হাদিস নং: ৩২৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن عمرو سمع عطاء يخبر عن صفوان بن يعلى عن ابيه انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقرا على المنبر ونادوا يا مالك (الزخرف : 77)
৩২৬৬. ইয়া‘লা (রহ.) এর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মিম্বারে তিলাওয়াত করতে শুনেছেন, ‘‘আর তারা ডাকবে, হে মালিক।’’ (যুখরুফ : ৭৭) (৩২৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩৫)
হাদিস নং: ৩২৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي حدثنا سفيان عن الاعمش عن ابي واىل قال قيل لاسامة لو اتيت فلانا فكلمته قال انكم لترون اني لا اكلمه الا اسمعكم اني اكلمه في السر دون ان افتح بابا لا اكون اول من فتحه ولا اقول لرجل ان كان علي اميرا انه خير الناس بعد شيء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا وما سمعته يقول قال سمعته يقول يجاء بالرجل يوم القيامة فيلقى في النار فتندلق اقتابه في النار فيدور كما يدور الحمار برحاه فيجتمع اهل النار عليه فيقولون اي فلان ما شانك اليس كنت تامرنا بالمعروف وتنهانا عن المنكر قال كنت امركم بالمعروف ولا اتيه وانهاكم عن المنكر واتيه رواه غندر عن شعبة عن الاعمش
৩২৬৭. আবূ ওয়াইল (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসামাহ (রাঃ)-কে বলা হল, কত ভাল হত! যদি আপনি ঐ ব্যক্তির (উসমান (রাঃ)-এর নিকট যেতেন এবং তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতেন। উত্তরে তিনি বললেন, আপনারা মনে করছেন যে আমি তাঁর সঙ্গে আপনাদেরকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলব। অথচ আমি তাঁর সঙ্গে (দাঙ্গা দমনের ব্যাপারে) গোপনে আলোচনা করছি, যেন আমি একটি দ্বার খুলে না বসি। আমি দ্বার উন্মুক্তকারীর প্রথম ব্যক্তি হতে চাই না। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হতে কিছু শুনেছি, যার পরে আমি কোন ব্যক্তিকে যিনি আমাদের আমীর নির্বাচিত হয়েছেন এ কারণে তিনি আমাদের সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি এ কথা বলতে পারি না। লোকেরা তাঁকে বলল, আপনি তাঁকে কী বলতে শুনেছেন? উসামাহ (রাঃ) বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে আনা হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তখন আগুনে পুড়ে তার নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যাবে। এ সময় সে ঘুরতে থাকবে যেমন গাধা তার চাকা নিয়ে তার চারপাশে ঘুরতে থাকে। তখন জাহান্নামবাসীরা তার নিকট একত্রিত হয়ে তাকে বলবে, হে অমুক ব্যক্তি! তোমার এ অবস্থা কেন? তুমি না আমাদেরকে সৎ কাজের আদেশ করতে আর অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করতে? সে বলবে, আমি তোমাদেরকে সৎ কাজে আদেশ করতাম বটে, কিন্তু আমি তা করতাম না আর আমি তোমাদেরকে অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করতাম, অথচ আমিই তা করতাম। এ হাদীসটি গুনদার (রহ.) শুবা (রহ.) সূত্রে আ‘মাশ (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন। (৭০৯৮) (মুসলিম ৫৩/৭ হাঃ ২৯৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩৬)
হাদিস নং: ৩২৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن موسى اخبرنا عيسى عن هشام عن ابيه عن عاىشة رضي الله عنها قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم وقال الليث كتب الي هشام انه سمعه ووعاه عن ابيه عن عاىشة قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم حتى كان يخيل اليه انه يفعل الشيء وما يفعله حتى كان ذات يوم دعا ودعا ثم قال اشعرت ان الله افتاني فيما فيه شفاىي اتاني رجلان فقعد احدهما عند راسي والاخر عند رجلي فقال احدهما للاخر ما وجع الرجل قال مطبوب قال ومن طبه قال لبيد بن الاعصم قال فيما ذا قال في مشط ومشاقة وجف طلعة ذكر قال فاين هو قال في بىر ذروان فخرج اليها النبي صلى الله عليه وسلم ثم رجع فقال لعاىشة حين رجع نخلها كانه رءوس الشياطين فقلت استخرجته فقال لا اما انا فقد شفاني الله وخشيت ان يثير ذلك على الناس شرا ثم دفنت البىر
