হাদিস নং: ৩৭৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة قال سمعت قتادة عن انس بن مالك عن ابي اسيد قال قال النبي صلى الله عليه وسلم خير دور الانصار بنو النجار ثم بنو عبد الاشهل ثم بنو الحارث بن خزرج ثم بنو ساعدة وفي كل دور الانصار خير فقال سعد ما ارى النبي صلى الله عليه وسلم الا قد فضل علينا فقيل قد فضلكم على كثير وقال عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا قتادة سمعت انسا قال ابو اسيد عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا وقال سعد بن عبادة
৩৭৮৯. আবূ উসায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সবচেয়ে উত্তম গোত্র হল বানূ নাজ্জার, তারপর বানূ আবদুল আশহাল তারপর বনূ হারিস ইবনু খাযরাজ তারপর বানূ সায়িদা এবং আনসারদের সকল গোত্রের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। এ শুনে সা‘দ (রাঃ) বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি অন্যদেরকে আমাদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন? তখন তাকে বলা হল, তোমাদেরকে তো অনেক গোত্রের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।
আবদুল ওয়ারিস (রহ.)...আবূ উসাইদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ রকমই বর্ণিত আছে। আর সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) বলেছেন। (৩৭৯০, ৩৮০৭, ৬০৫৩, মুসলিম, ৪৪/৪৪, হাঃ নং ২৫১১, আহমাদ ৩৮০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৫)
আবদুল ওয়ারিস (রহ.)...আবূ উসাইদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ রকমই বর্ণিত আছে। আর সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) বলেছেন। (৩৭৯০, ৩৮০৭, ৬০৫৩, মুসলিম, ৪৪/৪৪, হাঃ নং ২৫১১, আহমাদ ৩৮০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৫)
হাদিস নং: ৩৭৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعد بن حفص الطلحي حدثنا شيبان عن يحيى قال ابو سلمة اخبرني ابو اسيد انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول خير الانصار او قال خير دور الانصار بنو النجار وبنو عبد الاشهل وبنو الحارث وبنو ساعدة
৩৭৯০. আবূ উসায়দ (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আনসারদের মধ্যে বা আনসার গোত্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম গোত্র হল বানূ নাজ্জার, বানূ আবদুল আশহাল, বানূ হারিস ও বানূ সা‘য়িদা। (৩৭৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৬)
হাদিস নং: ৩৭৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا خالد بن مخلد حدثنا سليمان قال حدثني عمرو بن يحيى عن عباس بن سهل عن ابي حميد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان خير دور الانصار دار بني النجار ثم عبد الاشهل ثم دار بني الحارث ثم بني ساعدة وفي كل دور الانصار خير فلحقنا سعد بن عبادة فقال ابا اسيد الم تر ان رسول الله خير الانصار فجعلنا اخيرا فادرك سعد النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله خير دور الانصار فجعلنا اخرا فقال اوليس بحسبكم ان تكونوا من الخيار
৩৭৯১. আবূ হুমায়দ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনসারদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম গোত্র হল বানূ নাজ্জার, তারপর বানূ আবদুল আশহাল, তারপর বানূ হারিস এরপর বানূ সা‘য়িদা। আনসারদের সকল গোত্রে রয়েছে কল্যাণ। (আবূ হুমায়দ (রহ.) বলেন,) আমরা সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন আবূ উসায়দ (রাঃ) বললেন, আপনি কি শোনেননি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের পরস্পরের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে আমাদেরকে সকলের শেষ পর্যায়ে স্থান দিয়েছেন? তা শুনে সা‘দ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আনসার গোত্রগুলোকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে এবং আমাদেরকে সকলের শেষ স্তরে স্থান দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, এটা কি তোমাদের জন্য যথেষ্ট নয় যে, তোমরাও শ্রেষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছ? (১৪৮১, মুসলিম, ৪৩/৩ হাঃ নং ১৩৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৭)
হাদিস নং: ৩৭৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة قال سمعت قتادة عن انس بن مالك عن اسيد بن حضير ان رجلا من الانصار قال يا رسول الله الا تستعملني كما استعملت فلانا قال ستلقون بعدي اثرة فاصبروا حتى تلقوني على الحوض
