অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৫৯/১. সৃষ্টির সূচনা
মোট ১৩৬ টি হাদিস
হাদিস নং: ৩২১০ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد قال : حدثنا ابن ابي مريم قال : اخبرنا الليث قال : حدثنا ابن ابي جعفر عن محمد بن عبد الرحمن عن عروة بن الزبير عن عاىشة، رضي الله عنها، زوج النبي انها قالت : سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول : ان الملاىكة تنزل في العنان - وهو السحاب - فتذكر الامر قضي في السماء، فتسترق الشياطين السمع فتسمعه فتوحيه الى الكهان فيكذبون معها ماىة كذبة من عند انفسهم.
৩২১০. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, ফেরেশতামন্ডলী মেঘমালার আড়ালে অবতরণ করেন এবং আকাশের ফায়সালাসমূহ আলোচনা করেন। তখন শয়তানেরা তা চুরি করে শোনার চেষ্টা করে এবং তার কিছু শোনেও ফেলে। অতঃপর তারা সেটা গণকের নিকট পৌঁছে দেয় এবং তারা তার সেই শোনা কথার সঙ্গে নিজেদের আরো শত মিথ্যা মিলিয়ে বলে থাকে। (৩২৮৮, ৫৭৬২, ৬২১৩, ৭৫৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭০, ই. ফা ২৯৮০)
হাদিস নং: ৩২১১ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن يونس حدثنا ابراهيم بن سعد حدثنا ابن شهاب عن ابي سلمة والاغر عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اذا كان يوم الجمعة كان على كل باب من ابواب المسجد الملاىكة يكتبون الاول فالاول فاذا جلس الامام طووا الصحف وجاءوا يستمعون الذكر
৩২১১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জুমু‘আর দিন মসজিদের প্রতিটি দরজায় ফেরেশতা এসে দাঁড়িয়ে যায় এবং যে ব্যক্তি প্রথম মসজিদে প্রবেশ করে, তার নাম লিখে নেয়। অতঃপর ক্রমান্বয়ে পরবর্তীদের নামও লিখে নেয়। ইমাম যখন বসে পড়েন তখন তারা এসব লেখা পুস্তিকা বন্ধ করে দেন এবং তাঁরা মসজিদে এসে যিক্র শুনতে থাকেন।’ (৯২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮১)
হাদিস নং: ৩২১২ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا الزهري عن سعيد بن المسيب قال مر عمر في المسجد وحسان ينشد فقال كنت انشد فيه وفيه من هو خير منك ثم التفت الى ابي هريرة فقال انشدك بالله اسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول اجب عني اللهم ايده بروح القدس قال نعم
৩২১২. সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) মসজিদে নববীতে আগমন করেন, তখন হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) কবিতা আবৃত্তি করছিলেন। তখন তিনি বললেন, এখানে আপনার চেয়ে উত্তম ব্যক্তির উপস্থিতিতেও আমি কবিতা আবৃত্তি করতাম। অতঃপর তিনি আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর দিকে তাকালেন এবং বললেন, আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি; আপনি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, ‘‘তুমি আমার পক্ষ হতে জবাব দাও। হে আল্লাহ! আপনি তাকে রুহুল কুদুস [জিব্রাঈল (আঃ)] দ্বারা সাহায্য করুন।’’ তিনি উত্তরে বললেন, হ্যাঁ। (৪৫৩) (মুসলিম ৪৪/৪৩ হাঃ ২৪৮৫, আহমাদ ৬৭৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮২)
হাদিস নং: ৩২১৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة عن عدي بن ثابت عن البراء قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لحسان اهجهم او هاجهم وجبريل معك
৩২১৩. বারা‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাস্সান (রাঃ)-কে বলেছেন, তুমি তাদের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা কর অথবা তাদের কুৎসার জবাব দাও। তোমার সঙ্গে জিব্রাঈল (আঃ) আছেন। (৪১২৪, ৪১২৪, ৬১৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮৩)
হাদিস নং: ৩২১৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا جرير ح حدثني اسحاق اخبرنا وهب بن جرير حدثنا ابي قال سمعت حميد بن هلال عن انس بن مالك قال كاني انظر الى غبار ساطع في سكة بني غنم زاد موسى موكب جبريل
৩২১৪. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন বানূ গানমের গলিতে উপরে উঠা ধূলা স্বয়ং দেখতে পাচ্ছি। মূসা এতটুকু বাড়িয়ে বলেছেন, জিব্রীল বাহন নিয়ে পদচারণা করেন।* (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮৪)