وَقَالَ مُجَاهِدٌ يُقْذَفُوْنَ يُرْمَوْنَ دُحُوْرًا مَطْرُوْدِيْنَ وَاصِبٌ دَائِمٌ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَدْحُوْرًا مَطْرُوْدًا يُقَالُ مَرِيْدًا مُتَمَرِّدًا بَتَّكَهُ قَطَّعَهُ وَاسْتَفْزِزْ اسْتَخِفَّ بِخَيْلِكَ الْفُرْسَانُ وَالرَّجْلُ الرَّجَّالَةُ وَاحِدُهَا رَاجِلٌ مِثْلُ صَاحِبٍ وَصَحْبٍ وَتَاجِرٍ وَتَجْرٍ لَاحْتَنِكَنَّ لَاسْتَأْصِلَنَّ قَرِيْنٌ شَيْطَانٌ
মুজাহিদ (রহ.) বলেন, يُقْذَفُوْنَ তাদের নিক্ষেপ করা হবে। دُحُوْرًا তাদের হাঁকিয়ে বের করে দেয়া হবে। وَاصِبٌ স্থায়ী। আর ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, مَدْحُوْرًا হাঁকিয়ে বের করা অবস্থায়। مَرِيْدًا বিদ্রোহীরূপে। بَتَّكَهُ তাকে ছিন্ন করেছে। وَاسْتَفْزِزْ তুমি ভয় দেখাও। بِخَيْلِكَ অশ্বারোহী। وَالرَّجْلُ পদাতিকগণ। এর একবচন رَاجِلٌ যেমন صَاحِب এর বহুবচন صَحْب আর تَاجِر এর বহুবচনاتَجْرٍ لَاحْتَنِكَنَّ অবশ্যই আমি সমূলে উৎপাটন করব। قَرِيْنٌ শয়তান।
৩২৬৮. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যাদু করা হয়েছিল। লায়স (রহ.) বলেন, আমার নিকট হিশাম পত্র লিখেন, তাতে লেখা ছিল যে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে হাদীস শুনেছেন এবং তা ভালভাবে মুখস্থ করেছেন। ’আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যাদু করা হয়। এমনকি যাদুর প্রভাবে তাঁর খেয়াল হতো যে, তিনি স্ত্রীগণের বিষয়ে কোন কাজ করে ফেলেছেন অথচ তিনি তা করেননি। শেষ পর্যন্ত একদা তিনি রোগ আরোগ্যের জন্য বারবার দু’আ করলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি জানো আল্লাহ আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন, যাতে আমার রোগের আরোগ্য আছে? আমার নিকট দু’জন লোক আসল। তাদের একজন মাথার নিকট বসল আর অপরজন আমার পায়ের নিকট বসল। অতঃপর একজন অন্যজনকে জিজ্ঞেস করল, এ ব্যক্তির রোগটা কী? জিজ্ঞাসিত লোকটি জবাব দিল, তাকে যাদু করা হয়েছে। প্রথম লোকটি বলল, তাকে যাদু কে করল? সে বলল, লবীদ ইবনু আ’সাম। প্রথম ব্যক্তি বলল, কিসের দ্বারা? দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, তাকে যাদু করা হয়েছে, চিরুনি, সুতার তাগা এবং খেজুরের খোসায়। প্রথম ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, এগুলো কোথায় আছে? দ্বিতীয় ব্যক্তি জবাব দিল, যারওয়ান কূপে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে গেলেন এবং ফিরে আসলেন, অতঃপর তিনি ’আয়িশাহ (রাঃ)-কে বললেন, কূপের কাছের খেজুর গাছগুলো যেন এক একটা শয়তানের মাথা। তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সেই যাদু করা জিনিসগুলো বের করতে পেরেছেন? তিনি বলেন, না। তবে আল্লাহ আমাকে আরোগ্য দিয়েছেন। আমার আশংকা হয়েছিল এসব জিনিস বের করলে মানুষের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি হতে পারে। অতঃপর সেই কূপটি বন্ধ করে দেয়া হল। (৩১৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩৭)
মুজাহিদ (রহ.) বলেন, يُقْذَفُوْنَ তাদের নিক্ষেপ করা হবে। دُحُوْرًا তাদের হাঁকিয়ে বের করে দেয়া হবে। وَاصِبٌ স্থায়ী। আর ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, مَدْحُوْرًا হাঁকিয়ে বের করা অবস্থায়। مَرِيْدًا বিদ্রোহীরূপে। بَتَّكَهُ তাকে ছিন্ন করেছে। وَاسْتَفْزِزْ তুমি ভয় দেখাও। بِخَيْلِكَ অশ্বারোহী। وَالرَّجْلُ পদাতিকগণ। এর একবচন رَاجِلٌ যেমন صَاحِب এর বহুবচন صَحْب আর تَاجِر এর বহুবচনاتَجْرٍ لَاحْتَنِكَنَّ অবশ্যই আমি সমূলে উৎপাটন করব। قَرِيْنٌ শয়তান।
