অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সহীহ বুখারী
৭৭/১. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘বল, ‘যে সব সৌন্দর্য-শোভামন্ডিত বস্তু ও পবিত্র জীবিকা তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন কে তা হারাম করল’?’’সূরাহ আল-আ‘রাফ ৭ঃ ৩২)
মোট ১৮৭ টি হাদিস
হাদিস নং: ৫৮৭০
সহিহ (Sahih)
اسحاق اخبرنا معتمر قال سمعت حميدا يحدث عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم كان خاتمه“ من فضة وكان فصه“ منه.
وقال يحيى بن ايوب حدثني حميد سمع انسا عن النبي صلى الله عليه وسلم.
وقال يحيى بن ايوب حدثني حميد سمع انسا عن النبي صلى الله عليه وسلم.
৫৮৭০. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আংটি ছিল রৌপ্যের। আর তার নাগিনাটিও ছিল রৌপ্যের।
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আইউব, হুমায়দ, আনাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও বর্ণনা করেছেন। [৬৫; মুসলিম ৩৭/১১, হাঃ ২০৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৩৯)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আইউব, হুমায়দ, আনাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও বর্ণনা করেছেন। [৬৫; মুসলিম ৩৭/১১, হাঃ ২০৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৩৯)
হাদিস নং: ৫৮৭১
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن مسلمة حدثنا عبد العزيز بن ابي حازم عن ابيه انه“ سمع سهلايقول جاءت امراة الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت جىت اهب نفسي فقامت طويلا فنظر وصوب فلما طال مقامها فقال رجل زوجنيها ان لم يكن لك بها حاجة قال عندك شيء تصدقها قال لا قال انظر فذهب ثم رجع فقال والله ان وجدت شيىا قال اذهب فالتمس ولو خاتما من حديد فذهب ثم رجع قال لا والله ولا خاتما من حديد وعليه ازار ما عليه رداء فقال اصدقها ازاري فقال النبي صلى الله عليه وسلم ازارك ان لبسته“ لم يكن عليك منه“ شيء وان لبسته“ لم يكن عليها منه“ شيء فتنحى الرجل فجلس فراه النبي صلى الله عليه وسلم موليا فامر به„ فدعي فقال ما معك من القران قال سورة كذا وكذا لسور عددها قال قد ملكتكها بما معك من القران.
৫৮৭১. সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললঃ আমি নিজেকে হিবা করে দেয়ার জন্যে এসেছি। এ কথা বলে সে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল। তিনি তাকালেন ও মাথা নীচু করে রাখলেন। মহিলাটির দাঁড়িয়ে থাকা দীর্ঘ হলে এক ব্যক্তি বললঃ আপনার যদি প্রয়োজন না থাকে, তবে একে আমার সঙ্গে বিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ তোমার কাছে মাহর দেয়ার মত কিছু আছে কি? সে বললঃ না। তিনি বললেনঃ খুঁজে দেখ। সে চলে গেল। কিছু সময় পর ফিরে এসে বললঃ আল্লাহর কসম! আমি কিছুই পেলাম না। তিনি বললেনঃ আবার যাও এবং খোঁজ করো, একটি লোহার আংটি হলেও (আন)। সে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে বললঃ কসম আল্লাহর! কিছুই পেলাম না, একটি লোহার আংটিও না। তার পরনে ছিল একটি মাত্র লুঙ্গি, তার উপর চাদর ছিল না।
