অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৭৩/১. কুরবানীর বিধান।
মোট ৩০ টি হাদিস
হাদিস নং: ৫৫৬৫ সহিহ (Sahih)
قتيبة حدثنا ابو عوانة عن قتادة عن انس قال ضحى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين املحين اقرنين ذبحهما بيده„ وسمى وكبر ووضع رجله“ على صفاحهما.
৫৫৬৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু’টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ’বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তেসেই দু’টিকে যবেহ করেন। [৫৫৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৪)
হাদিস নং: ৫৫৬৬ সহিহ (Sahih)
احمد بن محمد اخبرنا عبد الله اخبرنا اسماعيل عن الشعبي عن مسروق انه“ اتى عاىشة فقال لها يا ام المومنين ان رجلا يبعث بالهدي الى الكعبة ويجلس في المصر فيوصي ان تقلد بدنته“ فلا يزال من ذلك اليوم محرما حتى يحل الناس قال فسمعت تصفيقها من وراء الحجاب فقالت لقد كنت افتل قلاىد هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فيبعث هديه“ الى الكعبة فما يحرم عليه مما حل للرجال من اهله„ حتى يرجع الناس.
৫৫৬৬. মাসরূক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ’আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে উম্মুল মু’মিনীন! কোন ব্যক্তি যদি কা’বার উদ্দেশে হাদী কুরবানীর পশু) পাঠিয়ে দেয় এবং নিজে আপন শহরে অবস্থান করে নির্দেশ দেয় যে, তার হাদীকে যেন মালা পরিয়ে নেয়া হয়, তাহলে সেদিন থেকে লোকদের হালাল হওয়া পর্যন্ত কি সে ব্যক্তির ইহরামের হালাতে থাকতে হবে? মাসরূক বলেনঃ তখন আমি পর্দার আড়াল থেকে তাঁর [’আয়িশাহ (রাঃ)] হাতের উপর হাত মারার শব্দ শুনলাম। তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীর কুরবানীর পশু) গলায় রশি পাকিয়ে পরিয়ে দিতাম। এরপর তিনি হাদীকে কা’বার উদ্দেশে প্রেরণ করতেন। তখন স্বামী-স্ত্রীর বৈধ কাজ, লোকেরা ফিরে আসা পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর হারাম হত না। [১৬৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৫)
হাদিস নং: ৫৫৬৭ সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال عمرو اخبرني عطاء سمع جابر بن عبد الله قال كنا نتزود لحوم الاضاحي على عهد النبي صلى الله عليه وسلم الى المدينة وقال غير مرة لحوم الهدي.
৫৫৬৭. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমরা মদিনায় ফিরে আসা পর্যন্ত কুরবানীর মাংস সঞ্চয় করে রাখতাম। রাবী সুফ্ইয়ান ইবনু ’উইয়াইনাহ একাধিকবার لُحُومَ الأَضَاحِيِّ এর জায়গায় لُحُومُ الْهَدْيِ বলেছেন। [১৭১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৬)
হাদিস নং: ৫৫৬৮ সহিহ (Sahih)
اسماعيل قال حدثني سليمان عن يحيى بن سعيد عن القاسم ان ابن خباب اخبره“ انه“ سمع ابا سعيد يحدث انه“ كان غاىبا فقدم فقدم اليه لحم قالوا هذا من لحم ضحايانا فقال اخروه“ لا اذوقه“ قال ثم قمت فخرجت حتى اتي اخي ابا قتادة وكان اخاه“ لا÷مه„ وكان بدريا فذكرت ذ‘لك له“ فقال انه“ قد حدث بعدك امر.
৫৫৬৮. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি (দীর্ঘদিন) বাইরে ছিলেন। পরে ফিরে আসলে তাঁর সম্মুখে মাংস পেশ করা হল। তিনি বললেনঃ এটি কি আমাদের কুরবানীর মাংস? এরপর তিনি বললেনঃ এটি সরিয়ে দাও, আমি তা খাব না। তিনি বলেন, এরপর আমি উঠে গেলাম এবং বেরিয়ে গিয়ে আমার ভাই আবূ ক্বাতাদাহ ইবনু নু’মান-এর নিকট এলাম। আবূ ক্বাতাদাহ ছিলেন তার বৈপিত্রেয় ভাই এবং তিনি ছিলেন বাদরী সাহাবী। (তিনি বলেন) অতঃপর বিষয়টি আমি তাকে জানালে তিনি বললেনঃ তোমার অনুপস্থিতির সময় এরূপ বিধান চালু হয়েছে। [৩৯৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৭)
হাদিস নং: ৫৫৬৯ সহিহ (Sahih)
ابو عاصم عن يزيد بن ابي عبيد عن سلمة بن الاكوع قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من ضحى منكم فلا يصبحن بعد ثالثة وبقي في بيته„ منه“ شيء فلما كان العام المقبل قالوا يا رسول الله نفعل كما فعلنا عام الماضي قال كلوا واطعموا وادخروا فان ذ‘لك العام كان بالناس جهد فاردت ان تعينوا فيها.
৫৫৬৯. সালামাহ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের যে লোক কুরবানী করেছে, সে যেন তৃতীয় দিনে এমন অবস্থায় সকাল অতিবাহিত না করে যে, তার ঘরে কুরবানীর গোশ্ত কিছু থেকে যায়। পরবর্তী বছর আসলে, সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তেমন করব, যেমন গত বছর করেছিলাম? তখন তিনি বললেনঃ তোমরা নিজেরা খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং সঞ্চয় করে রাখ, কারণ গত বছর মানুষের মধ্যে ছিল অনটন। তাই আমি চেয়েছিলাম, তোমরা তাতে সহযোগিতা কর। [মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৮)
হাদিস নং: ৫৫৭০ সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل بن عبد الله، قال حدثني اخي، عن سليمان، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة بنت عبد الرحمن، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت الضحية كنا نملح منه، فنقدم به الى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم بالمدينة فقال ‏ "‏ لا تاكلوا الا ثلاثة ايام ‏"‏‏.‏ وليست بعزيمة، ولكن اراد ان يطعم منه والله اعلم‏.‏
৫৫৭০. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদিনা্য় অবস্থান কালে আমরা কুরবানীর মাংসের মধ্যে লবণ মিশিয়ে রেখে দিতাম। এরপর তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে পেশ করতাম। তিনি বলতেনঃ তোমরা তিন দিনের বেশি খাবে না। তবে এটি বড় ব্যাপার নয়। বরং তিনি তাত্থেকে অন্যদেরকেও খাওয়াতে চেয়েছেন। আল্লাহই বেশি জানেন। [৫৪২৩; মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭১, আহমাদ ২৪৩০৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৯)
হাদিস নং: ৫৫৭১ সহিহ (Sahih)
حبان بن موسى اخبرنا عبد الله قال اخبرني يونس عن الزهري قال حدثني ابو عبيد مولى ابن ازهر انه“ شهد العيد يوم الاضحى مع عمر بن الخطاب فصلى قبل الخطبة ثم خطب الناس فقال يا ايها الناس ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد نهاكم عن صيام هذين العيدين اما احدهما فيوم فطركم من صيامكم واما الاخر فيوم تاكلون من نسككم.
৫৫৭১. ইবনু আযহাবের আযাদকৃত দাস আবূ ’উবায়দ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি ’উমার ইবনু খত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে কুরবানীর ঈদের দিন ঈদগাহে হাযির ছিলেন। ’উমার (রাঃ) খুতবার পূর্বে সালাত আদায় করেন। এরপর উপস্থিত জনতার সামনে খুতবা দেন। তখন তিনি বলেনঃ হে লোক সকল! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’ ঈদের দিনে সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন। তার মধ্যে একটি হল, তোমাদের সিয়াম ভঙ্গ করার দিন (অর্থাৎ ঈদুল ফিতর)। আর অন্যটি হল, এমন দিন যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুর মাংস খাবে। [১৯৯০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)
হাদিস নং: ৫৫৭২ সহিহ (Sahih)
قال ابو عبيد ثم شهدت العيد مع عثمان بن عفان فكان ذ‘لك يوم الجمعة فصلى قبل الخطبة ثم خطب فقال يا ايها الناس ان هذا يوم قد اجتمع لكم فيه عيدان فمن احب ان ينتظر الجمعة من اهل العوالي فلينتظر ومن احب ان يرجع فقد اذنت له.
৫৫৭২. আবূ ’উবায়দ বলেনঃ এরপর আমি ’উসমান ইবনু ’আফফান (রাঃ) এর সময়ও হাযির হয়েছি। সেদিন ছিল জুমু’আহর দিন। তিনি খুতবা দানের আগে সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি খুতবাহ্ দিতে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে লোক সকল! এটি এমন দিন, যে দিন তোমাদের জন্য দু’টি ঈদ একত্র হয়ে গেছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে আওয়ালী মদিনার চার মাইল পূর্বে অবস্থিত) এলাকার যে ব্যক্তি জুমু’আর সালাতের অপেক্ষা করতে চায়, সে যেন অপেক্ষা করে। আর যে ফিরে যেতে চায়, তার জন্য আমি অনুমতি প্রদান করলাম। [1] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)
নোট: [1] ঈদের খুতবা শোনা ঐচ্ছিক, কেউ ইচ্ছে করলে খুতবা না শুনেই ঈদের মাঠ ত্যাগ করতে পারে। যেমন স্পষ্ট সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছে ‘আবদুল্লাহ বিন সাইব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এ সঙ্গে ঈদের জন্য উপস্থিত হয়েছিলাম। আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায়ের পর ঘোষণা দিলেন, আমরা ঈদের সালাত পূর্ণ করে ফেলেছি, যে খুৎবার জন্য বসতে পছন্দ কর সে বস। আর যে চলে যাওয়া পছন্দ কর সে চলে যাও। সহীহ ইবনু মাজাহ ১২৯০, সহীহ আবূ দাউদ ১১৫৫, হাকিম ১০৯৩, দারাকুতনী ৩০, বাইহাকী আল-কুবরা ৬০১৯)

অনুরূপভাবে জুমু‘আহর দিনে ঈদ হলে সেদিন জুমু‘আহ সালাত আদায়ও ঐচ্ছিক। অর্থাৎ জুমু‘আহ মসজিদ হতে দূরবর্তী এলাকাবাসী নিজ নিজ ওয়াক্তিয়া মসজিদে ইচেছ করলে জুমু‘আর পরিবর্তে যুহরের সালাত আদায় করতে পারবে।
হাদিস নং: ৫৫৭৩ সহিহ (Sahih)
قال ابو عبيد ثم شهدته“ مع علي بن ابي طالب فصلى قبل الخطبة ثم خطب الناس فقال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهاكم ان تاكلوا لحوم نسككم فوق ثلاث وعن معمر عن الزهري عن ابي عبيد نحوه.
৫৫৭৩. আবূ ’উবায়দ বলেনঃ এরপর ঈদগাহে উপস্থিত হয়েছি ’আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-এর সময়ে। তিনি খুতবার আগে সালাত আদায় করেন। এরপর লোকজনের উদ্দেশে খুতবাহ দেন। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের কুরবানীর পশুর মাংস তিন দিনের বেশি সময় খেতে নিষেধ করেছেন। মা’মার, যুহরী, আবূ ’উবায়দ (রহ.) থেকে এরকমই বর্ণিত আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)
হাদিস নং: ৫৫৭৪ সহিহ (Sahih)
محمد بن عبد الرحيم اخبرنا يعقوب بن ابراهيم بن سعد عن ابن اخي ابن شهاب عن عمه„ ابن شهاب عن سالم عن عبد الله بن عمر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلوا من الاضاحي ثلاثا وكان عبد الله ياكل بالزيت حين ينفر من منى من اجل لحوم الهدي.
৫৫৭৪. ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরবানীর মাংস থেকে তোমরা তিন দিন পর্যন্ত খাও। ’আবদুল্লাহ (রাঃ) মিনা থেকে প্রত্যাবর্তন কালে কুরবানীর মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকার কারণে যায়তুন খাদ্য গ্রহণ করতেন। [মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬১)
অধ্যায় তালিকা