৩২৬৮. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যাদু করা হয়েছিল। লায়স (রহ.) বলেন, আমার নিকট হিশাম পত্র লিখেন, তাতে লেখা ছিল যে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে হাদীস শুনেছেন এবং তা ভালভাবে মুখস্থ করেছেন। ’আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যাদু করা হয়। এমনকি যাদুর প্রভাবে তাঁর খেয়াল হতো যে, তিনি স্ত্রীগণের বিষয়ে কোন কাজ করে ফেলেছেন অথচ তিনি তা করেননি। শেষ পর্যন্ত একদা তিনি রোগ আরোগ্যের জন্য বারবার দু’আ করলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি জানো আল্লাহ আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন, যাতে আমার রোগের আরোগ্য আছে? আমার নিকট দু’জন লোক আসল। তাদের একজন মাথার নিকট বসল আর অপরজন আমার পায়ের নিকট বসল। অতঃপর একজন অন্যজনকে জিজ্ঞেস করল, এ ব্যক্তির রোগটা কী? জিজ্ঞাসিত লোকটি জবাব দিল, তাকে যাদু করা হয়েছে। প্রথম লোকটি বলল, তাকে যাদু কে করল? সে বলল, লবীদ ইবনু আ’সাম। প্রথম ব্যক্তি বলল, কিসের দ্বারা? দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, তাকে যাদু করা হয়েছে, চিরুনি, সুতার তাগা এবং খেজুরের খোসায়। প্রথম ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, এগুলো কোথায় আছে? দ্বিতীয় ব্যক্তি জবাব দিল, যারওয়ান কূপে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে গেলেন এবং ফিরে আসলেন, অতঃপর তিনি ’আয়িশাহ (রাঃ)-কে বললেন, কূপের কাছের খেজুর গাছগুলো যেন এক একটা শয়তানের মাথা। তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সেই যাদু করা জিনিসগুলো বের করতে পেরেছেন? তিনি বলেন, না। তবে আল্লাহ আমাকে আরোগ্য দিয়েছেন। আমার আশংকা হয়েছিল এসব জিনিস বের করলে মানুষের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি হতে পারে। অতঃপর সেই কূপটি বন্ধ করে দেয়া হল। (৩১৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩৭)
হাদিস নং: ৩২৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل بن ابي اويس قال حدثني اخي عن سليمان بن بلال عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يعقد الشيطان على قافية راس احدكم اذا هو نام ثلاث عقد يضرب كل عقدة مكانها عليك ليل طويل فارقد فان استيقظ فذكر الله انحلت عقدة فان توضا انحلت عقدة فان صلى انحلت عقده كلها فاصبح نشيطا طيب النفس والا اصبح خبيث النفس كسلان
৩২৬৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন নিদ্রা যায় তখন শয়তান তার মাথার শেষভাগে তিনটি করে গিরা দিয়ে দেয়। প্রত্যেক গিরার সময় এ কথা বলে কুমন্ত্রণা দেয় যে, এখনো রাত অনেক রয়ে গেছে, কাজেই শুয়ে থাক। অতঃপর সে লোক যদি জেগে উঠে এবং আল্লাহকে স্মরণ করে তখন একটি গিরা খুলে যায়। অতঃপর যদি সে উযূ করে, তবে দ্বিতীয় গিরাও খুলে যায়। আর যদি সে সালাত আদায় করে তবে সব কয়টি গিরাই খুলে যায়। আর খুশীর সঙ্গে পবিত্র মনে তার সকাল হয়, অন্যথায় অপবিত্র মনে আলস্যের সাথে তার সকাল হয়। (১১৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩৮)
হাদিস নং: ৩২৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة حدثنا جرير عن منصور عن ابي واىل عن عبد الله قال ذكر عند النبي صلى الله عليه وسلم رجل نام ليله حتى اصبح قال ذاك رجل بال الشيطان في اذنيه او قال في اذنه
৩২৭০. ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এমন এক লোকের ব্যাপারে উল্লেখ করা হল, যে সারা রাত এমনকি ভোর পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিল। তখন তিনি বললেন, সে এমন লোক যার উভয় কানে অথবা তিনি বললেন, তার কানে শয়তান পেশাব করেছে। (১১৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩৯)
