হাদিস নং: ৩২৪৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب حدثنا ابو الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اول زمرة تدخل الجنة على صورة القمر ليلة البدر والذين على اثرهم كاشد كوكب اضاءة قلوبهم على قلب رجل واحد لا اختلاف بينهم ولا تباغض لكل امرى منهم زوجتان كل واحدة منهما يرى مخ ساقها من وراء لحمها من الحسن يسبحون الله بكرة وعشيا لا يسقمون ولا يمتخطون ولا يبصقون انيتهم الذهب والفضة وامشاطهم الذهب ووقود مجامرهم الالوة قال ابو اليمان يعني العود ورشحهم المسك وقال مجاهد الابكار اول الفجر والعشي ميل الشمس الى ان اراه تغرب
৩২৪৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘প্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে তারা পূর্ণিমার চাঁদের মত উজ্জ্বল চেহারা নিয়ে প্রবেশ করবে আর তাদের পর যারা প্রবেশ করবে তারা অতি উজ্জ্বল তারার ন্যায় আকৃতি ধারণ করবে। তাদের অন্তরগুলো এক ব্যক্তির অন্তরের মত থাকবে। তাদের মধ্যে কোন রকম মতভেদ থাকবে না আর পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না। তাদের প্রত্যেকের দু’জন করে স্ত্রী থাকবে। সৌন্দর্যের কারণে গোশ্ত ভেদ করে পায়ের নলার মজ্জা দেখা যাবে। তারা সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করবে। তারা রোগাক্রান্ত হবে না, নাক ঝাড়বে না, থুথু ফেলবে না। তাদের পাত্রসমূহ হবে স্বর্ণ ও রৌপ্যের আর চিরুনীসমূহ হবে স্বর্ণের। তাদের ধুনুচিতে থাকবে সুগন্ধি কাষ্ঠ।’ আবুল ইয়ামান (রহ.) বলেন, অর্থাৎ কাষ্ঠ। তাদের গায়ের ঘাম মিসকের মত সুগন্ধময় হবে। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, الْإِبْكَارُ অর্থ উষাকালের প্রথম অংশ الْعَشِيُّ অর্থ সূর্য ঢলে পড়ার সময় হতে অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সময়কাল। (৩২৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০১৬)
হাদিস নং: ৩২৪৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن ابي بكر المقدمي حدثنا فضيل بن سليمان عن ابي حازم عن سهل بن سعد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ليدخلن من امتي سبعون الفا او سبع ماىة الف لا يدخل اولهم حتى يدخل اخرهم وجوههم على صورة القمر ليلة البدر
৩২৪৭. সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোক অথবা সাত লক্ষ লোক একই সঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের কেউ আগে কেউ পরে এভাবে নয় আর তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের মত উজ্জ্বল থাকবে। (৬৫৪৩, ৬৫৫৪) (মুসলিম ১/৯৪ হাঃ ২১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০১৭)
হাদিস নং: ৩২৪৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد الجعفي حدثنا يونس بن محمد حدثنا شيبان عن قتادة حدثنا انس قال اهدي للنبي صلى الله عليه وسلم جبة سندس وكان ينهى عن الحرير فعجب الناس منها فقال والذي نفس محمد بيده لمناديل سعد بن معاذ في الجنة احسن من هذا
৩২৪৮. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একটি রেশমী জুববা হাদিয়া দেয়া হল। অথচ তিনি রেশমী বস্ত্র পরতে নিষেধ করতেন; লোকেরা তা খুব পছন্দ করল। তখন তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম! যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, অবশ্যই জান্নাতে সা‘দ ইবনু মুআ‘যের রুমাল এর থেকে বেশি সুন্দর হবে। (২৬১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০১৮)
হাদিস নং: ৩২৪৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا يحيى بن سعيد عن سفيان قال حدثني ابو اسحاق قال سمعت البراء بن عازب رضي الله عنهما قال اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بثوب من حرير فجعلوا يعجبون من حسنه ولينه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمناديل سعد بن معاذ في الجنة افضل من هذا