নোট: * এ সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) ইয়াহূদী ছিলেন। আর ইয়াহূদীদের উপর সকল ‘আযাবের সংবাদ জিব্‌রাঈল (‘আঃ)-ই নিয়ে এসেছেন। তাই তারা তাঁর সম্বন্ধে এরকম ধারণা পোষণ করত।

কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে হাস্‌সান ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) কাফিরদের প্রতিবাদ করতেন। জিব্‌রীল (‘আঃ) তাঁর দলবল নিয়ে তাঁকে সাহায্য করতেন। তখন তাঁদের পদচালনার কারণে যে ধূলি উর্ধ্বে উঠত আমি যেন তা বনূ গানমের গলিতে স্বয়ং প্রত্যক্ষ করেছি।
হাদিস নং: ৩২১৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا فروة حدثنا علي بن مسهر عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة رضي الله عنها ان الحارث بن هشام سال النبي صلى الله عليه وسلم كيف ياتيك الوحي قال كل ذاك ياتيني الملك احيانا في مثل صلصلة الجرس فيفصم عني وقد وعيت ما قال وهو اشده علي ويتمثل لي الملك احيانا رجلا فيكلمني فاعي ما يقول
৩২১৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। হারিস ইবনু হিশাম (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনার নিকট ওয়াহী কিভাবে আসে? তিনি বললেন, ‘সব ধরনের ওয়াহী নিয়ে ফেরেশতা আসেন। কখনো কখনো ঘণ্টার আওয়াজের মত শব্দ করে। যখন আমার নিকট ওয়াহী আসা শেষ হয়ে যায়, তখন তিনি যা বলেছেন আমি তা মুখস্থ করে ফেলি। আর এভাবে শব্দ করে ওয়াহী আসাটা আমার নিকট কঠিন মনে হয়। আর কখনও কখনও ফেরেশতা আমার নিকট মানুষের আকারে আসেন এবং আমার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে নেই।’ (২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮৬)
হাদিস নং: ৩২১৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شيبان حدثنا يحيى بن ابي كثير عن ابي سلمة عن ابي هريرة قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول من انفق زوجين في سبيل الله دعته خزنة الجنة اي فل هلم فقال ابو بكر ذاك الذي لا توى عليه قال النبي صلى الله عليه وسلم ارجو ان تكون منهم
৩২১৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে কোন কিছু জোড়ায় জোড়ায় দান করবে, তাকে জান্নাতের পর্যবেক্ষকগণ আহবান করতে থাকবে, হে অমুক ব্যক্তি! এ দিকে আস! তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, এমন ব্যক্তি তো  সেই যার কোন ধ্বংস নেই। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি আশা করি, তুমি তাদের মধ্যে একজন হবে। (১৮৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮৬)
হাদিস নং: ৩২১৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا هشام اخبرنا معمر عن الزهري عن ابي سلمة عن عاىشة رضي الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لها يا عاىشة هذا جبريل يقرا عليك السلام فقالت وعليه السلام ورحمة الله وبركاته ترى ما لا ارى تريد النبي صلى الله عليه وسلم
৩২১৭. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, হে আয়িশা! এই যে জিব্রীল (আঃ) তোমাকে সালাম দিচ্ছেন। তখন তিনি বললেন, তাঁর প্রতি সালাম, আল্লাহর রহমত এবং তাঁর বরকত বর্ষিত হোক। আপনি এমন কিছু দেখেন যা আমি দেখতে পাই না। এর দ্বারা তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বুঝিয়েছেন। (৩৭৬৮, ৬২০১, ৬২৪৯, ৬২৫৩) (মুসলিম ৪৪/১৩ হাঃ ২৪৪৭, আহমাদ ২৫৮০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮৭)
হাদিস নং: ৩২১৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم حدثنا عمر بن ذر قال ح حدثني يحيى بن جعفر حدثنا وكيع عن عمر بن ذر عن ابيه عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لجبريل الا تزورنا اكثر مما تزورنا قال فنزلت وما نتنزل الا بامر ربك له” ما بين ايدينا وما خلفنا الاية ( مريم : 64) الاية
৩২১৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিব্রাঈল (আঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি আমার কাছে যতবার আসেন তার চেয়ে অধিক আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন না কেন? রাবী বলেন, তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ ‘‘(জিবরাঈল বলল:) আমি আপনার রবের আদেশ ব্যতিরেকে আসতে পারি না। তাঁরই আয়ত্বে রয়েছে যা কিছু আমাদের সামনে আছে, যা আমাদের পশ্চাতে আছে এবং যা কিছু এর মধ্যস্থলে আছে’’- (মারইয়াম ৬৪)। (৪৭৩১, ৭৪৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮৮)