قَالَهُ عَبْدُ اللهِ بْنُ زَيْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হাদীসটি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন।
৩৭৯২. উসায়দ ইবনু হুযায়র (রাঃ) হতে বর্ণিত, একজন আনসারী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি আমাকে অমুকের ন্যায় দায়িত্বে নিয়োজিত করবেন না? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা আমার ওফাতের পর অপরকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেখতে পাবে, তখন তোমরা ধৈর্য ধারণ করবে অবশেষে আমার সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তোমাদের সাথে সাক্ষাতের স্থান হল হাউয। (৭০৫৭, মুসলিম ৩৩/১১, হাঃ নং ১৮৪৫, আহমাদ ১৯১১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১০/৩৫১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৮)
হাদীসটি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন।
৩৭৯২. উসায়দ ইবনু হুযায়র (রাঃ) হতে বর্ণিত, একজন আনসারী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি আমাকে অমুকের ন্যায় দায়িত্বে নিয়োজিত করবেন না? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা আমার ওফাতের পর অপরকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেখতে পাবে, তখন তোমরা ধৈর্য ধারণ করবে অবশেষে আমার সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তোমাদের সাথে সাক্ষাতের স্থান হল হাউয। (৭০৫৭, মুসলিম ৩৩/১১, হাঃ নং ১৮৪৫, আহমাদ ১৯১১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১০/৩৫১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৮)
হাদিস নং: ৩৭৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن هشام قال سمعت انس بن مالك يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم للانصار انكم ستلقون بعدي اثرة فاصبروا حتى تلقوني وموعدكم الحوض
৩৭৯৩. আনাস বিন মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের উদ্দেশে বলেন, তোমরা অচিরেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। অতএব তোমরা আমার সাথে সাক্ষাৎ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ কর প্রতিশ্রুত হাউযের নিকট গমন পর্যন্ত। (৩১৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ নাই)
হাদিস নং: ৩৭৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن يحيى بن سعيد سمع انس بن مالك حين خرج معه الى الوليد قال دعا النبي صلى الله عليه وسلم الانصار الى ان يقطع لهم البحرين فقالوا لا الا ان تقطع لاخواننا من المهاجرين مثلها قال اما لا فاصبروا حتى تلقوني فانه سيصيبكم بعدي اثرة
৩৭৯৪. ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহ.) হতে বর্ণিত তিনি যখন আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর সঙ্গে ওয়ালীদ (ইবনু ‘আবদুল মালিক)-এর নিকট সাক্ষাতের উদ্দেশে বাসরা হতে দামেস্ক সফর করতে গিয়েছিলেন, তখন তিনি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহরাইনের জমি তাদের জন্য বরাদ্দ করার জন্য আনসারদেরকে ডাকলে তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মুহাজির ভাইদের জন্য এরূপ জায়গার বরাদ্দ না করা পর্যন্ত আমরা তা গ্রহণ করব না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা যদি তা গ্রহণ করতে না চাও, তবে (কিয়ামতের ময়দানে) হাউযের নিকটে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য অবলম্বন কর। কেননা শীঘ্রই তোমরা দেখতে পাবে, আমার পরে তোমাদের উপর অন্যদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। (২৩৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৯)
হাদিস নং: ৩৭৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا ابو اياس معاوية بن قرة عن انس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا عيش الا عيش الاخرة فاصلح الانصار والمهاجرة وعن قتادة عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله وقال فاغفر للانصار
৩৭৯৫. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে আল্লাহ্! আখিরাতের জীবনই প্রকৃত জীবন। হে আল্লাহ্! আনসার ও মুহাজিরদের কল্যাণ করুন। (২৮৩৪)
