেশি থাকবেন না এবং অস্ত্রকে কোষে আবদ্ধ না করে প্রবেশ করবেন না। আর মক্কাবাসীদের কাউকে ইসলামের দাওয়াত দিবে না। বারাআ (রাঃ) বলেন, এ সকল শর্ত ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) লেখা শুরু করলেন এবং সন্ধিপত্রে লিখলেন, ‘‘এটা সে সন্ধিপত্র যার উপর আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ ফায়সালা করেছেন।’’ তখন কাফিররা বলল, ‘আমরা যদি এ কথা মেনে নিতাম যে, আপনি আল্লাহর রাসূল, তবে তো আমরা আপনাকে বাধাই দিতাম না এবং আপনার হাতে বায়‘আত করে নিতাম। কাজেই এভাবে লিখুন, এটি সেই সন্ধিপত্র যার উপর মুহাম্মদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ফায়সালা করেছেন।’ তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহর কসম! আমি মুহাম্মদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এবং আল্লাহর কসম! আমি আল্লাহর রাসূল। বারাআ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লিখতেন না। তাই তিনি ‘আলী (রাঃ)-কে বললেন, রাসূলুল্লাহ মুছে ফেল। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি কখনো তা মুছব না। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবে আমাকে দেখিয়ে দাও। তখন ‘আলী (রাঃ) তাঁকে তা দেখিয়ে দিলেন এবং আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা স্বহস্তে মুছে ফেললেন। অতঃপর যখন তিনি মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং সে দিনগুলো অতীত হয়ে গেল, তখন তারা ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, তোমার সঙ্গীকে বল, যেন তিনি চলে যান। ‘আলী (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তা বললেন। তিনি বললেন, ঠিক আছে। অতঃপর তিনি যাত্রা করলেন। (১৭৮১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫৬)
হাদিস নং: ৩১৮৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان بن عثمان قال اخبرني ابي عن شعبة عن ابي اسحاق عن عمرو بن ميمون عن عبد الله قال بينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ساجد وحوله ناس من قريش من المشركين اذ جاء عقبة بن ابي معيط بسلى جزور فقذفه على ظهر النبي صلى الله عليه وسلم فلم يرفع راسه حتى جاءت فاطمة عليها السلام فاخذت من ظهره ودعت على من صنع ذلك فقال النبي صلى الله عليه وسلم اللهم عليك الملا من قريش اللهم عليك ابا جهل بن هشام وعتبة بن ربيعة وشيبة بن ربيعة وعقبة بن ابي معيط وامية بن خلف او ابي بن خلف فلقد رايتهم قتلوا يوم بدر فالقوا في بىر غير امية او ابي فانه كان رجلا ضخما فلما جروه تقطعت اوصاله قبل ان يلقى في البىر
58/20. بَابُ الْمُوَادَعَةِ مِنْ غَيْرِ وَقْتٍ

৫৮/২০. অধ্যায় : সময় সুনির্দিষ্ট না করে সমঝোতা করা।

وَقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أُقِرُّكُمْ عَلَى مَا أَقَرَّكُمْ اللهُ بِهِ

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীঃ আমি তোমাদের ততদিন সেখানে থাকতে দিব, যতদিন আল্লাহ তা’আলা তোমাদের রাখেন।


