হাদিস নং: ৫৫৩৫
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا شعبة عن هشام بن زيد عن انس قال انفجنا ارنبا ونحن بمر الظهران فسعى القوم فلغبوا فاخذتها فجىت بها الى ابي طلحة فذبحها فبعث بوركيها او قال بفخذيها الى النبي صلى الله عليه وسلم فقبلها.
৫৫৩৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা ’মাররুয্ যাহরান’-এ একটি খরগোশকে ধাওয়া করলাম। তখন লোকেরাও এর পেছনে ছুটল এবং তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ল। এরপর আমি সেটিকে ধরে ফেললাম এবং আবূ ত্বলহার নিকট নিয়ে এলাম। তিনি এটিকে যবেহ করলেন এবং তার পিছনের অংশ কিংবা তিনি বলেছেনঃ দু’ রান নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পাঠিয়ে দিলেন এবং তিনি তা গ্রহণ করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২৪)
হাদিস নং: ৫৫৩৬
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا عبد العزيز بن مسلم حدثنا عبد الله بن دينار قال سمعت ابن عمر قال النبي صلى الله عليه وسلم الضب لست اكله“ ولا احرمه.
৫৫৩৬. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দব্ব আমি খাই না, আর হারামও বলি না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২৫)
হাদিস নং: ৫৫৩৭
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن مسلمة عن مالك عن ابن شهاب عن ابي امامة بن سهل عن عبد الله بن عباس عن خالد بن الوليد انه“ دخل مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بيت ميمونة فاتي بضب محنوذ فاهو‘ى اليه رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده„ فقال بعض النسوة اخبروا رسول الله صلى الله عليه وسلم بما يريد ان ياكل فقالوا هو ضب يا رسول الله فرفع يده“ فقلت احرام هو يا رسول الله فقال لا ولكن لم يكن بارض قومي فاجدني اعافه“ قال خالد فاجتررته“ فاكلته“ ورسول الله صلى الله عليه وسلم ينظر.
৫৫৩৭. খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মাইমূনাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে গেলেন। সেখানে ভুনা করা দব্ব পরিবেশন করা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে দিকে হাত বাড়ালেন। এ সময় এক মহিলা বললঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানিয়ে দাও, তিনি কী জিনিস খেতে যাচ্ছেন। তখন তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! এটি দব্ব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুনে হাত তুলে নিলেন। খালিদ(রাঃ) বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! এটি কি হারাম। তিনি বললেনঃ না, হারাম নয়। তবে আমাদের এলাকায় এটি নেই। তাই আমি একে অপছন্দ করি। খালিদ(রাঃ) বলেনঃ এরপর আমি তা আমার দিকে এনে খেতে লাগলাম। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছিলেন। [৫৩৯১; মুসলিম ৩৪/৭, হাঃ ১৯৪৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২৬)
হাদিস নং: ৫৫৩৮
সহিহ (Sahih)
الحميدي حدثنا سفيان حدثنا الزهري قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة انه“ سمع ابن عباس يحدثه“ عن ميمونة ان فارة وقعت في سمن فماتت فسىل النبي صلى الله عليه وسلم عنها فقال القوها وما حولها وكلوه“ قيل لسفيان فان معمرا يحدثه“ عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة قال ما سمعت الزهري يقول الا عن عبيد الله عن ابن عباس عن ميمونة عن النبي صلى الله عليه وسلم ولقد سمعته“ منه“ مرارا.
৫৫৩৮. মাইমূনাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। একটি ইঁদুর ঘিয়ের মধ্যে পড়ে মরে গিয়েছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ ইঁদুরটি এবং তার আশে-পাশের অংশ ফেলে দাও। তারপর তা খাও।
সুফ্ইয়ান (রহ.)-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হয় যে, মা’মার এ হাদীসটি যুহরী, সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব, আবূ হুরাইরাহ -এর সনদে বর্ণনা করেন। তিনি বললেনঃ আমি যুহরী (রহ.)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি ’উবাইদুল্লাহ, ইবনু ’আব্বাস, মাইমূনাহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করছেন। তিনি আরো বলেন যে, আমি যুহরী থেকে উক্ত সনদে এ হাদীসটি কয়েকবার শুনেছি। [২৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২৭)
সুফ্ইয়ান (রহ.)-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হয় যে, মা’মার এ হাদীসটি যুহরী, সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব, আবূ হুরাইরাহ -এর সনদে বর্ণনা করেন। তিনি বললেনঃ আমি যুহরী (রহ.)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি ’উবাইদুল্লাহ, ইবনু ’আব্বাস, মাইমূনাহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করছেন। তিনি আরো বলেন যে, আমি যুহরী থেকে উক্ত সনদে এ হাদীসটি কয়েকবার শুনেছি। [২৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২৭)
হাদিস নং: ৫৫৩৯
সহিহ (Sahih)
عبدان اخبرنا عبد الله عن يونس عن الزهري عن الدابة تموت في الزيت والسمن وهو جامد او غير جامد الفارة او غيرها قال بلغنا ان رسول الله صلى الله عليه وسلم امر بفارة ماتت في سمن فامر بما قرب منها فطرح ثم اكل عن حديث عبيد الله بن عبد الله.
৫৫৩৯. যুহরী (রহ.)-থেকে জিজ্ঞেস করা হয় জমাট কিংবা তরল তেল বা ঘিয়ের মধ্যে ইঁদুর ইত্যাদি জীব পড়ে মারা গেলে তার কী নির্দেশ? তিনি বললেনঃ আমাদের কাছে উবাইদুল্লাহ ইবনু ’আবদুল্লাহ সূত্রে হাদীস পৌঁছেছে যে, ঘিয়ের মধ্যে পড়ে একটি ইঁদুর মারা গিয়েছিল, সেটি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ দিয়েছিলেন, ইঁদুর ও এর নিকটবর্তী অংশ ফেলে দিতে, এরপর তা ফেলে দেয়া হয় এবং খাওয়া হয়। [২৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২৮)
হাদিস নং: ৫৫৪০
সহিহ (Sahih)
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس عن ميمونة قالت سىل النبي صلى الله عليه وسلم عن فارة سقطت في سمن فقال القوها وما حولها وكلوه.
৫৫৪০. মাইমূনাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল এমন একটি ইঁদুর সম্পর্কে যা ঘিয়ের মধ্যে পড়েছিল। তখন তিনি বলেছিলেনঃ ওটি এবং তার আশ-পাশের অংশ ফেলে দাও, তারপর খাও। [২৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২৯)
হাদিস নং: ৫৫৪১
সহিহ (Sahih)
عبيد الله بن موسى عن حنظلة عن سالم عن ابن عمر انه“ كره ان تعلم الصورة وقال ابن عمر نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان تضرب تابعه“ قتيبة حدثنا العنقزي عن حنظلة وقال تضرب الصورة.
৫৫৪১. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি জানোয়ারের মুখে চিহ্ন লাগানোকে অপছন্দ করতেন। ইবনু ’উমার (রাঃ) আরো বলেছেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানোয়ারের মুখে মারতে নিষেধ করেছেন। আনকাযী (রহ.) হানযালী সূত্রে কুতাইবাহ (রহ.) এরকমই বর্ণনা করেন। তিনি বলনঃ تُضْرَبُ الصُّورَةُ অর্থাৎ চেহারায় মারতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩০)
হাদিস নং: ৫৫৪২
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا شعبة عن هشام بن زيد عن انس قال دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم باخ لي يحنكه“ وهو في مربد له“ فرايته“ يسم شاة حسبته“ قال في اذانها.
৫৫৪২. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার এক ভাইকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম, যেন তিনি তাকে তাহনীক করেন অর্থাৎ খেজুর বা অন্য কিছু একবার চিবিয়ে তার মুখে দিয়ে দেন। এ সময়ে তিনি তাঁর উট বাঁধার জায়গায় ছিলেন। তখন আমি তাঁকে দেখলাম তিনি একটি বক্রীর গায়ে চিহ্ন লাগাচ্ছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি (হিশাম) বলেছেনঃ ’বকরীর কানে চিহ্ন লাগাচ্ছেন’। [১৫০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩১)
হাদিস নং: ৫৫৪৩
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا ابو الاحوص حدثنا سعيد بن مسروق عن عباية بن رفاعة عن ابيه عن جده„ رافع بن خديج قال قلت للنبي صلى الله عليه وسلم اننا نلقى العدو غدا وليس معنا مدى فقال ما انهر الدم وذكر اسم الله فكلوه“ ما لم يكن سن ولا ظفر وساحدثكم عن ذ‘لك اما السن فعظم واما الظفر فمدى الحبشة وتقدم سرعان الناس فاصابوا من الغناىم والنبي صلى الله عليه وسلم في اخر الناس فنصبوا قدورا فامر بها فاكفىت وقسم بينهم وعدل بعيرا بعشر شياه ثم ند بعير من اواىل القوم ولم يكن معهم خيل فرماه“ رجل بسهم فحبسه الله فقال ان لهذه البهاىم اوابد كاوابد الوحش فما فعل منها هذا فافعلوا مثل هذا.
لحَدِيثِ رَافِعٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ طَاوُسٌ وَعِكْرِمَةُ فِي ذَبِيحَةِ السَّارِقِ اطْرَحُوهُ.
চোরের যবাহকৃত পশুর ব্যাপারে তাউস ও ’ইকরিমাহ (রহ.) বলেছেন, তা ফেলে দাও।
৫৫৪৩. রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম। আগামী দিন আমরা শত্রুর সম্মুখীন হব অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। তিনি বললেনঃ সতর্ক দৃষ্টি রাখ কিংবা তিনি বলেছেন, জলদি কর। যে জিনিস রক্ত প্রবাহিত করে এবং যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয়, সেটি খাও। যতক্ষণ না সেটি দাঁত কিংবা নখ হয়। এ ব্যাপারে তোমাদের জানাচ্ছি, দাঁত হল হাড়, আর নখ হল হাবশীদের ছুরি। দলের দ্রুতগতি লোকেরা আগে বেড়ে গেল এবং গনীমতের মালামাল লাভ করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন লোকজনের পেছনে। তারা ডেকচি চড়িয়ে দিল।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে তা উল্টে দেয়ার আদেশ দিলেন, তারপর সেগুলো উল্টে দেয়া হল। এরপর তিনি তাদের মধ্যে মালে গনীমত বণ্টন করলেন এবং দশটি বক্রীকে একটি উটের সমান গণ্য করলেন। দলের অগ্রভাগের নিকট হতে একটি উট ছুটে গিয়েছিল। অথচ তাদের সঙ্গে কোন অশ্বারোহী ছিল না। এ অবস্থায় এক ব্যক্তি উটটির দিকে তীর ছুঁড়লে আল্লাহ উটটিকে থামিয়ে দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সকল চতুষ্পদ জীবের মধ্যে বন্য পশুর স্বভাব আছে। কাজেই, এগুলোর কোনটি যদি এমন করে, তাহলে তার সঙ্গে এরকমই ব্যবহার করবে। [২৪৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩২)
চোরের যবাহকৃত পশুর ব্যাপারে তাউস ও ’ইকরিমাহ (রহ.) বলেছেন, তা ফেলে দাও।
৫৫৪৩. রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম। আগামী দিন আমরা শত্রুর সম্মুখীন হব অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। তিনি বললেনঃ সতর্ক দৃষ্টি রাখ কিংবা তিনি বলেছেন, জলদি কর। যে জিনিস রক্ত প্রবাহিত করে এবং যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয়, সেটি খাও। যতক্ষণ না সেটি দাঁত কিংবা নখ হয়। এ ব্যাপারে তোমাদের জানাচ্ছি, দাঁত হল হাড়, আর নখ হল হাবশীদের ছুরি। দলের দ্রুতগতি লোকেরা আগে বেড়ে গেল এবং গনীমতের মালামাল লাভ করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন লোকজনের পেছনে। তারা ডেকচি চড়িয়ে দিল।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে তা উল্টে দেয়ার আদেশ দিলেন, তারপর সেগুলো উল্টে দেয়া হল। এরপর তিনি তাদের মধ্যে মালে গনীমত বণ্টন করলেন এবং দশটি বক্রীকে একটি উটের সমান গণ্য করলেন। দলের অগ্রভাগের নিকট হতে একটি উট ছুটে গিয়েছিল। অথচ তাদের সঙ্গে কোন অশ্বারোহী ছিল না। এ অবস্থায় এক ব্যক্তি উটটির দিকে তীর ছুঁড়লে আল্লাহ উটটিকে থামিয়ে দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সকল চতুষ্পদ জীবের মধ্যে বন্য পশুর স্বভাব আছে। কাজেই, এগুলোর কোনটি যদি এমন করে, তাহলে তার সঙ্গে এরকমই ব্যবহার করবে। [২৪৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩২)
হাদিস নং: ৫৫৪৪
সহিহ (Sahih)
محمد بن سلام اخبرنا عمر بن عبيد الطنافسي عن سعيد بن مسروق عن عباية بن رفاعة عن جده„ رافع بن خديج قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فند بعير من الابل قال فرماه“ رجل بسهم فحبسه“ قال ثم قال ان لها اوابد كاوابد الوحش فما غلبكم منها فاصنعوا به„ هكذا قال قلت يا رسول الله انا نكون في المغازي والاسفار فنريد ان نذبح فلا تكون مدى قال ارن ما نهر او انهر الدم وذكر اسم الله فكل غير السن والظفر فان السن عظم والظفر مدى الحبشة.
৫৫৪৪. রাফী’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সফরে আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। তখন উটগুলোর মধ্য থেকে একটি উট পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, তখন এক ব্যক্তি সেটির দিকে তীর ছুঁড়লে আল্লাহ সেটিকে থামিয়ে দেন। তিনি বলেন, এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সব পশুর মধ্যে বন্য পশুর স্বভাব আছে। সুতরাং তার মধ্যে কোনটি তোমাদের উপর বেয়াড়া হয়ে উঠলে তার সঙ্গে সেরকমই ব্যবহার কর। তিনিবলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা অনেক সময় যুদ্ধ অভিযানে বা সফরে থাকি, যবেহ করতে ইচ্ছা করি কিন্তু ছুরি থাকে না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আঘাত করো এমন বস্ত্ত দিয়ে যা রক্ত ঝরায় অথবা তিনি বলেছেনঃ এমন বস্ত্ত দিয়ে যা রক্ত ঝরায় এবং যার উপরে আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে সেটি খাও, তবে দাঁত ও নখ বাদে। কারণ দাঁত হল হাড়, আর নখ হল হাবশীদের ছুরি। আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩৩)
72/38. بَاب إِذَا أَكَلَ الْمُضْطَرُّ
৭২/৩৮. অধ্যায়ঃ নিরুপায় ব্যক্তির খাওয়া।
لِقَوْلِ اللهِ تَعَالٰى :لِقَوْلِهِ تَعَالَى: (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَاشْكُرُوا لِلَّهِ إِنْ كُنْتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنْزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلاَ عَادٍ فَلاَ إِثْمَ عَلَيْهِ)، وَقَالَ: (فَمَنِ اضْطُرَّ فِي مَخْمَصَةٍ غَيْرَ مُتَجَانِفٍ لإِثْمٍ) وَقَوْلُهُ: (فَكُلُوا مِمَّا ذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كُنْتُمْ بِآيَاتِهِ مُؤْمِنِينَ وَمَا لَكُمْ أَنْ لاَ تَأْكُلُوا مِمَّا ذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَقَدْ فُصِّلَ لَكُمْ مَا حُرِّمَ عَلَيْكُمْ إِلاَّ مَا اضْطُرِرْتُمْ إِلَيْهِ وَإِنَّ كَثِيرًا لَيُضِلُّونَ بِأَهْوَائِهِمْ بِغَيْرِ عِلْمٍ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِالْمُعْتَدِينَ)، (قُلْ لاَ أَجِدُ فِيمَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَى طَاعِمٍ يَطْعَمُهُ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ مَيْتَةً أَوْ دَمًا مَسْفُوحًا أَوْ لَحْمَ خِنْزِيرٍ فَإِنَّهُ رِجْسٌ أَوْ فِسْقًا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلاَ عَادٍ فَإِنَّ رَبَّكَ غَفُورٌ رَحِيمٌ).
وَقَالَ: (فَكُلُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّهُ حَلاَلاً طَيِّبًا وَاشْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ إِنْ كُنْتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنْزِيرِ وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلاَ عَادٍ فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ).
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ হে মু’মিনগণ! আমার দেয়া পবিত্র বস্তুগুলো খেতে থাক এবং আল্লাহর উদ্দেশে শোকর করতে থাক, যদি তোমরা তাঁরই উপাসক হও-নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি হারাম করেছেন মৃত-জীব, রক্ত এবং শূকরের মাংস এবং সেই দ্রব্য যার প্রতি আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম নেয়া হয়েছে, কিন্তু যে ব্যক্তি বাধ্য হয়ে বিদ্রোহী না হয়ে এবং সীমা অতিক্রম না করে তা গ্রহণ করবে, তার কোন গুনাহ নেই- (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৭২-১৭৩)। আল্লাহ আরো বলেনঃ তবে কেউ পাপ করার প্রবণতা ব্যতীত ক্ষুধার জ্বালায় নিষিদ্ধ বস্তু খেতে) বাধ্য হলে....... (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/৩)। আল্লাহ আরো বলেন ঃ কাজেই যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে তা তোমরা খাও যদি তাঁর নিদর্শনাবলীতে তোমরা বিশ্বাসী হয়ে থাক- তোমাদের কী হয়েছে যে, যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে তা তোমরা খাবে না? তোমাদের জন্য যা হারাম করা হয়েছে তা তোমাদের জন্য বিশদভাবে বাতলে দেয়া হয়েছে, তবে যদি তোমরা নিরুপায় হও (তবে ততটুকু নিষিদ্ধ বস্তু খেতে পার যাতে প্রাণে বাঁচতে পার), কিন্তু অনেক লোকই অজ্ঞানতাবশতঃ তাদের খেয়াল খুশী দ্বারা অবশ্যই (অন্যদেরকে) পথভ্রষ্ট করে, তোমার প্রতিপালক সীমালঙ্ঘনকারীদের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অবগত- (সূরাহ আল-আন’আম ৬/১১৮-১১৯)।
আল্লাহ আরো বলেনঃ বল, আমার প্রতি যে ওয়াহী করা হয়েছে তাতে মানুষ যা আহার করে তার কিছুই নিষিদ্ধ পাই না মৃত, প্রবহমান রক্ত ও শূকরের মাংস ছাড়া। কারণ তা অপবিত্র অথবা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে যবহ করার ফাসিকী কাজ। কিন্তু কেউ অবাধ্য না হয়ে বা সীমালঙ্ঘন না করে নিরুপায় হলে তোমার প্রতিপালক তো বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরাহ আল-আন’আম ৬/১৪৫)
আল্লাহ আরো বলেনঃ কাজেই আল্লাহ তোমাদেরকে যে সকল বৈধ পবিত্র রিযক দিয়েছেন তা তোমরা খাও আর আল্লাহর অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায় কর যদি তোমরা প্রকৃতই তাঁর বন্দেগী করতে ইচ্ছুক হও। আল্লাহ তোমাদের জন্য হারাম করেছেন মৃত জীব, রক্ত, শূকরের মাংস আর যা যবেহ করার সময় আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম নেয়া হয়েছে। কিন্তু কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অবাধ্য না হয়ে ও সীমালঙ্ঘন না করে নিতান্ত নিরুপায় হয়ে এসব খেতে বাধ্য) হলে আল্লাহ তো বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু। সূরাহ নাহল ১৬/১১৪-১১৫)
72/38. بَاب إِذَا أَكَلَ الْمُضْطَرُّ
৭২/৩৮. অধ্যায়ঃ নিরুপায় ব্যক্তির খাওয়া।
لِقَوْلِ اللهِ تَعَالٰى :لِقَوْلِهِ تَعَالَى: (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَاشْكُرُوا لِلَّهِ إِنْ كُنْتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنْزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلاَ عَادٍ فَلاَ إِثْمَ عَلَيْهِ)، وَقَالَ: (فَمَنِ اضْطُرَّ فِي مَخْمَصَةٍ غَيْرَ مُتَجَانِفٍ لإِثْمٍ) وَقَوْلُهُ: (فَكُلُوا مِمَّا ذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كُنْتُمْ بِآيَاتِهِ مُؤْمِنِينَ وَمَا لَكُمْ أَنْ لاَ تَأْكُلُوا مِمَّا ذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَقَدْ فُصِّلَ لَكُمْ مَا حُرِّمَ عَلَيْكُمْ إِلاَّ مَا اضْطُرِرْتُمْ إِلَيْهِ وَإِنَّ كَثِيرًا لَيُضِلُّونَ بِأَهْوَائِهِمْ بِغَيْرِ عِلْمٍ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِالْمُعْتَدِينَ)، (قُلْ لاَ أَجِدُ فِيمَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَى طَاعِمٍ يَطْعَمُهُ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ مَيْتَةً أَوْ دَمًا مَسْفُوحًا أَوْ لَحْمَ خِنْزِيرٍ فَإِنَّهُ رِجْسٌ أَوْ فِسْقًا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلاَ عَادٍ فَإِنَّ رَبَّكَ غَفُورٌ رَحِيمٌ).
وَقَالَ: (فَكُلُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّهُ حَلاَلاً طَيِّبًا وَاشْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ إِنْ كُنْتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنْزِيرِ وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلاَ عَادٍ فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ).
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ হে মু’মিনগণ! আমার দেয়া পবিত্র বস্তুগুলো খেতে থাক এবং আল্লাহর উদ্দেশে শোকর করতে থাক, যদি তোমরা তাঁরই উপাসক হও-নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি হারাম করেছেন মৃত-জীব, রক্ত এবং শূকরের মাংস এবং সেই দ্রব্য যার প্রতি আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম নেয়া হয়েছে, কিন্তু যে ব্যক্তি বাধ্য হয়ে বিদ্রোহী না হয়ে এবং সীমা অতিক্রম না করে তা গ্রহণ করবে, তার কোন গুনাহ নেই- (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৭২-১৭৩)। আল্লাহ আরো বলেনঃ তবে কেউ পাপ করার প্রবণতা ব্যতীত ক্ষুধার জ্বালায় নিষিদ্ধ বস্তু খেতে) বাধ্য হলে....... (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/৩)। আল্লাহ আরো বলেন ঃ কাজেই যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে তা তোমরা খাও যদি তাঁর নিদর্শনাবলীতে তোমরা বিশ্বাসী হয়ে থাক- তোমাদের কী হয়েছে যে, যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে তা তোমরা খাবে না? তোমাদের জন্য যা হারাম করা হয়েছে তা তোমাদের জন্য বিশদভাবে বাতলে দেয়া হয়েছে, তবে যদি তোমরা নিরুপায় হও (তবে ততটুকু নিষিদ্ধ বস্তু খেতে পার যাতে প্রাণে বাঁচতে পার), কিন্তু অনেক লোকই অজ্ঞানতাবশতঃ তাদের খেয়াল খুশী দ্বারা অবশ্যই (অন্যদেরকে) পথভ্রষ্ট করে, তোমার প্রতিপালক সীমালঙ্ঘনকারীদের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অবগত- (সূরাহ আল-আন’আম ৬/১১৮-১১৯)।
আল্লাহ আরো বলেনঃ বল, আমার প্রতি যে ওয়াহী করা হয়েছে তাতে মানুষ যা আহার করে তার কিছুই নিষিদ্ধ পাই না মৃত, প্রবহমান রক্ত ও শূকরের মাংস ছাড়া। কারণ তা অপবিত্র অথবা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে যবহ করার ফাসিকী কাজ। কিন্তু কেউ অবাধ্য না হয়ে বা সীমালঙ্ঘন না করে নিরুপায় হলে তোমার প্রতিপালক তো বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরাহ আল-আন’আম ৬/১৪৫)
আল্লাহ আরো বলেনঃ কাজেই আল্লাহ তোমাদেরকে যে সকল বৈধ পবিত্র রিযক দিয়েছেন তা তোমরা খাও আর আল্লাহর অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায় কর যদি তোমরা প্রকৃতই তাঁর বন্দেগী করতে ইচ্ছুক হও। আল্লাহ তোমাদের জন্য হারাম করেছেন মৃত জীব, রক্ত, শূকরের মাংস আর যা যবেহ করার সময় আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম নেয়া হয়েছে। কিন্তু কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অবাধ্য না হয়ে ও সীমালঙ্ঘন না করে নিতান্ত নিরুপায় হয়ে এসব খেতে বাধ্য) হলে আল্লাহ তো বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু। সূরাহ নাহল ১৬/১১৪-১১৫)