হাদিস নং: ৩২৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا همام عن منصور عن سالم بن ابي الجعد عن كريب عن ابن عباس رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اما ان احدكم اذا اتى اهله وقال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا فرزقا ولدا لم يضره الشيطان
৩২৭১. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দেখ, তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর কাছে আসে, আর তখন বলে, বিসমিল্লাহ। হে আল্লাহ! আমাদেরকে শয়তানের প্রভাব থেকে দূরে রাখ। আর আমাদেরকে যে সন্তান দান করবে তাকেও শয়তানের প্রভাব থেকে বাঁচিয়ে রাখ। অতঃপর তাদেরকে যে সন্তান দেয়া হবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। (১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪০)
হাদিস নং: ৩২৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد اخبرنا عبدة عن هشام بن عروة عن ابيه عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا طلع حاجب الشمس فدعوا الصلاة حتى تبرز واذا غاب حاجب الشمس فدعوا الصلاة حتى تغيب
৩২৭২. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন সূর্যের এক কিনারা উদিত হবে, তখন তা পরিষ্কারভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত আদায় বন্ধ রাখ। আবার যখন সূর্যের এক কিনারা অস্ত যাবে তখন তা সম্পূর্ণ অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত আদায় বন্ধ রাখ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪১)
হাদিস নং: ৩২৭৩
সহিহ (Sahih)
ولا تحينوا بصلاتكم طلوع الشمس ولا غروبها فانها تطلع بين قرني شيطان او الشيطان لا ادري اي ذلك قال هشام
৩২৭৩. আর তোমরা সূর্যোদয়ের সময়কে এবং সূর্যাস্তের সময়কে তোমাদের সালাতের জন্য নির্ধারিত করো না। কেননা তা শয়তানের দু’ শিং-এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয়। বর্ণনাকারী বলেন, হিশাম (রহ.) ‘শয়তান’ বলেছেন না ‘আশ-শয়তান’ বলেছেন তা আমি জানি না। (মুসলিম ৬/৫১ হাঃ ৮২৯, আহমাদ ৪৬১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪১ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৩২৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا يونس عن حميد بن هلال عن ابي صالح عن ابي سعيد قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اذا مر بين يدي احدكم شيء وهو يصلي فليمنعه فان ابى فليمنعه فان ابى فليقاتله فانما هو شيطان
৩২৭৪. আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সালাত আদায়ের সময় তোমাদের কারো সম্মুখ দিয়ে যখন কেউ চলাচল করবে তখন সে তাকে অবশ্যই বাধা দিবে। সে যদি অমান্য করে তবে আবারো তাকে বাধা দিবে। অতঃপরও যদি সে অমান্য করে তবে অবশ্যই তার সঙ্গে লড়াই করবে। কেননা সে শয়তান। (৫০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪২)
হাদিস নং: ৩২৭৫
সহিহ (Sahih)
وقال عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن محمد بن سيرين عن ابي هريرة قال وكلني رسول الله صلى الله عليه وسلم بحفظ زكاة رمضان فاتاني ات فجعل يحثو من الطعام فاخذته فقلت لارفعنك الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث فقال اذا اويت الى فراشك فاقرا اية الكرسي لن يزال عليك من الله حافظ ولا يقربك شيطان حتى تصبح فقال النبي صدقك وهو كذوب ذاك شيطان