৩২৪৯. বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একখানা রেশমী বস্ত্র আনা হল। লোকজন এর সৌন্দর্য এবং কমনীয়তার জন্য সেটা খুব পছন্দ করতে লাগল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘অবশ্যই জান্নাতে সা‘দ ইবনু মু‘আযের রুমাল এর থেকেও বেশি উত্তম হবে।’ (৩৮০২, ৫৮৩৬, ৬৬৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০১৯)
হাদিস নং: ৩২৫০
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن ابي حازم عن سهل بن سعد الساعدي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم موضع سوط في الجنة خير من الدنيا وما فيها
৩২৫০. সাহল ইবনু সা‘দ আস্সা‘য়িদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জান্নাতে চাবুক পরিমাণ সামান্য জায়গাও দুনিয়া এবং এর মধ্যে যা আছে তার থেকে উত্তম।’ (২৭৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২০)
হাদিস নং: ৩২৫১
সহিহ (Sahih)
حدثنا روح بن عبد المومن حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد عن قتادة حدثنا انس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها ماىة عام لا يقطعها
৩২৫১. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জান্নাতে এমন একটি গাছ আছে, যার ছায়ায় কোন আরোহী শত বছর পর্যন্ত চললেও তা অতিক্রম করতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২১)
হাদিস নং: ৩২৫২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن سنان حدثنا فليح بن سليمان حدثنا هلال بن علي عن عبد الرحمن بن ابي عمرة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها ماىة سنة واقرءوا ان شىتم وظل ممدود (الواقعة)
৩২৫২. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জান্নাতে এমন একটি বৃক্ষ আছে যার ছায়ায় কোন আরোহী শত বছর পর্যন্ত চলতে পারবে। আর তোমরা ইচ্ছা করলে তিলাওয়াত করতে পার وَظِلٍّ مَمْدُوْدٍ এবং দীর্ঘ ছায়া। (৪৮৮১) (মুসলিম ৫১/১ হাঃ ২৮২৬, আহমাদ ৯৪১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২২)
হাদিস নং: ৩২৫৩
সহিহ (Sahih)
ولقاب قوس احدكم في الجنة خير مما طلعت عليه الشمس او تغرب
৩২৫৩. আর জান্নাতে তোমাদের কারও একটি ধনুকের পরিমাণ জায়গাও ঐ জায়গা অপেক্ষা অধিক উত্তম যেখানে সূর্য উদিত হয় আর সূর্য অস্তমিত হয় (অর্থাৎ পৃথিবীর চেয়ে)। (২৭৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১২ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২২ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৩২৫৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن المنذر حدثنا محمد بن فليح حدثنا ابي عن هلال عن عبد الرحمن بن ابي عمرة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم اول زمرة تدخل الجنة على صورة القمر ليلة البدر والذين على اثارهم كاحسن كوكب دري في السماء اضاءة قلوبهم على قلب رجل واحد لا تباغض بينهم ولا تحاسد لكل امرى زوجتان من الحور العين يرى مخ سوقهن من وراء العظم واللحم
৩২৫৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের চেহারা পূর্ণিমা রাতের চাঁদের মত উজ্জ্বল হবে আর তাদের অনুগামী দলের চেহারা আকাশের উজ্জ্বল তারকার চেয়েও অধিক সুন্দর ও উজ্জ্বল হবে। তাদের অন্তরগুলো এক ব্যক্তির অন্তরের মত হবে। তাদের মধ্যে কোন বিদ্বেষ থাকবে না, কোন হিংসা থাকবে না, তাদের প্রত্যেকের জন্য ডাগর ডাগর চোখওয়ালা দু’জন করে এমন স্ত্রী থাকবে, যাদের পদ তলের অস্থি মজ্জা ও গোশ্ত ভেদ করে দেখা যাবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২৩)