কাতাদাহ (রহ.) আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ রকম বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন হে আল্লাহ্! আনসারকে মাফ করে দিন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২০)
কাতাদাহ (রহ.) আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ রকম বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন হে আল্লাহ্! আনসারকে মাফ করে দিন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২০)
হাদিস নং: ৩৭৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة عن حميد الطويل سمعت انس بن مالك قال كانت الانصار يوم الخندق تقول نحن الذين بايعوا محمدا على الجهاد ما حيينا ابدا فاجابهم اللهم لا عيش الا عيش الاخره فاكرم الانصار والمهاجره
৩৭৯৬. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনসারগণ খন্দক যুদ্ধের পরিখা খননের সময় বলছিলেন, আমরা হলাম ঐ সমস্ত লোক যারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে জিহাদের জন্য বায়‘আত করেছি যত দিন আমরা বেঁচে থাকব। এর উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আল্লাহ্! আখিরাতের জীবনই আসল জীবন। (হে আল্লাহ্) আনসার ও মুহাজিরদের সম্মান বাড়িয়ে দাও। (২৮৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২১)
হাদিস নং: ৩৭৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن عبيد الله حدثنا ابن ابي حازم عن ابيه عن سهل قال جاءنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن نحفر الخندق وننقل التراب على اكتادنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اللهم لا عيش الا عيش الاخره فاغفر للمهاجرين والانصار
৩৭৯৭. সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন পরিখা খনন করে আমাদের স্কন্ধে করে মাটি বহন করছিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্! আখিরাতের জীবনই আসল জীবন। মুহাজির ও আনসারদেরকে আপনি মাফ করে দিন। (৪০৯৮, ৬৪১৪, মুসলিম ৩২/৪৪, হাঃ নং ১৮০৪, আহমাদ ২২৮৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২২)
হাদিস নং: ৩৭৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا عبد الله بن داود عن فضيل بن غزوان عن ابي حازم عن ابي هريرة ان رجلا اتى النبي صلى الله عليه وسلم فبعث الى نساىه فقلن ما معنا الا الماء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من يضم او يضيف هذا فقال رجل من الانصار انا فانطلق به الى امراته فقال اكرمي ضيف رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت ما عندنا الا قوت صبياني فقال هيىي طعامك واصبحي سراجك ونومي صبيانك اذا ارادوا عشاء فهيات طعامها واصبحت سراجها ونومت صبيانها ثم قامت كانها تصلح سراجها فاطفاته فجعلا يريانه انهما ياكلان فباتا طاويين فلما اصبح غدا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ضحك الله الليلة او عجب من فعالكما فانزل الله ويوثرون على انفسهم ولو كان بهم خصاصة ومن يوق شح نفسه فاولٓىك هم المفلحون (الحشر : 9)
৩৭৯৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে এল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের কাছে লোক পাঠালেন। তাঁরা জানালেন, আমাদের নিকট পানি ছাড়া কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কে আছ যে এই ব্যক্তিকে মেহমান হিসেবে নিয়ে নিজের সাথে খাওয়াতে পার? তখন এক আনসারী সাহাবী [আবূ ত্বলহা (রাঃ)] বললেন, আমি। এ বলে তিনি মেহমানকে নিয়ে গেলেন এবং স্ত্রীকে বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেহমানকে সম্মান কর। স্ত্রী বললেন, বাচ্চাদের খাবার ছাড়া আমাদের ঘরে অন্য কিছুই নেই। আনসারী বললেন, তুমি আহার প্রস্তুত কর এবং বাতি জ্বালাও এবং বাচ্চারা খাবার চাইলে তাদেরকে ঘুম পাড়িয়ে দাও। সে বাতি জ্বালাল, বাচ্চাদেরকে ঘুম পাড়াল এবং সামান্য খাবার যা তৈরি ছিল তা উপস্থিত করল। বাতি ঠিক করার বাহানা করে স্ত্রী উঠে গিয়ে বাতিটি নিভিয়ে দিলেন। তারপর তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনই অন্ধকারের মধ্যে আহার করার মত শব্দ করতে লাগলেন এবং মেহমানকে বুঝাতে লাগলেন যে, তারাও সঙ্গে খাচ্ছেন। তাঁরা উভয়েই সারা রাত অভুক্ত অবস্থায় কাটালেন। ভোরে যখন তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলেন, তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ্ তোমাদের গত রাতের কান্ড দেখে হেসে দিয়েছেন অথবা বলেছেন খুশী হয়েছেন এবং এ আয়াত নাযিল করেছেন। ‘‘তারা অভাবগ্রস্ত সত্ত্বেও নিজেদের উপর অন্যদেরকে অগ্রগণ্য করে থাকে। আর যাদেরকে অন্তরের কৃপণতা হতে মুক্ত রাখা হয়েছে, তারাই সফলতাপ্রাপ্ত।’’ (আল-হাশর ৯) (৪৮৮৯, মুসলিম, ৩৬/৩২, হাঃ নং ২০৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৩)
