অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৬৪/১. ‘উশায়রাহ বা ‘উসাইরাহর যুদ্ধ।
মোট ৫২৫ টি হাদিস
হাদিস নং: ৪২৫৪ সহিহ (Sahih)
ثم سمعنا استنان عاىشة قال عروة يا ام المومنين الا تسمعين ما يقول ابو عبد الرحمن ان النبي صلى الله عليه وسلم اعتمر اربع عمر احدهنفي رخب فقالت ما اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم عمرة الا وهو شاهده وما اعتمر في رجب قط.
৪২৫৪. ‘উরওয়াহ (রহ.) বললেন, হে উম্মুল মু’মিনীন! আবূ আবদুর রহমান [ইবনু ‘উমার (রাঃ)] কী বলছেন, তা আপনি শুনেছেন কি যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি ‘উমরাহ্ করেছেন? ‘আয়িশাহ (রাঃ) উত্তর দিলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন কোন ‘উমরাহ্ করেননি যাতে তিনি (ইবনু ‘উমার) তাঁর সঙ্গে ছিলেন না। তবে তিনি রাজাব মাসে কখনো ‘উমরাহ্ আদায় করেননি। [১৭৭৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯২৬)
হাদিস নং: ৪২৫৫ সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن اسماعيل بن ابي خالد سمع ابن ابي اوفى يقول لما اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم سترناه من غلمان المشركين ومنهم ان يوذوا رسول الله صلى الله عليه وسلم .
৪২৫৫. ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ‘উমরাহ্‌তুল কাযা আদায় করছিলেন তখন আমরা তাঁকে মুশরিক ও তাদের যুবকদের থেকে আড়াল করে রেখেছিলাম যাতে তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কোন প্রকার কষ্ট দিতে না পারে। [১৬০০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯২৭)
হাদিস নং: ৪২৫৬ সহিহ (Sahih)
سليمان بن حرب حدثنا حماد هو ابن زيد عن ايوب عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم واصحابه فقال المشركون انه يقدم عليكم وفد وهنهم حمى يثرب وامرهم النبي صلى الله عليه وسلم ان يرملوا الاشواط الثلاثة وان يمشوا ما بين الركنين ولم يمنعه ان يامرهم ان يرملوا الاشواط كلها الا الابقاء عليهم قال ابو عبد الله وزاد ابن سلمة عن ايوب عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم لعامه الذي استامن قال ارملوا ليرى المشركون قوتهم والمشركون من قبل قعيقعان.
৪২৫৬. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ (‘উমরাহ্তুল কাযা আদায়ের জন্য) আগমন করলে মুশরিকরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল যে, তোমাদের সামনে একদল লোক আসছে, ইয়াসরিবের জ্বর[1] যাদেরকে দুর্বল করে দিয়েছে। এজন্য নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে প্রথম চক্করে হেলে দুলে চলার জন্য এবং দু’ রুকনের মধ্যবর্তী স্থানে স্বাভাবিক গতিতে চলতে নির্দেশ দেন। অবশ্য তিনি তাঁদেরকে সবকটি চক্করেই হেলে দুলে চলার আদেশ করতেন। কিন্তু তাঁদের প্রতি তাঁর অনুভূতিই কেবল তাঁকে এ হুকুম দেয়া থেকে বিরত রেখেছিল। [১৬০২]

অন্য এক সানাদে ইবনু সালামাহ (রহ.) আইয়ূব ও সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.)-এর মাধ্যমে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, (সন্ধি সম্পাদনের মাধ্যমে) নিরাপত্তা প্রাপ্ত বছরে যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মক্কা্য়) আগমন করলেন তখন বললেন, তোমরা মুশরিকদেরকে তোমাদের শক্তিমত্তা দেখানোর জন্য হেলে দুলে তাওয়াফ করো। এ সময় মুশরিকরা কুআয়কিআন পর্বতের দিক থেকে মুসলিমদেরকে দেখছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯২৮)
নোট: [1] মদীনাহকেই ইয়াসরিব বলা হতো। মুশরিকরা মনে করেছিল মদীনার জ্বরে মুসলিমরা দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই মুসলিমদের দুর্বল বা হীনবল হয়ে না পড়াটা প্রকাশের জন্য নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের শরীর হেলিয়ে দুলিয়ে বীরত্ব সহকারে তাওয়াফ করার নির্দেশ দেন। একেই রামল বলা হয়।
হাদিস নং: ৪২৫৭ সহিহ (Sahih)
محمد عن سفيان بن عيينة عن عمرو عن عطاء عن ابن عباس رضي الله عنهما قال انما سعى النبي صلى الله عليه وسلم بالبيت وبين الصفا والمروة ليري المشركين قوته.