হাদিস নং: ৩২৫৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال عدي بن ثابت اخبرني قال سمعت البراء عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لما مات ابراهيم قال ان له مرضعا في الجنة
৩২৫৫. বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এর ছেলে) ইব্রাহীম (রাঃ) ইন্তিকাল করেন, তখন তিনি বলেন, জান্নাতে এর এক ধাত্রী আছে। (১৩৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২৪)
হাদিস নং: ৩২৫৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله قال حدثني مالك بن انس عن صفوان بن سليم عن عطاء بن يسار عن ابي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان اهل الجنة يتراءون اهل الغرف من فوقهم كما يتراءون الكوكب الدري الغابر في الافق من المشرق او المغرب لتفاضل ما بينهم قالوا يا رسول الله تلك منازل الانبياء لا يبلغها غيرهم قال بلى والذي نفسي بيده رجال امنوا بالله وصدقوا المرسلين
৩২৫৬. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অবশ্যই জান্নাতবাসীরা তাদের উপরের বালাখানার বাসিন্দাদের এমনভাবে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা আকাশের পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে উজ্জ্বল দীপ্তিমান নক্ষত্র দেখতে পাও। এটা হবে তাদের মধ্যে মর্যাদার পার্থক্যের কারণে। সাহাবীগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! এ তো নবীগণের জায়গা। তাদের ব্যতীত অন্যরা সেখানে পৌঁছতে পারবে না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, সে সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, যেসব লোক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে এবং রাসূলগণকে সত্য বলে স্বীকার করবে। (৬৫৫৬) (মুসলিম ৫১/৩ হাঃ ২৮৩১, আহমাদ ২২৯৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২৫)
হাদিস নং: ৩২৫৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن ابي مريم حدثنا محمد بن مطرف قال حدثني ابو حازم عن سهل بن سعد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال في الجنة ثمانية ابواب فيها باب يسمى الريان لا يدخله الا الصاىمون
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَنْ أَنْفَقَ زَوْجَيْنِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الْجَنَّةِ فِيْهِ عُبَادَةُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন জিনিস জোড়া জোড়া দান করবে তাকে জান্নাতের দরজা থেকে ডাকা হবে। এ কথাটি ‘উবাদাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হতে বর্ণনা করেছেন।
৩২৫৭. সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘জান্নাতে আটটি দরজা। তার মধ্যে একটি দরজার নাম হবে রাইয়্যান। সাওম পালনকারী ছাড়া অন্য কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না।’ (১৮৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২৬)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন জিনিস জোড়া জোড়া দান করবে তাকে জান্নাতের দরজা থেকে ডাকা হবে। এ কথাটি ‘উবাদাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হতে বর্ণনা করেছেন।
৩২৫৭. সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘জান্নাতে আটটি দরজা। তার মধ্যে একটি দরজার নাম হবে রাইয়্যান। সাওম পালনকারী ছাড়া অন্য কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না।’ (১৮৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২৬)
হাদিস নং: ৩২৫৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد حدثنا شعبة عن مهاجر ابي الحسن قال سمعت زيد بن وهب يقول سمعت ابا ذر يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فقال ابرد ثم قال ابرد حتى فاء الفيء يعني للتلول ثم قال ابردوا بالصلاة فان شدة الحر من فيح جهنم