হাদিস নং: ৩২১৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني سليمان عن يونس عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن ابن عباس رضي الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اقراني جبريل على حرف فلم ازل استزيده حتى انتهى الى سبعة احرف
৩২১৯. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জিব্রীল (আঃ) আমাকে এক আঞ্চলিক ভাষায় কুরআন পাঠ করে শুনিয়েছেন। কিন্তু আমি সব সময় তাঁর নিকট বেশি ভাষায় পাঠ শুনতে চাইতাম। শেষতক তা সাতটি আঞ্চলিক ভাষায় সমাপ্ত হয়।[১] (৪৯৯১) (মুসলিম ৬/৪৮ হাঃ ৮১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮৯)
নোট: ১। সাতটি আঞ্চলিক ভাষাতে কুরআন অবতীর্ণ হলেও কুরআন লিপিবদ্ধ করার সময় কুরাইশ ভাসাকেই নির্ধারণ করা হয়। (লাহমাত ফি উলুমিল কুরআন, ডাঃ মুহাম্মাদ বিন লুতফী সাব্বাক, পৃষ্ঠা ১৭২ )
হাদিস নং: ৩২২০ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن مقاتل اخبرنا عبد الله اخبرنا يونس عن الزهري قال حدثني عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس رضي الله عنهما قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اجود الناس وكان اجود ما يكون في رمضان حين يلقاه جبريل وكان جبريل يلقاه في كل ليلة من رمضان فيدارسه القران فلرسول الله صلى الله عليه وسلم حين يلقاه جبريل اجود بالخير من الريح المرسلة وعن عبد الله حدثنا معمر بهذا الاسناد نحوه وروى ابو هريرة وفاطمة رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم ان جبريل كان يعارضه القران
৩২২০. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের মধ্যে সবচেয়ে দানশীল ছিলেন আর রমাযান মাসে যখন জিব্রীল (আঃ) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি আরো অধিক দানশীল হয়ে যেতেন। জিব্রীল (রাঃ) রমাযানের প্রতি রাতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কুরআন পাঠ করে শুনাতেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে যখন জিব্রাঈল (আঃ) দেখা করতেন, তখন তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য পাঠানো বাতাসের চেয়েও বেশি দানশীল হতেন। ‘আবদুল্লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। মা‘মার (রহ.) এ সনদে একই রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন আর আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) এবং ফাতেমাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকট হতে فَيُدَارِسُهُ الْقُرْآنَ -এর স্থলে أَنَّ جِبْرِيْلَ كَانَ يُعَارِضُهُ الْقُرْآنَ বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ জিবরীল তাঁর উপর কুরআন পেশ করতেন। (৬) (মুসলিম ৪৪/১৫ হাঃ ২৪৫০, আহমাদ ২৬৪৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯০)
হাদিস নং: ৩২২১ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة حدثنا ليث عن ابن شهاب ان عمر بن عبد العزيز اخر العصر شيىا فقال له عروة اما ان جبريل قد نزل فصلى امام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عمر اعلم ما تقول يا عروة قال سمعت بشير بن ابي مسعود يقول سمعت ابا مسعود يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول نزل جبريل فامني فصليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه يحسب باصابعه خمس صلوات
৩২২১. ইবনু শিহাব (রহ.) হতে বর্ণিত। একবার ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) ‘আসরের সালাত কিছুটা দেরিতে আদায় করলেন। তখন তাঁকে ‘উরওয়াহ (রাঃ) বললেন, একবার জিব্রীল (আঃ) আসলেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইমাম হয়ে সালাত আদায় করলেন। তা শুনে ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) বললেন, হে ‘উরওয়াহ! কি বলছ, চিন্তা কর। উত্তরে তিনি বললেন, আমি বশীর ইবনু আবূ মাস‘ঊদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, একবার জিব্রীল (আঃ) আসলেন, অতঃপর তিনি আমার ইমামতি করলেন এবং তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করলাম। অতঃপর আমি তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করলাম। অতঃপরও আমি তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করলাম। অতঃপরও আমি তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করলাম। এ সময় তিনি তাঁর আঙ্গুলে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত গুণছিলেন। (৫২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯১)