৪২৫৭. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইতুল্লাহ এবং সাফা ও মারওয়া-এর মধ্যখানে এ জন্যই সা‘য়ী করেছিলেন, যেন মুশরিকদেরকে তাঁর শৌর্য-বীর্য দেখাতে পারেন। [১৬৪৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯২৯)
হাদিস নং: ৪২৫৮ সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا وهيب حدثنا ايوب عن عكرمة عن ابن عباس قال تزوج النبي صلى الله عليه وسلم ميمونة وهو محرم وبنى بها وهو حلال وماتت بسرف
৪২৫৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় মাইমূনাহ (রাঃ) -কে বিয়ে করেছেন এবং (ইহরাম খোলার পরে) হালাল অবস্থায় তিনি তাঁর সঙ্গে বাসর যাপন করেছেন। মাইমূনাহ (রাঃ) (মক্কার নিকটেই) সারিফ নামক স্থানে ইন্তিকাল করেছেন। [১৮৩৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩০)
হাদিস নং: ৪২৫৯ সহিহ (Sahih)
قال ابو عبد الله وزاد ابن اسحاق حدثني ابن ابي نجيح وابان بن صالح عن عطاء ومجاهد عن ابن عباس قال تزوج النبي صلى الله عليه وسلم ميمونة في عمرة القضاء.
৪২৫৯. [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন] অপর একটি সানাদে ইবনু ইসহাক-ইবনু আবূ নাজীহ ও আবান ইবনু সালিহ-‘আত্বা ও মুজাহিদ (রহ.)-ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমরাহ্তুল কাযা আদায়ের সফরে মায়মূনাহ (রাঃ)-কে বিয়ে করেছিলেন। [১৮৩৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩০)
হাদিস নং: ৪২৬০ সহিহ (Sahih)
احمد حدثنا ابن وهب عن عمرو عن ابن ابي هلال قال واخبرني نافع ان ابن عمر اخبره انه وقف على جعفر يومىذ وهو قتيل فعددت به خمسين بين طعنة وضربة ليس منها شيء في دبره يعني في ظهره.
৪২৬০. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, সেদিন (মূতার যুদ্ধের দিন) তিনি শাহাদাত প্রাপ্ত জা‘ফার ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-এর লাশের কাছে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। (তিনি বলেন) আমি জা‘ফর (রাঃ)-এর দেহে তখন বর্শা ও তরবারীর পঞ্চাশটি আঘাতের চিহ্ন গুণেছি। তার মধ্যে কোনটাই তাঁর পশ্চাৎ দিকে ছিল না। [৪২৬১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩১)
হাদিস নং: ৪২৬১ সহিহ (Sahih)
اخبرنا احمد بن ابي بكر حدثنا مغيرة بن عبد الرحمن عن عبد الله بن سعيد عن نافع عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال امر رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة موتة زيد بن حارثة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان قتل زيد فجعفر وان قتل جعفر فعبد الله بن رواحة قال عبد الله كنت فيهم في تلك الغزوة فالتمسنا جعفر بن ابي طالب فوجدناه في القتلى ووجدنا ما في جسده بضعا وتسعين من طعنة ورمية.