غَسّٰقًا يُقَالُ غَسَقَتْ عَيْنُهُ وَيَغْسِقُ الْجُرْحُ وَكَأَنَّ الْغَسَاقَ وَالْغَسَيْقَ وَاحِدٌ غِسْلِيْنُ كُلُّ شَيْءٍ غَسَلْتَهُ فَخَرَجَ مِنْهُ شَيْءٌ فَهُوَ غِسْلِيْنُ فِعْلِيْنُ مِنْ الْغَسْلِ مِنْ الْجُرْحِ وَالدَّبَرِ وَقَالَ عِكْرِمَةُ حَصَبُ جَهَنَّمَ حَطَبُ بِالْحَبَشِيَّةِ وَقَالَ غَيْرهُ حَاصِبًا الرِّيحُ الْعَاصِفُ وَالْحَاصِبُ مَا تَرْمِيْ بِهِ الرِّيحُ وَمِنْهُ حَصَبُ جَهَنَّمَ يُرْمَى بِهِ فِيْ جَهَنَّمَ هُمْ حَصَبُهَا وَيُقَالُ حَصَبَ فِي الأَرْضِ ذَهَبَ وَالْحَصَبُ مُشْتَقٌّ مِنْ حَصْبَاءِ الْحِجَارَةِ صَدِيْدٌ قَيْحٌ وَدَمٌ خَبَتْ طَفِئَتْ تُوْرُوْنَ تَسْتَخْرِجُوْنَ أَوْرَيْتُ أَوْقَدْتُ لِلْمُقْوِيْنَ لِلْمُسَافِرِيْنَ وَالْقِيُّ الْقَفْرُ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ صِرَاطُ الْجَحِيْمِ سَوَاءُ الْجَحِيْمِ وَوَسَطُ الْجَحِيْمِ لَشَوْبًا مِّنْ حَمِيْمٍ يُخْلَطُ طَعَامُهُمْ وَيُسَاطُ بِالْحَمِيْمِ زَفِيْرٌ وَّشَهِيْقٌ صَوْتٌ شَدِيْدٌ وَصَوْتٌ ضَعِيْفٌ وِرْدًا عِطَاشًا غَيًّا خُسْرَانًا وَقَالَ مُجَاهِدٌ يُسْجَرُوْنَ تُوقَدُ بِهِمْ النَّارُ وَنُحَاسٌ الصُّفْرُ يُصَبُّ عَلَى رُءُوسِهِمْ يُقَالُ ذُوْقُوْا بَاشِرُوْا وَجَرِّبُوْا وَلَيْسَ هَذَا مِنْ ذَوْقِ الْفَمِ مَارِجٌ خَالِصٌ مِنْ النَّارِ مَرَجَ الأَمِيْرُ رَعِيَّتَهُ إِذَا خَلَاهُمْ يَعْدُوْ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ مَرِيْجٍ مُلْتَبِسٍ مَرِجَ أَمْرُ النَّاسِ اخْتَلَطَ مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ (الرحمن : 19) مَرَجْتَ دَابَّتَكَ تَرَكْتَهَا
غَسَّاقًا প্রবাহিত পূঁজ যেমন কেউ বলে, তার চোখ প্রবাহিত হয়েছে ও ঘা প্রবাহিত হচ্ছে। غَسَاقُ আর غسيق একই অর্থ। غِسْلِيْنُ যে কোন বস্তুকে ধৌত করার পর তা হতে যা কিছু বের হয়, তাকে غِسْلِيْنُ বলা হয়, এটা غَسْلِ শব্দ হতে فِعْلِيْنُ -এর ওযনে হয়ে থাকে। ’ইকরিমাহ (রহ.) বলেছেন, حَصَبُ جَهَنَّم এর অর্থ জাহান্নামের জ্বালানী। এটা হাবশীদের ভাষা। আর অন্যরা বলেছেন, حَاصِبًا অর্থ দমকা হাওয়া। আর الْحَاصِبُ অর্থ বায়ু যা ছুঁড়ে ফেলে। এ হতে হয়েছে حَصَبُ جَهَنَّم যার অর্থ হচ্ছে যা কিছু জাহান্নামে ছুঁড়ে ফেলা হয় আর এরাই এর জ্বালানী। الْحَصَبُ শব্দটি حَصْبَاء শব্দ হতে উৎপত্তি। যার অর্থ কংকরসমূহ। صَدِيْدٌ পূঁজ ও রক্ত। خَبَتْ নিভে গেছে। تُوْرُوْنَ তোমরা আগুন বের করছ। أَوْرَيْتُ অর্থ আমি আগুন জ্বালিয়েছি। لِلْمُقْوِيْنَ মুসাফিরগণের উপকারার্থে। আর الْقِيُّ তরুলতাহীন প্রান্তর। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, صِرَاطُ الْجَحِيْمِ অর্থ জাহান্নামের দিক ও তার মধ্যস্থল। لَشَوْبًا তাদের খাদ্য অতি গরম পানির সঙ্গে মিশানো হবে। زَفِيْرٌ وَشَهِيْقٌ কঠোর চিৎকার ও আর্তনাদ। وِرْدًا পিপাসার্ত। غَيًّا ক্ষতিগ্রস্ত। মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, يُسْجَرُوْنَ তাদের দ্বারা আগুন জ্বালানো হবে। আর نُحَاسٌ অর্থ শীশা যা গলিয়ে তাদের মাথায় ঢেলে দেয়া হবে। বলা হয়েছে ذُوقُوْا এর অর্থ স্বাদ গ্রহণ কর এবং অভিজ্ঞতা হাসিল কর। এটা কিন্তু মুখের দ্বারা সাদ গ্রহণ করা নয়। مَارِجٌ নির্ভেজাল অগ্নি। مَرَجَ الأَمِيْرُ رَعِيَّتَهُ আমীর তার প্রজাকে ছেড়ে দিয়েছে, কথাটি এ সময় বলা হয় যখন সে তাদেরকে ছেড়ে দেয় আর তারা একে অন্যের প্রতি শত্রুতা করতে থাকে। مَرِيْجٍ মিশ্রিত। مَرِجَ أَمْرُ النَّاسِ যখন মানুষের কোন বিষয় তালগোল পাকিয়ে যায়। আর مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ অর্থ তিনি দু’টি নদী প্রবাহিত করেছেন। مَرَجْتَ دَابَّتَكَ এ কথাটি সে সময় বলা হয়, যখন তুমি তোমার চতুষ্পদ জন্তুকে ছেড়ে দাও।