হাদিস নং: ৩৭৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن يحيى ابو علي حدثنا شاذان اخو عبدان حدثنا ابي اخبرنا شعبة بن الحجاج عن هشام بن زيد قال سمعت انس بن مالك يقول مر ابو بكر والعباس رضي الله عنهما بمجلس من مجالس الانصار وهم يبكون فقال ما يبكيكم قالوا ذكرنا مجلس النبي صلى الله عليه وسلم منا فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم فاخبره بذلك قال فخرج النبي صلى الله عليه وسلم وقد عصب على راسه حاشية برد قال فصعد المنبر ولم يصعده بعد ذلك اليوم فحمد الله واثنى عليه ثم قال اوصيكم بالانصار فانهم كرشي وعيبتي وقد قضوا الذي عليهم وبقي الذي لهم فاقبلوا من محسنهم وتجاوزوا عن مسيىهم
৩৭৯৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন অন্তিম রোগে আক্রান্ত তখন আবূ বকর ও ‘আব্বাস (রাঃ) আনসারদের কোন একটি মজলিসের পাশ দিয়ে যাওয়ার কালে দেখতে পেলেন যে, তারা কাঁদছেন। তাঁদের একজন জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা কাঁদছেন কেন? তাঁরা বললেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আমাদের মজলিস স্মরণ করে কাঁদছি। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে আনসারদের অবস্থা বললেন, রাবী (বর্ণনাকারী) বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাদরের কোণা দিয়ে মাথা বেঁধে বেরিয়ে আসলেন এবং মিম্বরে উঠে বসলেন। এ দিনের পর আর তিনি মিম্বরে আরোহণ করেননি। তারপর হামদ ও সানা পাঠ করে সমবেত সাহাবীদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, আমি আনসারগণের প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছি; কেননা তাঁরাই আমার অতি আপন জন, তাঁরাই আমার বিশ্বস্ত লোক। তারা তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পরিপূর্ণভাবে পালন করেছে। তাঁদের যা প্রাপ্য তা তাঁরা এখনো পায়নি। তাঁদের নেক লোকদের নেক ‘আমলগুলো গ্রহণ করবে এবং তাঁদের ভুল-ত্রুটি মাফ করে দিবে। (৩৮০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৪)
হাদিস নং: ৩৮০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن يعقوب حدثنا ابن الغسيل سمعت عكرمة يقول سمعت ابن عباس رضي الله عنهما يقول خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليه ملحفة متعطفا بها على منكبيه وعليه عصابة دسماء حتى جلس على المنبر فحمد الله واثنى عليه ثم قال اما بعد ايها الناس فان الناس يكثرون وتقل الانصار حتى يكونوا كالملح في الطعام فمن ولي منكم امرا يضر فيه احدا او ينفعه فليقبل من محسنهم ويتجاوز عن مسيىهم
৩৮০০. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি চাদর গায়ে জড়িয়ে, চাদরের দু-প্রান্ত দু’কাধে পেঁচিয়ে এবং মাথায় একটি কাল রঙের পাগড়ী বেঁধে বের হলেন এবং মিম্বরে উঠে বসলেন। হাম্দ ও সানার পর বললেন, হে লোক সকল, জনসংখ্যা ক্রমশঃ বাড়তে থাকবে আর আনসারগণের সংখ্যা ক্রমশঃ কমতে থাকবে! এমনকি তারা খাবারে লবণের পরিমাণের মত হয়ে যাবে। তোমাদের মধ্যে যদি কেউ এমন ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব লাভ করে যে ইচ্ছা করলে কারো উপকার বা অপকার করতে পারে, তখন সে যেন নেক্কার আনসারদের নেক্ ‘আমলগুলো গ্রহণ করে এবং তাদের ভুল-ত্রুটি মাফ করে দেয়। (৯২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৫)
হাদিস নং: ৩৮০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة قال سمعت قتادة عن انس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الانصار كرشي وعيبتي والناس سيكثرون ويقلون فاقبلوا من محسنهم وتجاوزوا عن مسيىهم
৩৮০১. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আনসারগণ আমার অতি আপনজন ও বিশ্বস্ত লোক। লোকসংখ্যা বাড়তে থাকবে আর তাদের সংখ্যা কমতে থাকবে। তাই তাদের নেক্কারদের নেক ‘আমলগুলো কবূল কর এবং তাদের ভুল-ত্রুটি মাফ করে দাও। (৩৭৯৯, মুসলিম ৪৪/৪৩, হাঃ নং ২৫১০) ) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৬)
হাদিস নং: ৩৮০২
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن ابي اسحاق قال سمعت البراء يقول اهديت للنبي صلى الله عليه وسلم حلة حرير فجعل اصحابه يمسونها ويعجبون من لينها فقال اتعجبون من لين هذه لمناديل سعد بن معاذ خير منها او الين رواه قتادة والزهري سمعا انسا عن النبي صلى الله عليه وسلم