৩২৭৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রমাযানের যাকাত (সদাকাতুল ফিত্রের) হিফাযতের দায়িত্ব প্রদান করলেন। অতঃপর আমার নিকট এক আগন্তুক আসল। সে তার দু’হাতের আঁজলা ভরে খাদ্যশস্য গ্রহণ করতে লাগল। তখন আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, আমি অবশ্যই তোমাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিয়ে যাব। তখন সে একটি হাদীস উল্লেখ করল এবং বলল, যখন তুমি বিছানায় শুতে যাবে, তখন আয়াতুল কুরসী পড়বে। তাহলে সর্বদা আল্লাহর পক্ষ হতে তোমার জন্য একজন হিফাযতকারী থাকবে এবং সকাল হওয়া অবধি তোমার নিকট শয়তান আসতে পারবে না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে তোমাকে সত্য বলেছে, অথচ সে মিথ্যাচারী এবং শয়তান ছিল। (২৩১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪২ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৩২৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال اخبرني عروة بن الزبير قال ابو هريرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ياتي الشيطان احدكم فيقول من خلق كذا من خلق كذا حتى يقول من خلق ربك فاذا بلغه فليستعذ بالله ولينته
৩২৭৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো নিকট শয়তান আসতে পারে এবং সে বলতে পারে, এ বস্তু কে সৃষ্টি করেছে? ঐ বস্তু কে সৃষ্টি করেছে? এরূপ প্রশ্ন করতে করতে শেষ পর্যন্ত বলে বসবে, তোমার প্রতিপালককে কে সৃষ্টি করেছে? যখন ব্যাপারটি এ স্তরে পৌঁছে যাবে তখন সে যেন অবশ্যই আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায় এবং বিরত হয়ে যায়। (মুসলিম ১/৬০ হাঃ ১৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৩)
হাদিস নং: ৩২৭৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال حدثني ابن ابي انس مولى التيميين ان اباه حدثه انه سمع ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا دخل رمضان فتحت ابواب الجنة وغلقت ابواب جهنم وسلسلت الشياطين
৩২৭৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন রমাযান মাস আরম্ভ হয়, জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শিকলে বেঁধে রাখা হয়। (১৮৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৪)
হাদিস নং: ৩২৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحميدي حدثنا سفيان حدثنا عمرو قال اخبرني سعيد بن جبير قال قلت لابن عباس فقال حدثنا ابي بن كعب انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ان موسى قال لفتاه اتنا غداءنا قال ارايت اذ اوينا الى الصخرة فاني نسيت الحوت ومآ انسانيه الا الشيطان ان اذكره (الكهف : 63) ولم يجد موسى النصب حتى جاوز المكان الذي امر الله به
৩২৭৮. উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, ‘‘মূসা তার সঙ্গীকে বললেনঃ আমাদের নাশতা আন এ সফরে আমরা অবশ্যই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। সঙ্গী বললঃ আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন প্রস্তর খন্ডের কাছে বিশ্রাম করছিলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। শয়তানই আমাকে এ কথা স্মরণ রাখতে ভুলিয়ে দিয়েছিল’’- (কাহ্ফ ৬২-৬৩)। আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আঃ)-কে যে স্থানটি সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তিনি সে স্থানটি অতিক্রম করা পর্যন্ত কোন প্রকার ক্লান্তি অনুভব করেননি। (৭৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৫)
হাদিস নং: ৩২৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يشير الى المشرق فقال ها ان الفتنة ها هنا ان الفتنة ها هنا من حيث يطلع قرن الشيطان
৩২৭৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি, তিনি পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, সাবধান! ফিতনা এখানেই। সাবধান! ফিতনা এখানেই। যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে। (৩১০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৬)