সে আরয করলঃ আমি এ লুঙ্গিটি তাকে দান করে দেব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার লুঙ্গি যদি সে পরে তবে তোমার পরনে কিছুই থাকে না। আর যদি তুমি পর, তবে তার গায়ে এর কিছুই থাকে না। এরপর লোকটি একটু দূরে সরে গিয়ে বসে পড়ল। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখলেন যে, সে পিঠ ফিরিয়ে চলে যাচ্ছে। তখন তিনি তাকে ডাকার জন্যে হুকুম দিলেন। তাকে ডেকে আনা হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কি কুরআনের কিছু মুখস্থ আছে? সে বললঃ অমুক অমুক সূরা। সে সূরাগুলোকে গণনা করে শুনাল। তিনি বললেনঃ তোমার কাছে কুরআনের যা কিছু মুখস্থ আছে, তার পরিবর্তে মেয়ে লোকটিকে তোমার অধীনে দিয়ে দিলাম। [২৩১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪০)
সে আরয করলঃ আমি এ লুঙ্গিটি তাকে দান করে দেব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার লুঙ্গি যদি সে পরে তবে তোমার পরনে কিছুই থাকে না। আর যদি তুমি পর, তবে তার গায়ে এর কিছুই থাকে না। এরপর লোকটি একটু দূরে সরে গিয়ে বসে পড়ল। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখলেন যে, সে পিঠ ফিরিয়ে চলে যাচ্ছে। তখন তিনি তাকে ডাকার জন্যে হুকুম দিলেন। তাকে ডেকে আনা হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কি কুরআনের কিছু মুখস্থ আছে? সে বললঃ অমুক অমুক সূরা। সে সূরাগুলোকে গণনা করে শুনাল। তিনি বললেনঃ তোমার কাছে কুরআনের যা কিছু মুখস্থ আছে, তার পরিবর্তে মেয়ে লোকটিকে তোমার অধীনে দিয়ে দিলাম। [২৩১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪০)
হাদিস নং: ৫৮৭২
সহিহ (Sahih)
عبد الاعلى حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد عن قتادة عن انس بن مالك ان نبي الله صلى الله عليه وسلم اراد ان يكتب الى رهط او اناس من الاعاجم فقيل له“ انهم لا يقبلون كتابا الا عليه خاتم فاتخذ النبي صلى الله عليه وسلم خاتما من فضة نقشه“ محمد رسول الله فكاني بوبيص او ببصيص الخاتم في اصبع النبي صلى الله عليه وسلم او في كفه.
৫৮৭২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনারব একটি দলের কাছে বা কিছু লোকের কাছে পত্র লিখতে চাইলেন। তখন তাঁকে বলা হল যে, তারা এমন পত্র গ্রহণ করে না যার উপর মোহরাঙ্কিত থাকে না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রৌপ্যের একটি আংটি তৈরী করেন। তাতে অঙ্কিত ছিল مُحَمَّدٌ رَسُوْلُ اللهِ [বর্ণনাকারী আনাস বলেন] আমি যেন (এখনও) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আঙ্গুলে বা তাঁর হাতে সে আংটির ঔজ্জ্বল্য প্রত্যক্ষ করছি। [৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪১)
হাদিস নং: ৫৮৭৩
সহিহ (Sahih)
محمد بن سلام اخبرنا عبد الله بن نمير عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال اتخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم خاتما من ورق وكان في يده„ ثم كان بعد في يد ابي بكر ثم كان بعد في يد عمر ثم كان بعد في يد عثمان حتى وقع بعد في بىر اريس نقشه“ محمد رسول الله.
৫৮৭৩. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রৌপ্যের একটি আংটি তৈরী করেন। সেটি তাঁর হাতে ছিল। এরপর তা আবূ বকর (রাঃ)-এর হাতে আসে। অতঃপর তা ’উমার (রাঃ)-এর হাতে আসে। অতঃপর তা ’উসমান (রাঃ)-এর হাতে আসে। শেষ পর্যন্ত তা ’আরীস নামক এক কূপের মধ্যে পড়ে যায়। তাতে অঙ্কিত ছিল محَمَّدٌ رَسُوْل اللهِ। [৫৮৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪২)
হাদিস নং: ৫৮৭৪
সহিহ (Sahih)
ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا عبد العزيز بن صهيب عن انس قال صنع النبي صلى الله عليه وسلم خاتما قال انا اتخذنا خاتما ونقشنا فيه نقشا فلا ينقشن عليه احد قال فاني لار‘ى بريقه“ في خنصره.
৫৮৭৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি আংটি তৈরী করেন। তারপর তিনি বলেনঃ আমি একটি আংটি তৈরী করেছি এবং তাতে একটি নকশা করেছি। সুতরাং কেউ যেন নিজের আংটিতে নকশা না করে। তিনি (আনাস) বলেনঃ আমি যেন তাঁর কনিষ্ঠ আঙ্গুলে আংটিটির ঔজ্জ্বল্য প্রত্যক্ষ করছি। [৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৩)
হাদিস নং: ৫৮৭৫
সহিহ (Sahih)
ادم بن ابي اياس حدثنا شعبة عن قتادة عن انس بن مالك قال لما اراد النبي صلى الله عليه وسلم ان يكتب الى الروم قيل له“ انهم لن يقرءوا كتابك اذا لم يكن مختوما فاتخذ خاتما من فضة ونقشه“ محمد رسول الله فكانما انظر الى بياضه„ في يده„.
৫৮৭৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রোম সম্রাটের নিকট পত্র লিখতে মনস্থ করেন, তখন তাঁকে বলা হল, আপনার পত্র যদি মোহরাঙ্কিত না হয়, তবে তারা তা পাঠ করে না। এরপর তিনি রৌপ্যের একটি আংটি বানান এবং তাতে محَمَّدٌ رَسُوْل اللهِ খোদাই করা ছিল। [আনাস বলেন] আমি যেন (এখনও) তাঁর হাতে সে আংটির শুভ্রতা প্রত্যক্ষ করছি। [৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৪)
হাদিস নং: ৫৮৭৬
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا جويرية عن نافع ان عبد الله حدثه“ ان النبي صلى الله عليه وسلم اصطنع خاتما من ذهب وجعل فصه“ في بطن كفه„ اذا لبسه“ فاصطنع الناس خواتيم من ذهب فرقي المنبر فحمد الله واثنى عليه فقال اني كنت اصطنعته“ واني لا البسه“ فنبذه“ فنبذ الناس قال جويرية ولا احسبه“ الا قال في يده اليمنى.
৫৮৭৬. ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি তৈরী করেন। যখন তিনি তা পরিধান করতেন, তখন তার নাগিনা হাতের তালুর দিকে রাখতেন। লোকেরাও স্বর্ণের আংটি তৈরী শুরু করল। এরপর তিনি মিম্বরে আরোহণ করেন। আল্লাহর প্রশংসা ও গুণাবলী প্রকাশ করার পর বলেনঃ আমি এ আংটি তৈরী করেছিলাম। কিন্তু তা আর পরিধান করব না। এরপর তিনি তা ছুঁড়ে ফেলেন। লোকেরাও (তাদের আংটি) ছুঁড়ে ফেলল। [৫৮৬৫]
জুওয়ায়রিয়াহ (রহ.) বলেনঃ ’আমার ধারণা যে, বর্ণনাকারী (নাফি’) এ কথাও বলেছেন যে, আংটিটি তাঁর ডান হাতে ছিল। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৫)
জুওয়ায়রিয়াহ (রহ.) বলেনঃ ’আমার ধারণা যে, বর্ণনাকারী (নাফি’) এ কথাও বলেছেন যে, আংটিটি তাঁর ডান হাতে ছিল। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৫)
হাদিস নং: ৫৮৭৭
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا حماد عن عبد العزيز بن صهيب عن انس بن مالك ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتخذ خاتما من فضة ونقش فيه محمد رسول الله وقال اني اتخذت خاتما من ورق ونقشت فيه محمد رسول الله فلا ينقشن احد على نقشه„.
৫৮৭৭. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রৌপ্যের একটি আংটি তৈরী করেন। তাতে محَمَّدٌ رَسُوْل اللهِ এর নকশা অঙ্কন করেন। এরপর তিনি বলেনঃ আমি একটি রৌপ্যের আংটি বানিয়েছি এবং তাতে محَمَّدٌ رَسُوْل اللهِ এর নকশা অঙ্কন করেছি। সুতরাং কেউ যেন তার আংটিতে এ নকশা অঙ্কণ না করে। [৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৬)
হাদিস নং: ৫৮৭৮
সহিহ (Sahih)
محمد بن عبد الله الانصاري قال حدثني ابي عن ثمامة عن انس ان ابا بكر لما استخلف كتب له“ وكان نقش الخاتم ثلاثة اسطر محمد سطر ورسول سطر والله سطر.
৫৮৭৮. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। আবূ বকর (রাঃ) যখন খলীফা নির্বাচিত হন, তখন তিনি তাঁর [আনাস (রাঃ)-এর] কাছে (যাকাতের পরিমাণ সম্পর্কে) একটি পত্র লেখেন। আংটিটির নকশা তিন লাইনে ছিল। এক লাইনে ছিল مُحَمَّدُ এক লাইনে ছিল, رَسُوْل আর এক লাইনে ছিল اللهِ। [১৪৪৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৭)
হাদিস নং: ৫৮৭৯
সহিহ (Sahih)
قال ابو عبد الله وزادني احمد حدثنا الانصاري قال حدثني ابي عن ثمامة عن انس قال كان خاتم النبي صلى الله عليه وسلم في يده„ وفي يد ابي بكر بعده“ وفي يد عمر بعد ابي بكر فلما كان عثمان جلس على بىر اريس قال فاخرج الخاتم فجعل يعبث به„ فسقط قال فاختلفنا ثلاثة ايام مع عثمان فنزح البىر فلم يجده.
৫৮৭৯. আবূ ’আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) বলেনঃ আহমাদের সূত্রে আনাস থেকে এ কথা অতিরিক্ত বর্ণিত আছে। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আংটি (তাঁর জীবদ্দশায়) তাঁর হাতেই ছিল। তাঁর (মৃত্যুর) পরে তা আবূ বকর (রাঃ)-এর হাতে থাকে। আবূ বকর (রাঃ)-এর (ইন্তিকালের) পরে তা ’উমার (রাঃ)-এর হাতে থাকে। যখন ’উসমান (রাঃ)-এর কাল আসল, তখন (একবার) তিনি ঐ আংটি হাতে নিয়ে ’আরীস’ নামক কূপের উপর বসেন। আংটিটি বের করে নাড়াচাড়া করছিলেন। হঠাৎ তা (কূপের মধ্যে) পড়ে যায়। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তিনদিন যাবৎ ’উসমান (রাঃ)-এর সাথে তালাশ করলাম, কূপের পানি ফেলে দেয়া হলো, কিন্তু আংটিটি আর পেলাম না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৭)
হাদিস নং: ৫৮৮০
সহিহ (Sahih)
ابو عاصم اخبرنا ابن جريج اخبرنا الحسن بن مسلم عن طاوس عن ابن عباس شهدت العيد مع النبيصلى الله عليه وسلم فصلى قبل الخطبة قال ابو عبد الله وزاد ابن وهب عن ابن جريج فاتى النساء فجعلن يلقين الفتخ والخواتيم في ثوب بلال.
وَكَانَ عَلٰى عَائِشَةَ خَوَاتِيمُ ذَهَبٍ.
’আয়িশাহ (রাঃ)-এর স্বর্ণের কয়েকটি আংটি ছিল।
৫৮৮০. ইবনু ’আব্বাস হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে এক ঈদে হাজির ছিলাম। তিনি খুতবার আগেই সালাত আদায় করলেন।
আবূ ’আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) বলেনঃ ইবনু ওয়াহ্ব, ইবনু জুরায়জ থেকে এতটুকু অধিক বর্ণনা করেছেন যে, এরপর তিনি স্ত্রীলোকেদের নিকট আসেন। তাঁরা (সাদাকা হিসেবে) বিলাল -এর কাপড়ে মালা ও আংটি ফেলতে লাগল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৮)
’আয়িশাহ (রাঃ)-এর স্বর্ণের কয়েকটি আংটি ছিল।
৫৮৮০. ইবনু ’আব্বাস হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে এক ঈদে হাজির ছিলাম। তিনি খুতবার আগেই সালাত আদায় করলেন।
আবূ ’আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) বলেনঃ ইবনু ওয়াহ্ব, ইবনু জুরায়জ থেকে এতটুকু অধিক বর্ণনা করেছেন যে, এরপর তিনি স্ত্রীলোকেদের নিকট আসেন। তাঁরা (সাদাকা হিসেবে) বিলাল -এর কাপড়ে মালা ও আংটি ফেলতে লাগল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৮)
হাদিস নং: ৫৮৮১
সহিহ (Sahih)
محمد بن عرعرة حدثنا شعبة عن عدي بن ثابت عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم يوم عيد فصلى ركعتين لم يصل قبل ولا بعد ثم اتى النساء فامرهن بالصدقة فجعلت المراة تصدق بخرصها وسخابها.
৫৮৮১. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিনে বের হলেন এবং (ঈদের) দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। তার পূর্বে এবং পরে আর কোন নফল সালাত আদায় করেননি। তারপর তিনি মহিলাদের নিকট আসেন এবং তাদের সাদাকা করার জন্যে নির্দেশ দেন। মহিলারা তাদের হার ও মালা সাদাকা করতে থাকল। [৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৪৯)
হাদিস নং: ৫৮৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، حدثنا عبدة، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت هلكت قلادة لاسماء، فبعث النبي صلى الله عليه وسلم في طلبها رجالا، فحضرت الصلاة وليسوا على وضوء ولم يجدوا ماء، فصلوا وهم على غير وضوء، فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فانزل الله اية التيمم. زاد ابن نمير عن هشام عن ابيه عن عاىشة استعارت من اسماء.
৫৮৮২. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একবার কোন এক সফরে) আসমার একটি হার (আমার নিকট থেকে) হারিয়ে যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকজন পুরুষ লোককে তার খোঁজে পাঠান। এমন সময় সালাতের সময় উপস্থিত হয়। তাদের কারও অযু ছিল না এবং তারা পানিও পেল না। কাজেই অযু ছাড়াই তাঁরা সালাত আদায় করে নিলেন। (ফিরে এসে) তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলেন। তখন আল্লাহ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত অবতীর্ণ করলেন। [৩৩৪]
ইবনু নুমায়র হিশামের সূত্রে এ কথা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, ঐ হার ’আয়িশাহ আসমা থেকে ধার নিয়েছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫০)
ইবনু নুমায়র হিশামের সূত্রে এ কথা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, ঐ হার ’আয়িশাহ আসমা থেকে ধার নিয়েছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫০)
হাদিস নং: ৫৮৮৩
সহিহ (Sahih)
حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال اخبرني عدي قال سمعت سعيدا عن ابن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى يوم العيد ركعتين لم يصل قبلها ولا بعدها ثم اتى النساء ومعه“ بلال فامرهن بالصدقة فجعلت المراة تلقي قرطها.
وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَمَرَهُنَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالصَّدَقَةِ فَرَأَيْتُهُنَّ يَهْوِينَ إِلٰى آذَانِهِنَّ وَحُلُوقِهِنَّ.
ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) মহিলাদের সাদাকা করার নির্দেশ দেন। তখন আমি দেখলাম, তারা তাদের নিজ নিজ কান ও গলার দিকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
৫৮৮৩. ইবনু ’আব্বাস হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) ঈদের দিনে দু’রাকআত সালাত আদায় করেন। না এর আগে তিনি কোন সালাত আদায় করেন, না এর পরে। অতঃপর তিনি মহিলাদের কাছে আসেন, তখন তাঁর সাথে ছিলেন বিলাল তিনি মহিলাদেরকে সাদাকা করার নির্দেশ প্রদান করেন। তারা নিজেদের কানের দুল নিক্ষেপ করতে লাগল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫১)
ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) মহিলাদের সাদাকা করার নির্দেশ দেন। তখন আমি দেখলাম, তারা তাদের নিজ নিজ কান ও গলার দিকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
৫৮৮৩. ইবনু ’আব্বাস হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) ঈদের দিনে দু’রাকআত সালাত আদায় করেন। না এর আগে তিনি কোন সালাত আদায় করেন, না এর পরে। অতঃপর তিনি মহিলাদের কাছে আসেন, তখন তাঁর সাথে ছিলেন বিলাল তিনি মহিলাদেরকে সাদাকা করার নির্দেশ প্রদান করেন। তারা নিজেদের কানের দুল নিক্ষেপ করতে লাগল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫১)
হাদিস নং: ৫৮৮৪
সহিহ (Sahih)
اسحاق بن ابراهيم الحنظلي اخبرنا يحيى بن ادم حدثنا ورقاء بن عمر عن عبيد الله بن ابي يزيد عن نافع بن جبير عن ابي هريرة قال كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سوق من اسواق المدينة فانصرف فانصرفت فقال اين لكع ثلاثا ادع الحسن بن علي فقام الحسن بن علي يمشي وفي عنقه السخاب فقال النبي صلى الله عليه وسلم بيده„ هكذا فقال الحسن بيده„ هكذا فالتزمه“ فقال اللهم اني احبه“ فاحبه“ واحب من يحبه“ وقال ابو هريرة فما كان احد احب الي من الحسن بن علي بعد ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما قال.
৫৮৮৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মদিনার কোন এক বাজারে ছিলাম। তিনি (বাজার থেকে) ফিরলেন। আমিও ফিরলাম। তিনি বললেনঃ ছোট শিশুটি কোথায়? এ কথা তিনবার বললেন। হাসান ইবনু ’আলীকে ডাক। দেখা গেল হাসান ইবনু ’আলী হেঁটে চলেছে। তাঁর গলায় ছিল মালা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে তাঁর হাত উঠালেন। হাসানও এভাবে নিজের হাত উঠালো। তারপর তিনি তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আমি একে ভালবাসি, আপনিও তাকে ভালবাসুন এবং যে ব্যক্তি তাকে ভালবাসে, তাকেও আপনি ভালবাসুন। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ কথা বলার পর থেকে হাসান ইবনু ’আলীর চেয়ে অন্য কেউ আমার কাছে অধিকতর প্রিয় হয়নি। [২১২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫২)
হাদিস নং: ৫৮৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم المتشبهين من الرجال بالنساء، والمتشبهات من النساء بالرجال. تابعه عمرو اخبرنا شعبة.
৫৮৮৫. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ সব পুরুষকে লা’নত করেছেন যারা নারীর বেশ ধরে এবং ঐসব নারীকে যারা পুরুষের বেশ ধরে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫৩)
’আমরও এরকমই বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে শু’য়বা এ সংবাদ দিয়েছেন।
’আমরও এরকমই বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে শু’য়বা এ সংবাদ দিয়েছেন।
হাদিস নং: ৫৮৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا معاذ بن فضالة، حدثنا هشام، عن يحيى، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لعن النبي صلى الله عليه وسلم المخنثين من الرجال، والمترجلات من النساء وقال " اخرجوهم من بيوتكم ". قال فاخرج النبي صلى الله عليه وسلم فلانا، واخرج عمر فلانا.
৫৮৮৬. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষ হিজড়াদের উপর এবং পুরুষের বেশধারী মহিলাদের উপর লা’নত করেছেন। তিনি বলেছেনঃ ওদেরকে ঘর থেকে বের করে দাও। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অমুককে বের করেছেন এবং ’উমার (রাঃ) অমুককে বের করে দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫৪)
হাদিস নং: ৫৮৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا مالك بن اسماعيل، حدثنا زهير، حدثنا هشام بن عروة، ان عروة، اخبره ان زينب ابنة ابي سلمة اخبرته ان ام سلمة اخبرتها ان النبي صلى الله عليه وسلم كان عندها وفي البيت مخنث، فقال لعبد الله اخي ام سلمة يا عبد الله ان فتح لكم غدا الطاىف، فاني ادلك على بنت غيلان، فانها تقبل باربع وتدبر بثمان. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا يدخلن هولاء عليكن ". قال ابو عبد الله تقبل باربع وتدبر بثمان يعني اربع عكن بطنها، فهى تقبل بهن، وقوله وتدبر بثمان. يعني اطراف هذه العكن الاربع، لانها محيطة بالجنبين حتى لحقت وانما قال بثمان. ولم يقل بثمانية. وواحد الاطراف وهو ذكر، لانه لم يقل ثمانية اطراف.
৫৮৮৭. উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা তাঁর ঘরে ছিলেন। তখন ঐ ঘরে এক হিজড়া ছিল। সে উম্মু সালামাহর ভাই ’আবদুল্লাহকে বললঃ হে ’আবদুল্লাহ! আগামীকাল তায়েফের উপর যদি তোমরা জয়ী হও, তবে আমি তোমাকে বিন্ত গাইলানকে দেখাব। সে সামনের দিকে আসলে, (তার পেটে) চার ভাঁজ দেখা যায়। আর যখন সে পিছনের দিকে যায়, তখন (তার পিঠে) আট ভাঁজ দেখা যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওরা যেন তোমাদের কাছে কক্ষনো না আসে। [৪৩২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫৫)
হাদিস নং: ৫৮৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا المكي بن ابراهيم، عن حنظلة، عن نافع، قال اصحابنا عن المكي، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال " من الفطرة قص الشارب ".
وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُحْفِي شَارِبَهُ حَتَّى يُنْظَرَ إِلَى بَيَاضِ الْجِلْدِ، وَيَأْخُذُ هَذَيْنِ، يَعْنِي بَيْنَ الشَّارِبِ وَاللِّحْيَةِ.
ইবনু ’উমার (রাঃ) গোঁফ এত ছোট করতেন যে, চামড়ার শুভ্রতা দেখা যেত এবং তিনি গোঁফ ও দাড়ির মাঝের পশমও কেটে ফেলতেন।
৫৮৮৮. ইবনু ’উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ গোঁফ কেটে ফেলা ফিতরাত স্বভাবের) অন্তর্ভুক্ত। [৫৮৯০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫৬)
ইবনু ’উমার (রাঃ) গোঁফ এত ছোট করতেন যে, চামড়ার শুভ্রতা দেখা যেত এবং তিনি গোঁফ ও দাড়ির মাঝের পশমও কেটে ফেলতেন।
৫৮৮৮. ইবনু ’উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ গোঁফ কেটে ফেলা ফিতরাত স্বভাবের) অন্তর্ভুক্ত। [৫৮৯০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫৬)
হাদিস নং: ৫৮৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي، حدثنا سفيان، قال الزهري حدثنا عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، رواية " الفطرة خمس ـ او خمس من الفطرة ـ الختان، والاستحداد، ونتف الابط، وتقليم الاظفار، وقص الشارب ".
৫৮৮৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ফিতরাত (অর্থাৎ মানুষের জন্মগত স্বভাব) পাঁচটিঃ খাতনা করা, ক্ষুর ব্যবহার করা (নাভির নিম্নে), বগলের পশম উপড়ে ফেলা, নখ কাটা ও গোঁফ খাটো করা। [1] [৫৮৯১, ২৬৯৭; মুসলিম ২/১৬, হাঃ ২৫৭, আহমাদ ৭১৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৫৭)
নোট: [1]. গোঁফ ছোট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে এগুলো মুখের ভিতর এসে না পড়ে। গোঁফ বেশী দীর্ঘ হলে নাকের এবং বাইরের ময়লা মিশে মুখের ভিতরে ঢোকে। পানি পান করার সময় এবং আহারের সময় গোঁফে আটকানো নাকের ও বাইরের রোগজীবানু ও ময়লাগুলো মুখের ভিতরে প্রবেশ করে নানাবিধ রোগ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ইসলামে গোঁফ লম্বা করে রাখা নিষিদ্ধ। কেননা এটা স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার বিরোধীও বটে। যথাসময়ে গোঁফ কাটা, গুপ্তস্থানে ক্ষৌরকার্য্য করা, বগলের চুল ছেঁড়া ও নখ কাটা উচিত। ৪০ রাত বা দিন যেন অতিক্রম না করে সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেয়াও উচিত। কারণ রসূল এগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার সময় নির্ধারণ করতে গিয়ে বলেছেনঃ ৪০ রাত বা দিন যেন অতিক্রান্ত না হয় মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ্ ও আহমাদ)