৩৮০২. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এক জোড়া রেশমী কাপড় হাদীয়া দেয়া হল। সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) তা স্পর্শ করে এর কোমলতায় অবাক হয়ে গেলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এর কোমলতায় তোমরা অবাক হচ্ছ? অথচ সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)-এর (জান্নাতের) রুমাল এর চেয়ে অনেক উত্তম, অথবা বলেছেন অনেক মোলায়েম। হাদীসটি ক্বাতাদাহ্ ও যুহরী (রহ.) আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। (৩২৪৯, মুসলিম ৪৪/২৪, হাঃ নং ২৪৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৭)
হাদিস নং: ৩৮০৩
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن المثنى حدثنا فضل بن مساور ختن ابي عوانة حدثنا ابو عوانة عن الاعمش عن ابي سفيان عن جابر سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول اهتز العرش لموت سعد بن معاذ وعن الاعمش حدثنا ابو صالح عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله فقال رجل لجابر فان البراء يقول اهتز السرير فقال انه كان بين هذين الحيين ضغاىن سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول اهتز عرش الرحمن لموت سعد بن معاذ
৩৮০৩. জাবির (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ)-এর মৃত্যুতে আল্লাহ্ তা’আলার আরশ কেঁপে উঠেছিল। আমাশ (রহ.).....নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ রকমই বর্ণিত হয়েছে, এক ব্যক্তি জাবির (রাঃ)-কে বলল, বারা ইবনু আযিব (রাঃ) তো বলেন, জানাযার খাট নড়েছিল। তদুত্তরে জাবির (রাঃ) বললেন, সা’দ ও বারা (রাঃ)-এর গোত্রদ্বয়ের মধ্যে কিছুটা বিরোধ ছিল, কেননা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ’’আল্লাহর আরশ্ সা’দ ইবনু মু’আযের (ওফাতে) কেঁপে উঠল’’ (কথাটি) বলতে শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩১)
হাদিস নং: ৩৮০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عرعرة حدثنا شعبة عن سعد بن ابراهيم عن ابي امامة بن سهل بن حنيف عن ابي سعيد الخدري ان اناسا نزلوا على حكم سعد بن معاذ فارسل اليه فجاء على حمار فلما بلغ قريبا من المسجد قال النبي صلى الله عليه وسلم قوموا الى خيركم او سيدكم فقال يا سعد ان هولاء نزلوا على حكمك قال فاني احكم فيهم ان تقتل مقاتلتهم وتسبى ذراريهم قال حكمت بحكم الله او بحكم الملك
৩৮০৪. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, কতিপয় লোক (বনী কুরায়যার ইয়াহূদীগণ) সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)-কে সালিশ মেনে (দুর্গ থেকে) নেমে আসে। তাঁকে নিয়ে আসার জন্য লোক পাঠানো হল। তিনি গাধায় সাওয়ার হয়ে আসলেন। যখন মসজিদের নিকটে আসলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তি অথবা (বললেন) তোমাদের সরদার আসছেন তাঁর দিকে দাঁড়াও। তারপর তিনি বললেন, হে সা‘দ! তারা তোমাকে সালিশ মেনে বেরিয়ে এসেছে। সা‘দ (রাঃ) বললেন, আমি তাদের সম্পর্কে এ ফয়সালা দিচ্ছি যে, তাদের যোদ্ধাদেরকে হত্যা করা হোক এবং শিশু ও মহিলাদেরকে বন্দী করে রাখা হোক। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি আল্লাহ্ তা‘আলার ফায়সালা মোতাবেক ফায়সালা দিয়েছ অথবা (বলেছিলেন) তুমি বাদশাহর অর্থাৎ আল্লাহর ফায়সালা অনুযায়ী ফায়সালা করেছ। (৩০৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৯)
হাদিস নং: ৩৮০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن مسلم حدثنا حبان بن هلال حدثنا همام اخبرنا قتادة عن انس ان رجلين خرجا من عند النبي صلى الله عليه وسلم في ليلة مظلمة واذا نور بين ايديهما حتى تفرقا فتفرق النور معهما وقال معمر عن ثابت عن انس ان اسيد بن حضير ورجلا من الانصار وقال حماد اخبرنا ثابت عن انس كان اسيد بن حضير وعباد بن بشر عند النبي صلى الله عليه وسلم
৩৮০৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, দু’ ব্যক্তি অন্ধকার রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হতে বের হলেন। হঠাৎ তারা তাদের সম্মুখে একটি উজ্জ্বল আলো দেখতে পেলেন। রাস্তায় তাঁরা যখন আলাদা হলেন তখন আলোটিও তাঁদের উভয়ের সাথে আলাদা আলাদা হয়ে গেল। মা’মার (রহ.) সাবিত এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, এদের একজন উসায়দ ইবনু হুযায়র (রাঃ) এবং অন্যজন এক আনসারী ব্যক্তি ছিলেন এবং হাম্মাদ (রহ.) সাবিত (রহ.)-এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, উসায়দ (ইবনু হুযায়র) ও আববাদ ইবনু বিশ্র (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ছিলেন। (৪৬৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩০)