৩২৫৮. আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এক সফরে ছিলেন, তখন তিনি বললেন, ’ঠান্ডা হতে দাও।’ আবার বললেন, ’টিলাগুলোর ছায়া নীচে নেমে আসা পর্যন্ত ঠান্ডা হতে দাও।’ আবার বললেন, ’সালাত ঠান্ডা হলে পরে আদায় করবে। কেননা, গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপ থেকে হয়।’ (৫৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২৭)
غَسَّاقًا প্রবাহিত পূঁজ যেমন কেউ বলে, তার চোখ প্রবাহিত হয়েছে ও ঘা প্রবাহিত হচ্ছে। غَسَاقُ আর غسيق একই অর্থ। غِسْلِيْنُ যে কোন বস্তুকে ধৌত করার পর তা হতে যা কিছু বের হয়, তাকে غِسْلِيْنُ বলা হয়, এটা غَسْلِ শব্দ হতে فِعْلِيْنُ -এর ওযনে হয়ে থাকে। ’ইকরিমাহ (রহ.) বলেছেন, حَصَبُ جَهَنَّم এর অর্থ জাহান্নামের জ্বালানী। এটা হাবশীদের ভাষা। আর অন্যরা বলেছেন, حَاصِبًا অর্থ দমকা হাওয়া। আর الْحَاصِبُ অর্থ বায়ু যা ছুঁড়ে ফেলে। এ হতে হয়েছে حَصَبُ جَهَنَّم যার অর্থ হচ্ছে যা কিছু জাহান্নামে ছুঁড়ে ফেলা হয় আর এরাই এর জ্বালানী। الْحَصَبُ শব্দটি حَصْبَاء শব্দ হতে উৎপত্তি। যার অর্থ কংকরসমূহ। صَدِيْدٌ পূঁজ ও রক্ত। خَبَتْ নিভে গেছে। تُوْرُوْنَ তোমরা আগুন বের করছ। أَوْرَيْتُ অর্থ আমি আগুন জ্বালিয়েছি। لِلْمُقْوِيْنَ মুসাফিরগণের উপকারার্থে। আর الْقِيُّ তরুলতাহীন প্রান্তর। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, صِرَاطُ الْجَحِيْمِ অর্থ জাহান্নামের দিক ও তার মধ্যস্থল। لَشَوْبًا তাদের খাদ্য অতি গরম পানির সঙ্গে মিশানো হবে। زَفِيْرٌ وَشَهِيْقٌ কঠোর চিৎকার ও আর্তনাদ। وِرْدًا পিপাসার্ত। غَيًّا ক্ষতিগ্রস্ত। মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, يُسْجَرُوْنَ তাদের দ্বারা আগুন জ্বালানো হবে। আর نُحَاسٌ অর্থ শীশা যা গলিয়ে তাদের মাথায় ঢেলে দেয়া হবে। বলা হয়েছে ذُوقُوْا এর অর্থ স্বাদ গ্রহণ কর এবং অভিজ্ঞতা হাসিল কর। এটা কিন্তু মুখের দ্বারা সাদ গ্রহণ করা নয়। مَارِجٌ নির্ভেজাল অগ্নি। مَرَجَ الأَمِيْرُ رَعِيَّتَهُ আমীর তার প্রজাকে ছেড়ে দিয়েছে, কথাটি এ সময় বলা হয় যখন সে তাদেরকে ছেড়ে দেয় আর তারা একে অন্যের প্রতি শত্রুতা করতে থাকে। مَرِيْجٍ মিশ্রিত। مَرِجَ أَمْرُ النَّاسِ যখন মানুষের কোন বিষয় তালগোল পাকিয়ে যায়। আর مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ অর্থ তিনি দু’টি নদী প্রবাহিত করেছেন। مَرَجْتَ دَابَّتَكَ এ কথাটি সে সময় বলা হয়, যখন তুমি তোমার চতুষ্পদ জন্তুকে ছেড়ে দাও।
৩২৫৮. আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এক সফরে ছিলেন, তখন তিনি বললেন, ’ঠান্ডা হতে দাও।’ আবার বললেন, ’টিলাগুলোর ছায়া নীচে নেমে আসা পর্যন্ত ঠান্ডা হতে দাও।’ আবার বললেন, ’সালাত ঠান্ডা হলে পরে আদায় করবে। কেননা, গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপ থেকে হয়।’ (৫৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২৭)
হাদিস নং: ৩২৫৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن الاعمش عن ذكوان عن ابي سعيد قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ابردوا بالصلاة فان شدة الحر من فيح جهنم
৩২৫৯ আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, সালাত ঠান্ডা হলে, পরে আদায় করবে। কেননা গরমের ভীষণতা জাহান্নামের উত্তাপ হতে হয়।’ (৫৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২৮)
হাদিস নং: ৩২৬০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن انه سمع ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اشتكت النار الى ربها فقالت رب اكل بعضي بعضا فاذن لها بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف فاشد ما تجدون من الحر واشد ما تجدون من الزمهرير