৪২৬১. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মূতার যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়দ ইবনু হারিসাহ (রাঃ)-কে (সেনাপতি নিযুক্ত করে) বলেছিলেন, যদি যায়দ (রাঃ) শহীদ হয়ে যায় তাহলে জা‘ফার ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) (সেনাপতি হবে)। যদি জা‘ফার (রাঃ)-ও শহীদ হয়ে যায় তাহলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) (সেনাপতি হবে)। ‘আবদুল্লাহ [ইবনু ‘উমার (রাঃ)] বলেন, ঐ যুদ্ধে তাদের সঙ্গে আমিও ছিলাম। (যুদ্ধ শেষে) আমরা জা‘ফার ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-কে তালাশ করলে তাকে শহীদগণের মধ্যে পেলাম। তখন আমরা তার দেহে বর্শা ও তীরের নব্বইটিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়েছি।[1] [৪২৬০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩২)
নোট: [1] পূর্বোক্ত হাদীসে পঞ্চাশটি আঘাতের চিহ্নের কথা বলা হয়েছিল যা কেবল বর্শা ও তরবারির আঘাত গণনা করা হয়েছে। অত্র হাদীসে তীর, বর্শা ও তরবারী সকল আঘাত চিহ্নের গণনা হয়েছে। পূর্বের হাদীসে তীর বাদ দিয়ে গণনা করার কারণে তারতম্য হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে উভয় হাদীসের মধ্যে কোনরূপ বিরোধ নেই। (ফতহুল বারী)
হাদিস নং: ৪২৬২ সহিহ (Sahih)
احمد بن واقد حدثنا حماد بن زيد عن ايوب عن حميد بن هلال عن انس رضي الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم نعى زيدا وجعفرا وابن رواحة للناس قبل ان ياتيهم خبرهم فقال اخذ الراية زيد فاصيب ثم اخذ جعفر فاصيب ثم اخذ ابن رواحة فاصيب وعيناه تذرفان حتى اخذ الراية سيف من سيوف الله حتى فتح الله عليهم.
৪২৬২. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, মুসলিমদের নিকট খবর এসে পৌঁছার পূর্বেই নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে যায়দ, জা‘ফার ও ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)-এর (শাহাদাতের) কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, যায়দ (রাঃ) পতাকা হাতে এগিয়ে গেলে তাঁকে শহীদ করা হয়। অতঃপর জা‘ফার (রাঃ) পতাকা হতে এগিয়ে গেলে তাকেও শহীদ করা হয়। অতঃপর ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) পতাকা হাতে নিলে তাকেও শহীদ করা হল। এ সময়ে তাঁর দু’চোখ থেকে অশ্রু ঝরছিল। (তিনি বললেন) শেষে আল্লাহর তলোয়ারদের মধ্য হতে আল্লাহর এক তলোয়ার (খালিদ বিন ওয়ালীদ) পতাকা ধারণ করল। ফলে আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে বিজয় দান করলেন। [১২৪৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩৩)
হাদিস নং: ৪২৬৩ সহিহ (Sahih)
قتيبة حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى بن سعيد قال اخبرتني عمرة قالت سمعت عاىشة رضي الله عنها تقول لما جاء قتل ابن حارثة وجعفر بن ابي طالب وعبد الله بن رواحة رضي الله عنهم جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرف فيه الحزن قالت عاىشة وانا اطلع من صاىر الباب تعني من شق الباب فاتاه رجل فقال اي رسول الله ان نساء جعفر قال وذكر بكاءهن فامره ان ينهاهن قال فذهب الرجل ثم اتى فقال قد نهيتهن وذكر انه لم يطعنه قال فامر ايضا فذهب ثم اتى فقال والله لقد غلبننا فزعمت ان رسول الله قال فاحث في افواههن من التراب قالت عاىشة فقلت ارغم الله انفك فوالله ما انت تفعل وما تركت رسول الله صلى الله عليه وسلم من العناء.
৪২৬৩. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যায়িদ ইবনু হারিসাহ, জা‘ফর ইবনু আবূ তালিব ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)-এর শাহাদাতের সংবাদ পৌঁছলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে পড়লেন। তাঁর চেহারায় শোক-চিহ্ন পরিলক্ষিত হচ্ছিল। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি তখন দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখলাম, এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! জা‘ফর (রাঃ)-এর পরিবারের মেয়েরা কান্নাকাটি করছে। তখন তিনি [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম] মহিলাদেরকে বারণ করার জন্য লোকটিকে আদেশ করলেন। লোকটি ফিরে গেল। তারপর আবার এসে বলল, আমি তাদেরকে নিষেধ করেছি। কিন্তু তারা তা শোনেনি। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এবারও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পুনঃ হুকুম করলেন। লোকটি গেল কিন্তু আবার ফিরে আসল এবং বলল, আমি তাদেরকে নিষেধ করেছি কিন্তু তারা আমার কথা মানছে না। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তিনি লোকটিকে আবার যেতে বললেন, কাজেই সে গেল, অতঃপর ফিরে আসল এবং বলল, আল্লাহর শপথ! আমি তাদের কাছে পরাস্ত হয়ে গেলাম। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, (তারপর) সম্ভবত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তা হলে তাদের মুখের উপর মাটি ছুঁড়ে মার। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি লোকটিকে বললাম, আল্লাহ তোমার নাককে ধূলি ধূসরিত করুন। আল্লাহর শপথ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে যে কাজ করতে বলেছেন তা তুমি করতেও পারছ না অথচ তাঁকে কষ্ট দিতেও ছাড়ছ না। [১২৯৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩৪)
হাদিস নং: ৪২৬৪ সহিহ (Sahih)
محمد بن ابي بكر حدثنا عمر بن علي عن اسماعيل بن ابي خالد عن عامر قال كان ابن عمر اذا حيا ابن جعفر قال السلام عليك يا ابن ذي الجناحين.
৪২৬৪. ‘আমির (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) যখনই জা‘ফর ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-এর পুত্র (‘আবদুল্লাহ)-কে সালাম দিতেন তখনই তিনি বলতেন, তোমার প্রতি সালাম, হে দু’ডানাওয়ালার পুত্র।[1] [৩৭০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩৫)
নোট: [1] মুতার যুদ্ধে কাফিরদের তীরের আঘাতে জা‘ফার ইবনু আবূ তালিবের হাত দুটো দেহ হতে পৃথক হয়ে যায় এবং তিনি শহীদ হয়ে যান। পরে আল্লাহ তা‘আলা তার ঐ দু’বাহুর বদলে জান্নাতে দু’টি ডানা প্রদান করেন। যা দ্বারা তিনি জান্নাতে মালায়িকার সঙ্গে বিচরণ করেন। যা তিনি স্বপ্নযোগে বা ওয়াহীর মাধ্যমে জানতে পারেন। (ফাতহুল বারী ৭ম খন্ড ৯৬ পৃষ্ঠা)
হাদিস নং: ৪২৬৫ সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا سفيان عن اسماعيل عن قيس بن ابي حازم قال سمعت خالد بن الوليد يقول لقد انقطعت في يدي يوم موتة تسعة اسياف فما بقي في يدي الا صفيحة يمانية.
৪২৬৫. কায়স ইবনু আবূ হাযিম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি খালিদ ইবনু ওয়ালিদ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, মূতার যুদ্ধে আমার হাতে নয়টি তরবারি ভেঙ্গে গিয়েছিল। শেষে আমার হাতে একটি প্রশস্ত ইয়ামানী তলোয়ার ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। [৪২৬৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩৬)
হাদিস নং: ৪২৬৬ সহিহ (Sahih)
محمد بن المثنى حدثنا يحيى عن اسماعيل قال حدثني قيس قال سمعت خالد بن الوليد يقول لقد دق في يدي يوم موتة تسعة اسياف وصبرت في يدي صفيحة لي يمانية.
৪২৬৬. ক্বায়স (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলছেন, মূতার যুদ্ধে আমার হাতে নয়খানা তরবারি ভেঙ্গে টুকরা টুকরা হয়ে গিয়েছিল। (পরিশেষে) আমার হাতে আমার একটি প্রশস্ত ইয়ামানী তারবারিই টিকেছিল। [৪২৬৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩৭)
হাদিস নং: ৪২৬৭ সহিহ (Sahih)
عمران بن ميسرة حدثنا محمد بن فضيل عن حصين عن عامر عن النعمان بن بشير رضي الله عنهما قال اغمي على عبد الله بن رواحة فجعلت اخته عمرة تبكي وا جبلاه وا كذا وا كذا تعدد عليه فقال حين افاق ما قلت شيىا الا قيل لي انت كذلك.
৪২৬৭. নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) বেহুশ হয়ে পড়লে তাঁর বোন ‘আমরা [বিনত রাওয়াহা (রাঃ)] হায়, হায় পর্বতের মতো আমার ভাই, হায়রে অমুকের মতো, তমুকের মতো ইত্যাদি গুণ-বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে কান্নাকাটি শুরু করল। এরপর জ্ঞান ফিরলে তিনি তাঁর বোনকে বললেন, তুমি যেসব কথা বলে কান্নাকাটি করেছিলে সেসব কথা উল্লেখ করে আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে যে, তুমি কি সত্যই এরূপ? (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩৮)
হাদিস নং: ৪২৬৮ সহিহ (Sahih)
قتيبة حدثنا عبثر عن حصين عن الشعبي عن النعمان بن بشير قال اغمي على عبد الله بن رواحة بهذا فلما مات لم تبك عليه.
৪২৬৮. নু‘মান ইবনু বাশীর (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) বেহুঁশ হয়ে পড়লেন বলে তা বর্ণনা করলেন যেভাবে উপরোক্ত হাদীসে বর্ণনা করা হয়েছে। (তারপর তিনি বলেছেন) অতঃপর তিনি [‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)] শহীদ হলে তাঁর বোন মোটেই কান্নাকাটি করেনি।[1] [৪২৬৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩৯)
নোট: [1] ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) যিনি যুদ্ধের পূর্বের কোন এক সময়কার ঘটনায় বেহুঁশ হয়ে পড়লে তার বোন আসমা বিনতু রাওয়াহা তার বহুবিধ গুণ বর্ণনা করে কান্নাকাটি করলে তিনি তাঁর বোনকে নিষেধ করেছিলেন। তিনি যখন মূতা‘-এর যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন তখন সে খবর পেয়ে মোটেও কাঁদেননি। এ হাদীসে সেদিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
হাদিস নং: ৪২৬৯ সহিহ (Sahih)
عمرو بن محمد حدثنا هشيم اخبرنا حصين اخبرنا ابو ظبيان قال سمعت اسامة بن زيد رضي الله عنهما يقول بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الى الحرقة فصبحنا القوم فهزمناهم ولحقت انا ورجل من الانصار رجلا منهم فلما غشيناه قال لا اله الا الله فكف الانصاري فطعنته برمحي حتى قتلته فلما قدمنا بلغ النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا اسامة اقتلته بعد ما قال لا اله الا الله قلت كان متعوذا فما زال يكررها حتى تمنيت اني لم اكن اسلمت قبل ذلك اليوم.
৪২৬৯. উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে হুরকা গোত্রের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন। আমরা প্রত্যুষে গোত্রটির উপর আক্রমণ করি এবং তাদেরকে পরাজিত করি। এ সময়ে আনসারদের এক ব্যক্তি ও আমি তাদের (হুরকাদের) একজনের পিছু ধাওয়া করলাম। আমরা যখন তাকে ঘিরে ফেললাম তখন সে বলে উঠল ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। এ বাক্য শুনে আনসারী তার অস্ত্র সামলে নিলেন। কিন্তু আমি তাকে আমার বর্শা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে ফেললাম। আমরা মদিনা্য় ফিরার পর এ সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছলে তিনি বললেন, হে উসামাহ! ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলার পরেও তুমি তাকে হত্যা করেছ? আমি বললাম, সে তো জান বাঁচানোর জন্য কলেমা পড়েছিল। এর পরেও তিনি এ কথাটি ‘হে উসামাহ! লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলার পরেও তুমি তাকে হত্যা করেছ’ বারবার বলতে থাকলেন। এতে আমার মন চাচ্ছিল যে, হায়, যদি সেই দিনটির পূর্বে আমি ইসলামই গ্রহণ না করতাম![1] [৬৮৭২; মুসলিম ১/৪১, হাঃ ৯৬, আহমাদ ২১৮০৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৪০)
নোট: [1] লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠকারী ব্যক্তিকেও হত্যা করার ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত ব্যথিত হন। তাই উসামা (রাঃ) চরম অনুতপ্ত হয়ে এ কথা বলেছিলেন। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, ঐদিনের পর তিনি ইসলাম গ্রহণ করলে এত বড় কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হতো না আর রসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামও এত কষ্ট পেতেন না।
হাদিস নং: ৪২৭০ সহিহ (Sahih)
قتيبة بن سعيد حدثنا حاتم عن يزيد بن ابي عبيد قال سمعت سلمة بن الاكوع يقول غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم سبع غزوات وخرجت فيما يبعث من البعوث تسع غزوات مرة علينا ابو بكر ومرة علينا اسامة.
৪২৭০. সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আর তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব অভিযান প্রেরণ করেছেন তন্মধ্যে নয়টি অভিযানে আমি অংশ নিয়েছি। এসব অভিযানে একবার আবূ বকর (রাঃ) আমাদের অধিনায়ক থাকতেন, আরেকবার উসামাহ (রাঃ) আমাদের অধিনায়ক থাকতেন। [৪২৭১-৪২৭৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৪১)
হাদিস নং: ৪২৭১ সহিহ (Sahih)
وقال عمر بن حفص بن غياث حدثنا ابي عن يزيد بن ابي عبيد قال سمعت سلمة يقول غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم سبع غزوات وخرجت فيما يبعث من البعث تسع غزوات علينا مرة ابو بكر ومرة اسامة.
৪২৭১. ‘উমার ইবনু হাফস ইবনু গিয়াস (রহ.) তাঁর পিতা হাফস্ হতে, ইয়াযীদ ইবনু আবী ‘উবাইদাহ (রাঃ)-এর মাধ্যমে সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। আর তিনি যেসব সেনাভিযান পাঠিয়েছিলেন এর নয়টি সেনাভিযানে অংশ নিয়েছি। এ সব সেনাভিযানে একবার আবূ বকর (রাঃ) আমাদের অধিনায়ক থাকতেন। আরেকবার উসামাহ (রাঃ) আমাদের অধিনায়ক থাকতেন। [৪২৭০; মুসলিম ৩২/৪৯, হাঃ ১৮১৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৪১)
হাদিস নং: ৪২৭২ সহিহ (Sahih)
ابو عاصم الضحاك بن مخلد حدثنا يزيد بن ابي عبيد عن سلمة بن الاكوع رضي الله عنه قال غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم سبع غزوات وغزوت مع ابن حارثة استعمله علينا.
৪২৭২. সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি এবং যায়দ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ)-এর সঙ্গেও যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে (যায়দকে) আমাদের সেনাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। [৪২৭০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৪২)
হাদিস নং: ৪২৭৩ সহিহ (Sahih)
محمد بن عبد الله حدثنا حماد بن مسعدة عن يزيد بن ابي عبيد عن سلمة بن الاكوع قال غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم سبع غزوات فذكر خيبر والحديبية ويوم حنين ويوم القرد قال يزيد ونسيت بقيتهم.
৪২৭৩. সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। এতে তিনি খাইবার, হুদাইবিয়াহ, হুনায়ন ও যি-কারাদের যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেছেন। বর্ণনাকারী ইয়াযীদ (রহ.) বলেন, অবশিষ্ট যুদ্ধগুলোর নাম আমি ভুলে গেছি। [৪২৭০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৪৩)
অধ্যায় তালিকা