হাদিস নং: ৩২২২ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا ابن ابي عدي عن شعبة عن حبيب بن ابي ثابت عن زيد بن وهب عن ابي ذر قال قال النبي صلى الله عليه وسلم قال لي جبريل من مات من امتك لا يشرك بالله شيىا دخل الجنة او لم يدخل النار قال وان زنى وان سرق قال وان
৩২২২. আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একবার জিব্রাঈল (আঃ) আমাকে বললেন, আপনার উম্মাত হতে যদি এমন ব্যক্তি মারা যায় যে আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করেনি, তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে কিংবা তিনি বলেছেন, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদিও সে যিনা করে এবং চুরি করে। জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, যদিও (সে যিনা করে ও চুরি করে তবুও)।* (১২৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯২)
নোট: * অপরাধের শাস্তি ভোগের পর জান্নাতে যাবে।
হাদিস নং: ৩২২৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب حدثنا ابو الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم الملاىكة يتعاقبون ملاىكة بالليل وملاىكة بالنهار ويجتمعون في صلاة الفجر وصلاة العصر ثم يعرج اليه الذين باتوا فيكم فيسالهم وهو اعلم فيقول كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم يصلون واتيناهم يصلون
৩২২৩. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফেরেশতামন্ডলী একদলের পেছনে আর একদল আগমন করেন। একদল ফেরেশতা রাতে আসেন আর একদল ফেরেশতা দিনে আসেন। তাঁরা ফজর ও ‘আসর সালাতে একত্রিত হয়ে থাকেন। অতঃপর যারা তোমাদের নিকট রাত্রি কাটিয়েছিলেন তারা আল্লাহর নিকট ঊর্ধ্বে চলে যান। তখন তিনি তাদেরকে মানুষের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। অথচ তিনি তাদের চেয়ে এ ব্যাপারে সবচেয়ে অধিক জ্ঞাত আছেন। তিনি বলেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কী হালতে ছেড়ে এসেছ? উত্তরে তাঁরা বলেন, আমরা তাদেরকে সালাতরত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি। আর আমরা তাদের নিকট সালাতরত অবস্থাতেই পৌঁছেছিলাম। (৫৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯৩)
হাদিস নং: ৩২২৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد اخبرنا مخلد اخبرنا ابن جريج عن اسماعيل بن امية ان نافعا حدثه ان القاسم بن محمد حدثه عن عاىشة رضي الله عنها قالت حشوت للنبي صلى الله عليه وسلم وسادة فيها تماثيل كانها نمرقة فجاء فقام بين البابين وجعل يتغير وجهه فقلت ما لنا يا رسول الله قال ما بال هذه الوسادة قالت وسادة جعلتها لك لتضطجع عليها قال اما علمت ان الملاىكة لا تدخل بيتا فيه صورة وان من صنع الصورة يعذب يوم القيامة يقول احيوا ما خلقتم
৩২২৪. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য প্রাণীর ছবিওয়ালা একটি বালিশ তৈরি করেছিরাম। যেন তা একটি ছোট গদী। অতঃপর তিনি আমার ঘরে এসে দু’ দরজার মধ্যে দাঁড়ালেন আর তাঁর চেহারা মলিন হয়ে গেল। তখন আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার কী অন্যায় হয়েছে? তিনি বললেন, এ বালিশটি কেন? আমি বললাম, এ বালিশটি আপনি এর উপর ঠেস দিয়ে বসতে পারেন সে জন্য তৈরি করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি জানো না যে ঘরে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে ফেরেশতা প্রবেশ করেন না? আর যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি আঁকে তাকে কিয়ামতের দিন শাস্তি দেয়া হবে? (আল্লাহ্) বলবেন, ‘বানিয়েছ, তাকে জীবিত কর।’ (২১০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯৪)