হাদিস নং: ৩২৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن جعفر حدثنا محمد بن عبد الله الانصاري حدثنا ابن جريج قال اخبرني عطاء عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اذا استجنح الليل او قال جنح الليل فكفوا صبيانكم فان الشياطين تنتشر حينىذ فاذا ذهب ساعة من العشاء فخلوهم واغلق بابك واذكر اسم الله واطفى مصباحك واذكر اسم الله واوك سقاءك واذكر اسم الله وخمر اناءك واذكر اسم الله ولو تعرض عليه شيىا
৩২৮০. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘সূর্যাস্তের পরপরই যখন রাত শুরু হয় অথবা বলেছেন, যখন রাতের অন্ধকার নেমে আসে তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে ঘরে আটকে রাখবে। কারণ এ সময় শয়তানেরা ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর যখন রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হবে তখন তাদের ছেড়ে দিতে পার আর তুমি তোমার ঘরের দরজা বন্ধ করে দাও এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমাদের ঘরের বাতি নিভিয়ে দাও এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার পানি রাখার পাত্রের মুখ ঢেকে রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার বাসনপত্র ঢেকে রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। সামান্য কিছু হলেও তার ওপর দিয়ে রেখে দাও।’ (৩৩০৪, ৩৩১৬, ৫৬২৩, ৫৬২৪, ৬২৯৫, ৬২৯৬) (মুসলিম ৩৬/১২ হাঃ ২০১২, আহমাদ ১৪৮৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৭)
হাদিস নং: ৩২৮১
সহিহ (Sahih)
حدثني محمود بن غيلان حدثنا عبد الرزاق اخبرنا معمر عن الزهري عن علي بن حسين عن صفية بنت حيي قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم معتكفا فاتيته ازوره ليلا فحدثته ثم قمت فانقلبت فقام معي ليقلبني وكان مسكنها في دار اسامة بن زيد فمر رجلان من الانصار فلما رايا النبي اسرعا فقال النبي صلى الله عليه وسلم على رسلكما انها صفية بنت حيي فقالا سبحان الله يا رسول الله قال ان الشيطان يجري من الانسان مجرى الدم واني خشيت ان يقذف في قلوبكما سوءا او قال شيىا
৩২৮১. সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াই (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই‘তিকাফ অবস্থায় ছিলেন। আমি রাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসলাম। অতঃপর তাঁর সঙ্গে কিছু কথা বললাম। অতঃপর আমি ফিরে আসার জন্য দাঁড়ালাম। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও আমাকে পৌঁছে দেয়ার জন্য আমার সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন। আর তাঁর বাসস্থান ছিল উসামাহ ইবনু যায়দের বাড়িতে। এ সময় দু’জন আনসারী সে স্থান দিয়ে অতিক্রম করল। তারা যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখল তখন তারা শীঘ্র চলে যেতে লাগল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা একটু থাম। এ সাফিয়্যা বিন্তে হুয়াই। তারা বললেন, সুবহানাল্লাহ! হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, মানুষের রক্তধারায় শয়তান প্রবাহমান থাকে। আমি শংকাবোধ করছিলাম, সে তোমাদের মনে কোন খারাপ ধারণা অথবা বললেন অন্য কিছু সৃষ্টি করে না কি। (২০৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৮)
হাদিস নং: ৩২৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان عن ابي حمزة عن الاعمش عن عدي بن ثابت عن سليمان بن صرد قال كنت جالسا مع النبي صلى الله عليه وسلم ورجلان يستبان فاحدهما احمر وجهه وانتفخت اوداجه فقال النبي صلى الله عليه وسلم اني لاعلم كلمة لو قالها ذهب عنه ما يجد لو قال اعوذ بالله من الشيطان ذهب عنه ما يجد فقالوا له ان النبي صلى الله عليه وسلم قال تعوذ بالله من الشيطان فقال وهل بي جنون