৩১৮৫. ’আবদুল্লাহ্ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদারত ছিলেন, তাঁর আশে-পাশে কুরাইশ মুশরিকদের কিছু লোক ছিল। এ সময় ’উকবাহ ইবনু আবূ মুআইত উটনীর ভুঁড়ি এনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিঠে ফেলে দেয়। ফলে তিনি তাঁর মাথা উঠাতে পারলেন না। অবশেষে ফাতিমাহ (রাঃ) এসে তাঁর পিঠ হতে তা সরিয়ে দেন আর যে ব্যক্তি এ কাজ করেছে তার বিরুদ্ধে বদদু’আ করেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আল্লাহ্! কুরাইশদের এ দলের বিচার আপনার উপর ন্যস্ত করলাম। হে আল্লাহ্! আপনি শাস্তি দিন আবূ জাহ্ল ইবনু হিশাম, উত্বাহ ইবনু রাবী’আহ, শায়বাহ ইবনু রাবী’আহ, ’উকবাহ ইবনু আবূ মুআইত ও উমাইয়াহ ইবনু খালফ (অথবা রাবী বলেছেন), উবাই ইবনু খালফকে। (ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) বলেন), আমি দেখেছি, তারা সবাই বাদ্র যুদ্ধে নিহত হয়। তাদের সবাইকে কূপে নিক্ষেপ করা হয়, উমাইয়াহ অথবা উবাই ছাড়া। কেননা, সে ছিল মোটা দেহের। যখন তার লাশ টানা হচ্ছিল, তখন কূপে নিক্ষেপ করার পূর্বেই তার জোড়াগুলি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। (২৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫৮)
হাদিস নং: ৩১৮৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد حدثنا شعبة عن سليمان الاعمش عن ابي واىل عن عبد الله وعن ثابت عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لكل غادر لواء يوم القيامة قال احدهما ينصب وقال الاخر يرى يوم القيامة يعرف به
৩১৮৬-৩১৮৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা হবে। একজন রাবী বলেছেন, পতাকাটি স্থাপিত হবে অপরজন বলেছেন, কিয়ামতের দিন প্রদর্শন করা হবে এবং তা দিয়ে তার পরিচয় দেয়া হবে। (মুসলিম ৩২/৪ হাঃ ১৭৩৬, আহমাদ ৩৯০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫৮)
হাদিস নং: ৩১৮৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن ايوب عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول لكل غادر لواء ينصب بغدرته يوم القيامة
৩১৮৬-৩১৮৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা হবে। একজন রাবী বলেছেন, পতাকাটি স্থাপিত হবে অপরজন বলেছেন, কিয়ামতের দিন প্রদর্শন করা হবে এবং তা দিয়ে তার পরিচয় দেয়া হবে। (মুসলিম ৩২/৪ হাঃ ১৭৩৬, আহমাদ ৩৯০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫৮)
হাদিস নং: ৩১৮৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن ايوب عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول لكل غادر لواء ينصب بغدرته يوم القيامة
৩১৮৮. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, (কিয়ামতের দিন) ওয়াদা ভঙ্গের নিদর্শন হিসেবে প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য একটি পতাকা স্থাপন করা হবে। (৬১৭৭, ৬১৭৮, ৬৯৬৬, ৭১১১) (মুসলিম ৩২/৪ হাঃ ১৭৩৫, আহমাদ ৪৮৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫৯)
হাদিস নং: ৩১৮৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا جرير عن منصور عن مجاهد عن طاوس عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة لا هجرة ولكن جهاد ونية واذا استنفرتم فانفروا وقال يوم فتح مكة ان هذا البلد حرمه الله يوم خلق السموات والارض فهو حرام بحرمة الله الى يوم القيامة وانه لم يحل القتال فيه لاحد قبلي ولم يحل لي الا ساعة من نهار فهو حرام بحرمة الله الى يوم القيامة لا يعضد شوكه ولا ينفر صيده ولا يلتقط لقطته الا من عرفها ولا يختلى خلاه فقال العباس يا رسول الله الا الاذخر فانه لقينهم ولبيوتهم قال الا الاذخر
৩১৮৯. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন বললেন, হিজরত নেই কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত রয়েছে আর যখন তোমাদের জিহাদে যাবার জন্য আহবান করা হবে তখন তোমরা বেরিয়ে পড়বে। আর তিনি মক্কা বিজয়ের দিন আরো বলেন, এ নগরীকে আল্লাহ তা‘আলা আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টির দিন থেকে সম্মানিত করেছেন। কাজেই তা আল্লাহর দেয়া সম্মানের দ্বারা ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) অবধি সম্মানিত থাকবে। আমার আগে এখানে যুদ্ধ করা কারও জন্য হালাল ছিল না আর আমার জন্যও তা দিনের কেবল কিছু সময়ের জন্যই হালাল করা হয়েছিল। অতএব আল্লাহর দেয়া সম্মানের দ্বারা ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত তা সম্মানিত থাকবে। এখানকার কাঁটা কর্তন করা যাবে না; শিকারকে তাড়ানো যাবে না আর পথে পড়ে থাকা জিনিস কেউ উঠাবে না। তবে সে ব্যক্তি উঠাতে পারবে, যে তা ঘোষণা করবে। এখানকার ঘাস কাটা যাবে না।’ তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইযখির ছাড়া। কেননা, তা কর্মকারের ও ঘরের কাজে লাগে।’ তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘ইযখির ছাড়া।’ (১৩৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৬০)
অধ্যায় তালিকা