হাদিস নং: ৩২২৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن مقاتل اخبرنا عبد الله اخبرنا معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله انه سمع ابن عباس رضي الله عنهما يقول سمعت ابا طلحة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تدخل الملاىكة بيتا فيه كلب ولا صورة تماثيل
৩২২৫. আবূ ত্বলহা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে বাড়িতে কুকুর থাকে আর প্রাণীর ছবি থাকে সেথায় ফেরেশতা প্রবেশ করে না। (৩২২৬, ৩৩২২, ৪০০২, ৫৯৪৯, ৫৯৫৮) (মুসলিম ৩৭/২৬ হাঃ ২১০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯৫)
হাদিস নং: ৩২২৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد حدثنا ابن وهب اخبرنا عمرو ان بكير بن الاشج حدثه ان بسر بن سعيد حدثه ان زيد بن خالد الجهني حدثه ومع بسر بن سعيد عبيد الله الخولاني الذي كان في حجر ميمونة رضي الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم حدثهما زيد بن خالد ان ابا طلحة حدثه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تدخل الملاىكة بيتا فيه صورة قال بسر فمرض زيد بن خالد فعدناه فاذا نحن في بيته بستر فيه تصاوير فقلت لعبيدالله الخولاني الم يحدثنا في التصاوير فقال انه قال الا رقم في ثوب الا سمعته قلت لا قال بلى قد ذكره
৩২২৬. আবূ ত্বলহা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে বাড়িতে প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে ফেরেশতা প্রবেশ করেন না।’ বুস্র (রহ.) বলেন, অতঃপর যায়িদ ইবনু খালিদ (রাঃ) রোগাক্রান্ত হন। আমরা তাঁর সেবার জন্য গেলাম। তখন আমরা তাঁর ঘরে একটি পর্দায় কিছু ছবি দেখতে পেলাম। তখন আমি (বুস্র) ‘উবাইদুল্লাহ খাওলানী (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কি আমাদের কাছে ছবি সম্পর্কীয় হাদীস বর্ণনা করেননি? তখন তিনি বললেন, তিনি বলেছেন, প্রাণীর; তবে কাপড়ের মধ্যে কিছু অংকণ করা নিষিদ্ধ নয়, তুমি কি তা শুননি? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি তা বর্ণনা করেছেন। (৩২২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯৬)
হাদিস নং: ৩২২৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن سليمان قال حدثني ابن وهب قال حدثني عمر عن سالم عن ابيه قال وعد النبي صلى الله عليه وسلم جبريل فقال انا لا ندخل بيتا فيه صورة ولا كلب
৩২২৭. সালিম (রহ.) তাঁর পিতার নিকট হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, জিবরীল (আঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ওয়াদা দিয়েছিলেন। আমরা ঐ ঘরে প্রবেশ করি না, যে ঘরে ছবি এবং কুকুর থাকে। (৫৯৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯৭)
হাদিস নং: ৩২২৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني مالك عن سمي عن ابي صالح عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اذا قال الامام سمع الله لمن حمده فقولوا اللهم ربنا لك الحمد فانه من وافق قوله قول الملاىكة غفر له ما تقدم من ذنبه
৩২২৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (সালাতে) ইমাম যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ  বলেন, তখন তোমরা বলবে اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ  (হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক। আপনার জন্য সকল প্রশংসা) কেননা যার এ উক্তি ফেরেশতাগণের উক্তির সঙ্গে মিলে যাবে, তার আগের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। (৭৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯৮)
হাদিস নং: ৩২২৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن المنذر حدثنا محمد بن فليح حدثنا ابي عن هلال بن علي عن عبد الرحمن بن ابي عمرة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان احدكم في صلاة ما دامت الصلاة تحبسه والملاىكة تقول اللهم اغفر له وارحمه ما لم يقم من صلاته او يحدث
৩২২৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতে রত থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতাগণ এ বলে দু‘আ করতে থাকে, হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করে দিন এবং হে আল্লাহ্! তার প্রতি রহম করুন যতক্ষণ পর্যন্ত লোকটি সালাত ছেড়ে না দাঁড়ায় কিংবা তার উযু ভঙ্গ না হয়।’ (১৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৯৯)
অধ্যায় তালিকা