৩২৮২. সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন দু’জন লোক গালাগালি করছিল। তাদের এক জনের চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল এবং তার রগগুলো ফুলে গিয়েছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি এমন একটি দু’আ জানি, যদি এ লোকটি তা পড়ে তবে তার রাগ দূর হয়ে যাবে। সে যদি পড়ে আ‘ঊযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তান’’-আমি শয়তান হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। তবে তার রাগ চলে যাবে। তখন তাকে বলল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তুমি আল্লাহর নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় চাও। সে বলল, আমি কি পাগল হয়েছি? (৬০৪৮, ৬১১৫) (মুসলিম ৪৫/৩০ হাঃ ২৬১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৯)
হাদিস নং: ৩২৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا منصور عن سالم بن ابي الجعد عن كريب عن ابن عباس قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لو ان احدكم اذا اتى اهله قال جنبني الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتني فان كان بينهما ولد لم يضره الشيطان ولم يسلط عليه قال وحدثنا الاعمش عن سالم عن كريب عن ابن عباس مثله
৩২৮৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর নিকট গমন করে এবং বলে, ‘‘হে আল্লাহ! আমাকে শয়তান হতে রক্ষা কর আর আমাকে এর মাধ্যমে যে সন্তান দিবে তাকেও শয়তান থেকে হিফাজত কর। তাহলে যদি তাদের কোন সন্তান জন্মায়, তবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এবং তার উপর কোন প্রভাব ফেলতে পারবে না। আসমা (রহ.).....ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট হতে অনুরূপ রিওয়ায়ত বর্ণনা করেন (১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫০)
হাদিস নং: ৩২৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود حدثنا شبابة حدثنا شعبة عن محمد بن زياد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم انه صلى صلاة فقال ان الشيطان عرض لي فشد علي يقطع الصلاة علي فامكنني الله منه فذكره
৩২৮৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, শয়তান আমার সামনে এসেছিল। সে আমার সালাত নষ্ট করার বহু চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আল্লাহ আমাকে তার উপর বিজয়ী করেন। অতঃপর পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি উল্লেখ করেন। (৪৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫১)
হাদিস নং: ৩২৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا الاوزاعي عن يحيى بن ابي كثير عن ابي سلمة عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اذا نودي بالصلاة ادبر الشيطان وله ضراط فاذا قضي اقبل فاذا ثوب بها ادبر فاذا قضي اقبل حتى يخطر بين الانسان وقلبه فيقول اذكر كذا وكذا حتى لا يدري اثلاثا صلى ام اربعا فاذا لم يدر ثلاثا صلى او اربعا سجد سجدتي السهو
৩২৮৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন সালাতের জন্যে আযান দেয়া হয় তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে। আযান শেষ হলে সামনে এগিয়ে আসে। আবার যখন ইকামাত দেয়া হয় তখন আবার পালাতে থাকে। ইকামাত শেষ হলে আবার সামনে আসে এবং মানুষের মনে খটকা সৃষ্টি করতে থাকে আর বলতে থাকে ওটা ওটা মনে কর। এমনকি সে ব্যক্তি আর মনে রাখতে পারে না যে, সে কি তিন রাক‘আত পড়ল না চার রাকআত পড়ল। এ রকম যদি কারো হয়ে যায়, সে মনে রাখতে পারে না তিন রাকা‘আত পড়েছে না কি চার রাকআত তখন সে যেন দু’টি সাহু সাজ্দাহ করে। (৬০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫২)