হাদিস নং: ৩৮০৬
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عمرو عن ابراهيم عن مسروق عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول استقرىوا القران من اربعة من ابن مسعود وسالم مولى ابي حذيفة وابي ومعاذ بن جبل
৩৮০৬. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কুরআন পাঠ শিখ চার জনের নিকট হতেঃ ইবনু মাসউদ, আবূ হুযাইফার আযাদকৃত গোলাম সালিম, উবাই (ইবনু কা‘ব) ও মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে। (৩৭৫৮)(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩১)
হাদিস নং: ৩৮০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا قتادة قال سمعت انس بن مالك قال ابو اسيد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير دور الانصار بنو النجار ثم بنو عبد الاشهل ثم بنو الحارث بن الخزرج ثم بنو ساعدة وفي كل دور الانصار خير فقال سعد بن عبادة وكان ذا قدم في الاسلام ارى رسول الله صلى الله عليه وسلم قد فضل علينا فقيل له قد فضلكم على ناس كثير
وَقَالَتْ عَائِشَةُ وَكَانَ قَبْلَ ذَلِكَ رَجُلًا صَالِحًا
‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তিনি এর পূর্বে নেক লোক ছিলেন।
৩৮০৭. আবূ উসাইদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আনসার গোত্রগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম গোত্র হল, বানু নাজ্জার, তারপর বানু ‘আবদ-ই-আশহাল, তারপর বানু হারিস ইবনু খাযরাজ তারপর বানু সায়িদাহ। আনসারদের সব গোত্রের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তখন সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) যিনি ছিলেন প্রথম যুগের অন্যতম মুসলিম বললেন, আমার ধারণা যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যদেরকে আমাদের উপর প্রাধান্য দিয়েছেন, তাঁকে বলা হল, আপনাদেরকে বহু গোত্রের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে। (৩৭৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩২)
‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তিনি এর পূর্বে নেক লোক ছিলেন।
৩৮০৭. আবূ উসাইদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আনসার গোত্রগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম গোত্র হল, বানু নাজ্জার, তারপর বানু ‘আবদ-ই-আশহাল, তারপর বানু হারিস ইবনু খাযরাজ তারপর বানু সায়িদাহ। আনসারদের সব গোত্রের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তখন সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) যিনি ছিলেন প্রথম যুগের অন্যতম মুসলিম বললেন, আমার ধারণা যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যদেরকে আমাদের উপর প্রাধান্য দিয়েছেন, তাঁকে বলা হল, আপনাদেরকে বহু গোত্রের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে। (৩৭৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩২)
হাদিস নং: ৩৮০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة عن ابراهيم عن مسروق قال ذكر عبد الله بن مسعود عند عبد الله بن عمرو فقال ذاك رجل لا ازال احبه سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول خذوا القران من اربعة من عبد الله بن مسعود فبدا به وسالم مولى ابي حذيفة ومعاذ بن جبل وابي بن كعب
৩৮০৮. মাসরূক (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-এর মজলিসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)-এর আলোচনা হচ্ছিল। তখন তিনি বললেন; তিনি সে ব্যক্তি যাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বক্তব্য শুনার পর হতে আমি খুব ভালবাসি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কুরআন শিক্ষা কর চারজনের নিকট থেকে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (সর্ব প্রথম তিনি এ নামটি বললেন), সালিম- আবূ হুযাইফার আযাদকৃত গোলাম, মু‘আয ইবনু জাবাল ও উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)। (৩৭৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩৩)