হাদিস নং: ৪৪৫৪
সহিহ (Sahih)
قال الزهري وحدثني ابو سلمة عن عبد الله بن عباس ان ابا بكر خرج وعمر بن الخطاب يكلم الناس فقال اجلس يا عمر فابى عمر ان يجلس فاقبل الناس اليه وتركوا عمر فقال ابو بكر اما بعد فمن كان منكم يعبد محمدا صلى الله عليه وسلم فان محمدا قد مات ومن كان منكم يعبد الله فان الله حي لا يموت قال الله وما محمد الا رسول قد خلت من قبله الرسل الى قوله الشاكرين وقال والله لكان الناس لم يعلموا ان الله انزل هذه الاية حتى تلاها ابو بكر فتلقاها منه الناس كلهم فما اسمع بشرا من الناس الا يتلوها فاخبرني سعيد بن المسيب ان عمر قال والله ما هو الا ان سمعت ابا بكر تلاها فعقرت حتى ما تقلني رجلاي وحتى اهويت الى الارض حين سمعته تلاها علمت ان النبي صلى الله عليه وسلم قد مات.
৪৪৫৪. ইমাম যুহরী (রহ.) বলেন, আমাকে আবূ সালামাহ (রহ.) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, আবূ বকর (রাঃ) বের হয়ে আসেন তখন ‘উমার (রাঃ) লোকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে ‘উমার (রাঃ) বসে পড়। ‘উমার (রাঃ) বসতে অস্বীকার করলেন। তখন সাহাবীগণ ‘উমার (রাঃ)-কে ছেড়ে আবূ বকর (রাঃ)-এর দিকে গেলেন। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন- ‘‘অতঃপর আপনাদের মধ্যে যারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইবাদাত করতেন, তিনি তো ইন্তিকাল করেছেন। আর যারা আপনাদের মধ্যে আল্লাহর ‘ইবাদাত করতেন (জেনে রাখুন) আল্লাহর চিরঞ্জীব, কখনো মরবেন না। আল্লাহ বলেন, ......... -মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন রাসূল মাত্র, তাঁর পূর্বে বহু রাসূল গত হয়েছেন। ..... কৃতজ্ঞদের পুরস্কৃত করবেন- (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৪৪)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আবূ বকর (রাঃ)-এর পাঠ করার পূর্বে লোকেরা যেন জানত না যে, আল্লাহ তা‘আলা এরূপ আয়াত অবতীর্ণ করেছেন। এরপর সমস্ত সাহাবী তাঁর থেকে উক্ত আয়াত শিখে নিলেন। তখন সবাইকে উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করতে শুনলাম। আমাকে সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.) জানিয়েছেন, ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর কসম! আমি যখন আবূ বকর (রাঃ)-কে উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করতে শুনলাম, তখন ভীত হয়ে পড়লাম এবং আমার পা দু’টি যেন আমার ভার নিত পারছিল না, এমনকি আমি মাটিতে পড়ে গেলাম যখন শুনতে পেলাম যে, তিনি তিলাওয়াত করছেন যে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেছেন। [১২৪২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০২)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আবূ বকর (রাঃ)-এর পাঠ করার পূর্বে লোকেরা যেন জানত না যে, আল্লাহ তা‘আলা এরূপ আয়াত অবতীর্ণ করেছেন। এরপর সমস্ত সাহাবী তাঁর থেকে উক্ত আয়াত শিখে নিলেন। তখন সবাইকে উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করতে শুনলাম। আমাকে সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.) জানিয়েছেন, ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর কসম! আমি যখন আবূ বকর (রাঃ)-কে উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করতে শুনলাম, তখন ভীত হয়ে পড়লাম এবং আমার পা দু’টি যেন আমার ভার নিত পারছিল না, এমনকি আমি মাটিতে পড়ে গেলাম যখন শুনতে পেলাম যে, তিনি তিলাওয়াত করছেন যে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেছেন। [১২৪২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০২)
হাদিস নং: ৪৪৫৫
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن ابي شيبة حدثنا يحيى بن سعيد عن سفيان عن موسى بن ابي عاىشة عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن عاىشة وابن عباس ان ابا بكر رضي الله عنه قبل النبي صلى الله عليه وسلم بعد موته.
৪৪৫৫-৪৪৫৬-৪৪৫৭. ‘আয়িশাহ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। আবূ বকর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের পর তাঁকে চুমু দেন। [১২৪১, ১২৪২, ৫৭০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০৩)
হাদিস নং: ৪৪৫৬
সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن ابي شيبة، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، عن موسى بن ابي عاىشة، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن عاىشة، وابن، عباس ان ابا بكر ـ رضى الله عنه ـ قبل النبي صلى الله عليه وسلم بعد موته.
৪৪৫৫-৪৪৫৬-৪৪৫৭. ‘আয়িশাহ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। আবূ বকর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের পর তাঁকে চুমু দেন। [১২৪১, ১২৪২, ৫৭০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০৩)
হাদিস নং: ৪৪৫৭
সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن ابي شيبة حدثنا يحيى بن سعيد عن سفيان عن موسى بن ابي عاىشة عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن عاىشة وابن عباس ان ابا بكر رضي الله عنه قبل النبي صلى الله عليه وسلم بعد موته.
৪৪৫৫-৪৪৫৬-৪৪৫৭. ‘আয়িশাহ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। আবূ বকর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের পর তাঁকে চুমু দেন। [১২৪১, ১২৪২, ৫৭০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০৩)
হাদিস নং: ৪৪৫৮
সহিহ (Sahih)
علي حدثنا يحيى وزاد قالت عاىشة لددناه في مرضه فجعل يشير الينا ان لا تلدوني فقلنا كراهية المريض للدواء فلما افاق قال الم انهكم ان تلدوني قلنا كراهية المريض للدواء فقال لا يبقى احد في البيت الا لد وانا انظر الا العباس فانه لم يشهدكم رواه ابن ابي الزناد عن هشام عن ابيه عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৪৪৫৮. ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগাক্রান্ত অবস্থায় তাঁর মুখে ঔষধ ঢেলে দিলাম। তিনি ইশারায় আমাদেরকে তাঁর মুখে ঔষধ ঢালতে নিষেধ করলেন। আমরা বললাম, এটা ঔষধের প্রতি রোগীদের স্বাভাবিক বিরক্তিবোধ। যখন তিনি সুস্থবোধ করলেন তখন তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের ওষুধ সেবন করাতে নিষেধ করিনি? আমরা বললাম, আমরা মনে করেছিলাম এটা ঔষধের প্রতি রোগীর সাধারণ বিরক্তিভাব। তখন তিনি বললেন, ‘আব্বাস ব্যতীত বাড়ির প্রত্যেকের মুখে ঔষধ ঢাল তা আমি দেখি।[1] কেননা সে তোমাদের মাঝে উপস্থিত নেই। এ হাদীস ইবনু আবূ যিনাদ ....... ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। [৫৭১২, ৬৮৮৬, ৬৮৯৭; মুসলিম ৩৯/২৭, হাঃ ২২১৩, আহমাদ ২৪৩১৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০৪)
নোট: [1] প্রথমতঃ এখানে অতি সামান্য ব্যাপারেও কিয়াসের বৈধতা প্রমাণিত হয়। দ্বিতীয়তঃ নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুস্থ ও অসুস্থ সর্বাবস্থাতেই তার নির্দেশ পালনের অপরিহার্যতা সমভাবে প্রযোজ্য।
হাদিস নং: ৪৪৫৯
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن محمد اخبرنا ازهر اخبرنا ابن عون عن ابراهيم عن الاسود قال ذكر عند عاىشة ان النبي صلى الله عليه وسلم اوصى الى علي فقالت من قاله لقد رايت النبي صلى الله عليه وسلم واني لمسندته الى صدري فدعا بالطست فانخنث فمات فما شعرت فكيف اوصى الى علي.
৪৪৫৯. আসওয়াদ (ইবনু ইয়াযীদ) (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে উল্লেখ করা হল যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আলী (রাঃ)-কে ওসীয়াত করে গেছেন। তখন তিনি বললেন, এ কথা কে বলেছে? আমার বুকের সঙ্গে হেলান দেয়া অবস্থায় আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি। তিনি একটি চিলিমচি চাইলেন, তাতে থুথু ফেললেন এবং ইন্তিকাল করলেন। অতএব আমার বোধগম্য নয় তিনি কীভাবে ‘আলী (রাঃ)-কে ওসীয়াত করলেন। [২৭৪১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০৫)
হাদিস নং: ৪৪৬০
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا مالك بن مغول عن طلحة قال سالت عبد الله بن ابي اوفى رضي الله عنهما اوصى النبي صلى الله عليه وسلم فقال لا فقلت كيف كتب على الناس الوصية او امروا بها قال اوصى بكتاب الله.
৪৪৬০. ত্বলহা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি ওসীয়াত করে গেছেন? তিনি বললেন, না। তখন আমি বললাম, তাহলে কেমন করে মানুষের জন্য ওসীয়াত লিপিবদ্ধ করা হল অথবা কীভাবে এর নির্দেশ দেয়া হল? তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন সম্পর্কে ওসীয়াত করে গেছেন। [২৭৪০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০৬)
হাদিস নং: ৪৪৬১
সহিহ (Sahih)
قتيبة حدثنا ابو الاحوص عن ابي اسحاق عن عمرو بن الحارث قال ما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم دينارا ولا درهما ولا عبدا ولا امة الا بغلته البيضاء التي كان يركبها وسلاحه وارضا جعلها لابن السبيل صدقة
৪৪৬১. ‘আমর ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন দ্বীনার, দিরহাম, গোলাম ও বাঁদি রেখে যাননি। কেবলমাত্র একটি সাদা খচ্চর যার উপর তিনি আরোহণ করতেন এবং তাঁর যুদ্ধাস্ত্র আর একখন্ড যমীন যা মুসাফিরদের জন্য ওয়াক্ফ করে গেছেন। [২৭৩৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০৭)
হাদিস নং: ৪৪৬২
সহিহ (Sahih)
سليمان بن حرب حدثنا حماد عن ثابت عن انس قال لما ثقل النبي صلى الله عليه وسلم جعل يتغشاه فقالت فاطمة عليها السلام وا كرب اباه فقال لها ليس على ابيك كرب بعد اليوم فلما مات قالت يا ابتاه اجاب ربا دعاه يا ابتاه من جنة الفردوس ماواه يا ابتاه الى جبريل ننعاه فلما دفن قالت فاطمة عليها السلام يا انس اطابت انفسكم ان تحثوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم التراب.
৪৪৬২. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগ প্রকটরূপ ধারণ করে তখন তিনি বেঁহুশ হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় ফাতেমাহ (রাঃ) বললেন, উহ্! আমার পিতার উপর কত কষ্ট! তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, আজকের পরে তোমার পিতার উপর আর কোন কষ্ট নেই। যখন তিনি ইন্তিকাল করলেন তখন ফাতেমাহ (রাঃ) বললেন, হায়! আমার পিতা! রবের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। হায় আমার পিতা! জান্নাতুল ফিরদাউসে তাঁর বাসস্থান। হায় পিতা! জিবরীল (আঃ)-কে তাঁর ইনতিকালের খবর শুনাই। যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সমাহিত করা হল, তখন ফাতিমাহ (রাঃ) বললেন, হে আনাস! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মাটি চাপা দিয়ে আসা তোমরা কীভাবে বরদাশত করলে! (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০৮)
হাদিস নং: ৪৪৬৩
সহিহ (Sahih)
بشر بن محمد حدثنا عبد الله قال يونس قال الزهري اخبرني سعيد بن المسيب في رجال من اهل العلم ان عاىشة قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول وهو صحيح انه لم يقبض نبي حتى يرى مقعده من الجنة ثم يخير فلما نزل به وراسه على فخذي غشي عليه ثم افاق فاشخص بصره الى سقف البيت ثم قال اللهم الرفيق الاعلى فقلت اذا لا يختارنا وعرفت انه الحديث الذي كان يحدثنا وهو صحيح قالت فكانت اخر كلمة تكلم بها اللهم الرفيق الاعلى.
৪৪৬৩. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্থ থাকাকালীন বলতেন, কোন নবীর ওফাত হয়নি যতক্ষণ না তাকে জান্নাতে তাঁর ঠিকানা দেখানো হয়। তারপর তাঁকে দুনিয়া বা আখিরাত একটি বেছে নিতে বলা হয়। যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগ বৃদ্ধি পেল তখন তাঁর মাথা আমার উরুর উপর ছিল এ সময় তিনি মূর্ছা যান। তারপর তাঁর হুশ ফিরে এলে, ছাদের দিকে তিনি দৃষ্টি তোলেন। তারপর বলেন, হে আল্লাহ! আমাকে উচ্চে সমাসীন বন্ধুর (সঙ্গে মিলিত করুন)। তখন আমি বললাম, তিনি আর আমাদের মাঝে থাকতে চাচ্ছেন না। আমি বুঝতে পারলাম যে, এটা হল ঐ কথা যা তিনি সুস্থাবস্থায় আমাদের কাছে বর্ণনা করতেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শেষ কথা যা তিনি বলেছিলেন তা হল ........ -হে আল্লাহ! উচ্চে সমাসীন বন্ধুর (সঙ্গে মিলিত করুন)। [৪৪৩৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০৯)
হাদিস নং: ৪৪৬৪
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا شيبان عن يحيى عن ابي سلمة عن عاىشة وابن عباس رضي الله عنهم ان النبي صلى الله عليه وسلم لبث بمكة عشر سنين ينزل عليه القران وبالمدينة عشرا
৪৪৬৪-৪৪৬৫. ‘আয়িশাহ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নুযুলে কুরআনের দশ বছর[1] মক্কা্য় কাটান আর মদিনা্তেও দশ বছর কাটান। [৩৮৫১, ৪৯৭৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১০)
নোট: [1] বলা হয়েছে নুবুওয়াতের পর হতে মক্কাহ্য় নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১৩ বছর অবস্থান করলেও যে তিন বছর ওয়াহী অবতরণ বন্ধ থাকে সে তিন বছরকে নুযূলে কুরআনের বছর হিসেবে ধরা হয়নি। তাই দশ বছর বলা হয়েছে। (ফতহুল বারী)
হাদিস নং: ৪৪৬৫
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا شيبان عن يحيى عن ابي سلمة عن عاىشة وابن عباس رضي الله عنهم ان النبي صلى الله عليه وسلم لبث بمكة عشر سنين ينزل عليه القران وبالمدينة عشرا
৪৪৬৪-৪৪৬৫. ‘আয়িশাহ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নুযুলে কুরআনের দশ বছর[1] মক্কা্য় কাটান আর মদিনা্তেও দশ বছর কাটান। [৩৮৫১, ৪৯৭৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১০)
নোট: [1] বলা হয়েছে নুবুওয়াতের পর হতে মক্কাহ্য় নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১৩ বছর অবস্থান করলেও যে তিন বছর ওয়াহী অবতরণ বন্ধ থাকে সে তিন বছরকে নুযূলে কুরআনের বছর হিসেবে ধরা হয়নি। তাই দশ বছর বলা হয়েছে। (ফতহুল বারী)
হাদিস নং: ৪৪৬৬
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عاىشة رضي الله عنها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم توفي وهو ابن ثلاث وستين قال ابن شهاب واخبرني سعيد بن المسيب مثله
৪৪৬৬. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। ওফাতকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বয়স ছিল তেষট্টি বছর। ইবনু শিহাব যুহরী (রহ.) বলেন, আমাকে সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব এ রকমই জানিয়েছেন। [৩৫৩৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১১)
হাদিস নং: ৪৪৬৭
সহিহ (Sahih)
قبيصة حدثنا سفيان عن الاعمش عن ابراهيم عن الاسود عن عاىشة رضي الله عنها قالت توفي النبي صلى الله عليه وسلم ودرعه مرهونة عند يهودي بثلاثين.
৪৪৬৭. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন এমন অবস্থায় যে, তাঁর বর্ম ত্রিশ সা‘ যবের বিনিময়ে ইয়াহূদীর কাছে বন্ধক রাখা ছিল। [২০৬৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১২)
হাদিস নং: ৪৪৬৮
সহিহ (Sahih)
ابو عاصم الضحاك بن مخلد عن الفضيل بن سليمان حدثنا موسى بن عقبة عن سالم عن ابيه استعمل النبي صلى الله عليه وسلم اسامة فقالوا فيه فقال النبي صلى الله عليه وسلم قد بلغني انكم قلتم في اسامة وانه احب الناس الي
৪৪৬৮. ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-কে (একটি অভিযানে ‘আমীর) নিযুক্ত করেন। [1] এটা নিয়ে সাহাবীগণ বলাবলি করেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি খবর পেয়েছি, তোমরা উসামাহর আমীর নিযুক্তি নিয়ে বলাবলি করছ, অথচ সে হচ্ছে আমার নিকট সবার চেয়ে প্রিয়। [৩৭৩০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১৩)
নোট: [1] রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পালক পুত্র যায়দ-এর পুত্র উসামাহকে তিনি সিরিয়ার দিকে এক জিহাদে আমীর নিযুক্ত করেন। যে সেনাদলে আবূ বাক্র ও ‘উমার (রাঃ)-এর মত বড় বড় উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন সাহাবীও ছিলেন।
হাদিস নং: ৪৪৬৯
সহিহ (Sahih)
اسماعيل حدثنا مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث بعثا وامر عليهم اسامة بن زيد فطعن الناس في امارته فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ان تطعنوا في امارته فقد كنتم تطعنون في امارة ابيه من قبل وايم الله ان كان لخليقا للامارة وان كان لمن احب الناس الي وان هذا لمن احب الناس الي بعده.
৪৪৬৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সেনাদল প্রেরণ করেন এবং উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-কে তাদের আমীর নিয়োগ করেন। তখন সাহাবীগণ তাঁর নেতৃত্বের সমালোচনা করতে থাকেন। এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং বললেন, তোমরা আজ তার নেতৃত্বের সমালোচনা করছ, এভাবে তোমরা তাঁর পিতা (যায়দ)-এর নেতৃত্বেরও সমালোচনা করতে। আল্লাহর কসম! সে (যায়দ) ছিল নেতৃত্বের জন্য যোগ্য ব্যক্তি এবং আর সে আমার কাছে লোকেদের মধ্যে প্রিয়তম ব্যক্তি। তার এ (উসামাহ) লোকেদের মধ্যে আমার কাছে প্রিয়তম ব্যক্তি। [৩৭৩০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১৪)
হাদিস নং: ৪৪৭০
সহিহ (Sahih)
اصبغ قال اخبرني ابن وهب قال اخبرني عمرو بن الحارث عن ابن ابي حبيب عن ابي الخير عن الصنابحي انه قال له متى هاجرت قال خرجنا من اليمن مهاجرين فقدمنا الجحفة فاقبل راكب فقلت له الخبر فقال دفنا النبي صلى الله عليه وسلم منذ خمس قلت هل سمعت في ليلة القدر شيىا قال نعم اخبرني بلال موذن النبي صلى الله عليه وسلم انه في السبع في العشر الاواخر
৪৪৭০. সুনাবিহী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাঁকে কেউ জিজ্ঞেস করেন, আপনি কখন হিজরত করেছিলেন? তিনি বলেন, আমরা ইয়ামান থেকে হিজরতের নিয়্যাতে বের হয়ে জুহফাতে পৌঁছি। তখন একজন অশ্বারোহী পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, খবর কী খবর কী? তিনি বললেন, পাঁচদিন পূর্বে আমরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সমাহিত করেছি। তখন আমি তাঁকে বললাম, তুমি কি কাদারের রাত সম্পর্কে কিছু শুনেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুয়ায্যিন বিলাল (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, তা হল রমাযানের শেষ দশকের সপ্তম দিনে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১৫)
হাদিস নং: ৪৪৭১
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن رجاء حدثنا اسراىيل عن ابي اسحاق قال سالت زيد بن ارقم رضي الله عنه كم غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سبع عشرة قلت كم غزا النبي صلى الله عليه وسلم قال تسع عشرة
৪৪৭১. আবূ ইসহাক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কয়টি যুদ্ধ করেছেন? তিনি বলেন, সতেরটি। আমি বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়টি যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন,ঊনিশটি। [৩৯৪৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১৬)
হাদিস নং: ৪৪৭২
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن رجاء حدثنا اسراىيل عن ابي اسحاق حدثنا البراء رضي الله عنه قال غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم خمس عشرة.
৪৪৭২. বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে পনেরটি যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১৭)
হাদিস নং: ৪৪৭৩
সহিহ (Sahih)
احمد بن الحسن حدثنا احمد بن محمد بن حنبل بن هلال حدثنا معتمر بن سليمان عن كهمس عن ابن بريدة عن ابيه قال غزا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ست عشرة غزوة.
৪৪৭৩. বুরাইদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ষোলটি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। [মুসলিম ৩২/৪৯, হাঃ ১৮১৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১৮)