৩২৬০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জাহান্নাম তার রবের নিকট অভিযোগ করে বলেছে, হে রব! আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলেছে। তখন তিনি তাকে দু’টি নিঃশ্বাস ফেলার অনুমতি প্রদান করেন। একটি নিঃশ্বাস শীতকালে আর একটি নিঃশ্বাস গ্রীষ্মকালে। কাজেই তোমরা গরমের তীব্রতা এবং শীতের তীব্রতা পেয়ে থাক।’ (৫৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২৯)
হাদিস নং: ৩২৬১
সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن محمد حدثنا ابو عامر هو العقدي حدثنا همام عن ابي جمرة الضبعي قال كنت اجالس ابن عباس بمكة فاخذتني الحمى فقال ابردها عنك بماء زمزم فان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الحمى من فيح جهنم فابردوها بالماء او قال بماء زمزم شك همام
৩২৬১. আবূ জামরাহ যুবা‘য়ী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মক্কা্য় ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট বসতাম। একবার আমি জ্বরাক্রান্ত হই। তখন তিনি আমাকে বললেন, ‘তুমি তোমার গায়ের জ্বর যমযমের পানি দিয়ে ঠান্ডা কর।’ কারণ, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এটা জাহান্নামের উত্তাপ হতেই হয়ে থাকে। কাজেই তোমরা তা পানি দিয়ে ঠান্ডা কর অথবা বলেছেন, যমযমের পানি দিয়ে ঠান্ডা কর। এ বিষয়ে বর্ণনাকারী হাম্মাম সন্দেহ পোষণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩০)
হাদিস নং: ৩২৬২
সহিহ (Sahih)
حدثني عمرو بن عباس حدثنا عبد الرحمن حدثنا سفيان عن ابيه عن عباية بن رفاعة قال اخبرني رافع بن خديج قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول الحمى من فور جهنم فابردوها عنكم بالماء
৩২৬২. রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘জ্বরের উৎপত্তি হয় জাহান্নামের ভীষণ উত্তাপ হতে। অতএব তোমাদের গায়ের সে তাপ পানি দ্বারা ঠান্ডা কর।’ (৫৭২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩১)
হাদিস নং: ৩২৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا مالك بن اسماعيل حدثنا زهير حدثنا هشام عن عروة عن عاىشة رضي الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الحمى من فيح جهنم فابردوها بالماء
৩২৬৩. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জ্বর হয় জাহান্নামের উত্তাপ থেকে। কাজেই তোমরা তা পানি দিয়ে ঠান্ডা কর।’ (৫৭২৫) (মুসলিম ৩৯/২৬ হাঃ ২২১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩২)
হাদিস নং: ৩২৬৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد عن يحيى عن عبيد الله قال حدثني نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الحمى من فيح جهنم فابردوها بالماء
৩২৬৪. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জ্বর হয় জাহান্নামের উত্তাপ থেকে, কাজেই তোমরা পানি দিয়ে তা ঠান্ডা কর।’ (৫৭২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩৩)
হাদিস নং: ৩২৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل بن ابي اويس قال حدثني مالك عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ناركم جزء من سبعين جزءا من نار جهنم قيل يا رسول الله ان كانت لكافية قال فضلت عليهن بتسعة وستين جزءا كلهن مثل حرها
৩২৬৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের আগুন জাহান্নামের আগুনের সত্তর ভাগের একভাগ মাত্র। বলা হল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! জাহান্নামীদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য দুনিয়ার আগুনই তো যথেষ্ট ছিল।’ তিনি বললেন, ‘দুনিয়ার আগুনের উপর জাহান্নামের আগুনের তাপ আরো ঊনসত্তর গুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে, প্রত্যেক অংশে তার সম পরিমাণ উত্তাপ রয়েছে।’ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩৪)