হাদিস নং: ৬৩৬৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا موسى بن عقبة، قال سمعت ام خالد بنت خالد ـ قال ولم اسمع احدا سمع من النبي صلى الله عليه وسلم، غيرها ـ قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يتعوذ من عذاب القبر.
৬৩৬৪. মূসা ইবনু ’উকবাহ (রহ.) বর্ণনা করেছেন। উম্মু খালিদ বিন্তু খালিদ (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কবরের ’আযাব হতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি। রাবী বলেন যে, এ হাদীস আমি (উম্মু খালিদ) ছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আর কাউকে বলতে শুনিনি।[১৩৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১১)
হাদিস নং: ৬৩৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد الملك، عن مصعب، كان سعد يامر بخمس ويذكرهن عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم انه كان يامر بهن " اللهم اني اعوذ بك من البخل، واعوذ بك من الجبن، واعوذ بك ان ارد الى ارذل العمر، واعوذ بك من فتنة الدنيا يعني فتنة الدجال واعوذ بك من عذاب القبر ".
৬৩৬৫. মুস’আব (রহ.) বর্ণনা করেন, সা’দ (রাঃ) পাঁচটি জিনিস হতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ দিতেন এবং তিনি এগুলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উল্লেখ করতেন। তিনি এগুলো থেকে আল্লাহর আশ্রয় চেয়ে এ দু’আ পড়তে নির্দেশ দিতেনঃ হে আল্লাহ! আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আমি কাপুরুষতা হতে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আমি অবহেলিত বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আর আমি দুনিয়ার ফিতনা অর্থাৎ দাজ্জালের ফিতনা থেকেও আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আমি কবরের আযাব হতেও আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।[২৮২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১২)
হাদিস নং: ৬৩৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي واىل، عن مسروق، عن عاىشة، قالت دخلت على عجوزان من عجز يهود المدينة فقالتا لي ان اهل القبور يعذبون في قبورهم، فكذبتهما، ولم انعم ان اصدقهما، فخرجتا ودخل على النبي صلى الله عليه وسلم فقلت له يا رسول الله ان عجوزين وذكرت له، فقال " صدقتا، انهم يعذبون عذابا تسمعه البهاىم كلها ". فما رايته بعد في صلاة الا تعوذ من عذاب القبر.
৬৩৬৬. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার কাছে মদিনার দু’জন ইয়াহূদী বৃদ্ধা মহিলা আসলেন। তাঁরা আমাকে বললেন যে, কবরবাসীদের তাদের কবরে ’আযাব দেয়া হয়ে থাকে। তখন আমি তাদের এ কথা মিথ্যা বলে জানালাম। আমার বিবেক তাদের কথাটিকে সত্য বলে সায় দিল না। তাঁরা দু’জন বেরিয়ে গেলেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এলেন। আমি তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার নিকট দু’জন বৃদ্ধা এসেছিলেন। অতঃপর আমি তাঁকে তাদের কথা জানালাম। তখন তিনি বললেনঃ তারা দু’জন ঠিকই বলেছে। নিশ্চয়ই কবরবাসীদেরকে এমন আযাব দেয়া হয়, যা সকল চতুষ্পদ জীবজন্তু শুনে থাকে। এরপর থেকে আমি তাঁকে সব সময় প্রতি সালাতে কবরের ’আযাব হতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করতে দেখেছি।[১০৪৯; মুসলিম ৫/২৪, হাঃ ৫৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৩)
হাদিস নং: ৬৩৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، حدثنا المعتمر، قال سمعت ابي قال، سمعت انس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ يقول كان نبي الله صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم اني اعوذ بك من العجز والكسل، والجبن والهرم، واعوذ بك من عذاب القبر، واعوذ بك من فتنة المحيا والممات ".
৬৩৬৭. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই বলতেনঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা এবং অত্যধিক বার্ধক্য থেকে। আরও আশ্রয় প্রার্থনা করছি, কবরের আযাব হতে। আর আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা হতে।[২৮২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৪)
হাদিস নং: ৬৩৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا وهيب، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول " اللهم اني اعوذ بك من الكسل والهرم، والماثم والمغرم، ومن فتنة القبر وعذاب القبر، ومن فتنة النار وعذاب النار، ومن شر فتنة الغنى، واعوذ بك من فتنة الفقر، واعوذ بك من فتنة المسيح الدجال، اللهم اغسل عني خطاياى بماء الثلج والبرد، ونق قلبي من الخطايا، كما نقيت الثوب الابيض من الدنس، وباعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب ".
৬৩৬৮. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি অলসতা, অতিশয় বার্ধক্য, গুনাহ আর ঋণ থেকে, আর কবরের ফিতনা এবং কবরের শাস্তি হতে। আর জাহান্নামের ফিতনা এবং এর শাস্তি থেকে, আর ধনশালী হবার পরীক্ষার খারাপ পরিণতি থেকে। আমি আরও আশ্রয় চাচ্ছি দারিদ্রের অভিশাপ হতে। আমি আরও আশ্রয় চাচ্ছি মসীহ দাজ্জালের ফিতনা হতে। হে আল্লাহ! আমার গুনাহ-এর দাগগুলো থেকে আমার অন্তরকে বরফ ও শীতল পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে দিন এবং আমার অন্তরকে সমস্ত গুনাহ এর ময়লা থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করে দিন, যেভাবে আপনি শুভ্র বস্ত্রকে ময়লা থেকে পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করে থাকেন। আর আমার ও আমার গুনাহগুলোর মধ্যে এতটা দূরত্ব সৃষ্টি করে দিন, যতটা দূরত্ব আপনি দুনিয়ার পূর্ব ও পশ্চিম দিকের মধ্যে সৃষ্টি করেছেন।[৯৩২; মুসলিম ৫/২৫, হাঃ ৫৮৯, আহমাদ ২৪৬৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৫)
হাদিস নং: ৬৩৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا سليمان، قال حدثني عمرو بن ابي عمرو، قال سمعت انسا، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم اني اعوذ بك من الهم والحزن، والعجز والكسل، والجبن والبخل، وضلع الدين، وغلبة الرجال ".
৬৩৬৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই- দুশ্চিন্তা, পেরেশানী, অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, ঋণভার ও মানুষের প্রভাবাধীন হওয়া থেকে। (আধুনিক প্রকাশনী-৫৯২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৬)
হাদিস নং: ৬৩৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثني غندر، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن مصعب بن سعد، عن سعد بن ابي وقاص ـ رضى الله عنه ـ كان يامر بهولاء الخمس، ويحدثهن عن النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم اني اعوذ بك من البخل، واعوذ بك من الجبن، واعوذ بك ان ارد الى ارذل العمر، واعوذ بك من فتنة الدنيا، واعوذ بك من عذاب القبر ".
৬৩৭০. সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি পাঁচটি কার্য থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ দিতেন এবং তিনি তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই বর্ণনা করতেন। তিনি দু’আ করতেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কৃপণতা থেকে, আমি আশ্রয় চাচ্ছি কাপুরুষতা থেকে, আমি আশ্রয় চাচ্ছি অবহেলিত বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে, আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি দুনিয়ার বড় ফিতনা দাজ্জালের ফিতনা) থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের শাস্তি হতে।[২৮২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৭)
হাদিস নং: ৬৩৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعوذ يقول " اللهم اني اعوذ بك من الكسل، واعوذ بك من الجبن، واعوذ بك من الهرم، واعوذ بك من البخل ".
৬৩৭১. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ হে আল্লাহ! আমি অলসতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এবং আমি আপনার কাছে কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি আপনার কাছে আরও আশ্রয় চাচ্ছি বার্ধক্যের আতিশয্য থেকে এবং আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।[২৮২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৮)
হাদিস নং: ৬৩৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم حبب الينا المدينة، كما حببت الينا مكة او اشد، وانقل حماها الى الجحفة، اللهم بارك لنا في مدنا وصاعنا ".
৬৩৭২. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করতেনঃ হে আল্লাহ! আপনি যেভাবে মক্কাকে আমাদের জন্য প্রিয় করে দিয়েছেন, মদিনাকেও সেভাবে অথবা এর চেয়েও অধিক আমাদের কাছে প্রিয় করে দিন। আর মদিনার জ্বর ’জুহফা’র দিকে সরিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাপের ও ওযনের পাত্রে বারাকাত দান করুন।[১৮৮৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৯)
হাদিস নং: ৬৩৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا ابراهيم بن سعد، اخبرنا ابن شهاب، عن عامر بن سعد، ان اباه، قال عادني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع من شكوى، اشفيت منها على الموت، فقلت يا رسول الله بلغ بي ما ترى من الوجع، وانا ذو مال، ولا يرثني الا ابنة لي واحدة، افاتصدق بثلثى مالي قال " لا ". قلت فبشطره قال " الثلث كثير، انك ان تذر ورثتك اغنياء، خير من ان تذرهم عالة يتكففون الناس، وانك لن تنفق نفقة تبتغي بها وجه الله، الا اجرت، حتى ما تجعل في في امراتك ". قلت ااخلف بعد اصحابي قال " انك لن تخلف فتعمل عملا تبتغي به وجه الله، الا ازددت درجة ورفعة ولعلك تخلف حتى ينتفع بك اقوام، ويضر بك اخرون، اللهم امض لاصحابي هجرتهم، ولا تردهم على اعقابهم، لكن الباىس سعد ابن خولة ". قال سعد رثى له النبي صلى الله عليه وسلم من ان توفي بمكة.
৬৩৭৩. সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, বিদায় হাজ্জের সময় আমি রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী হয়ে পড়ছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে সময় আমাকে দেখতে এলেন। তখন আমি বললামঃ আমি যে রোগাক্রান্ত, তাতো আপনি দেখছেন। আমি একজন বিত্তবান লোক। আমার এক মেয়ে ব্যতীত কোন ওয়ারিস নেই। তাই আমি কি আমার দু’ তৃতীয়াংশ মাল সাদাকা করে দিতে পারি? তিনি বললেনঃ না। আমি বললামঃ তবে অর্ধেক মাল? তিনি বললেনঃ না। এক তৃতীয়াংশ অনেক। তোমার ওয়ারিশদের মানুষের কাছে ভিক্ষার হাত বাড়ানোর মত অভাবী রেখে যাবার চেয়ে তাদের বিত্তবান রেখে যাওয়া তোমার জন্য অনেক উত্তম। আর তুমি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যা কিছুই ব্যয় করবে নিশ্চয়ই তার প্রতিদান দেয়া হবে। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লুকমাটি তুলে দিয়ে থাকো, তোমাকে এর প্রতিদান দেয়া হবে।
আমি বললামঃ তা হলে আমার সঙ্গীগণের পরেও কি আমি বেঁচে থাকবো? তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই তুমি এদের পরে বেঁচে থাকলে তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যা কিছু নেক ’আমল করো না কেন, এর বদলে তোমার মর্যাদা ও সম্মান আরও বেড়ে যাবে। আশা করা যায় যে, তুমি আরও কিছু দিন বেঁচে থাকবে। এমনকি তোমার দ্বারা অনেক কাওম উপকৃত হবে। আর অনেক সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারপর তিনি দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আমার সাহাবীগণের হিজরতকে বহাল রাখুন। আর তাদের পেছনে ফিরে যেতে দেবেন না। কিন্তু সা’দ ইবনু খাওলাহ এর দুর্ভাগ্য (কারণ তিনি বিদায় হাজ্জের সময় মক্কায় মারা যান) সা’দ বলেনঃ মক্কায় তাঁর মৃত্যু হওয়ায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২০)
আমি বললামঃ তা হলে আমার সঙ্গীগণের পরেও কি আমি বেঁচে থাকবো? তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই তুমি এদের পরে বেঁচে থাকলে তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যা কিছু নেক ’আমল করো না কেন, এর বদলে তোমার মর্যাদা ও সম্মান আরও বেড়ে যাবে। আশা করা যায় যে, তুমি আরও কিছু দিন বেঁচে থাকবে। এমনকি তোমার দ্বারা অনেক কাওম উপকৃত হবে। আর অনেক সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারপর তিনি দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আমার সাহাবীগণের হিজরতকে বহাল রাখুন। আর তাদের পেছনে ফিরে যেতে দেবেন না। কিন্তু সা’দ ইবনু খাওলাহ এর দুর্ভাগ্য (কারণ তিনি বিদায় হাজ্জের সময় মক্কায় মারা যান) সা’দ বলেনঃ মক্কায় তাঁর মৃত্যু হওয়ায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২০)
হাদিস নং: ৬৩৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا الحسين، عن زاىدة، عن عبد الملك، عن مصعب، عن ابيه، قال تعوذوا بكلمات كان النبي صلى الله عليه وسلم يتعوذ بهن " اللهم اني اعوذ بك من الجبن، واعوذ بك من البخل، واعوذ بك من ان ارد الى ارذل العمر، واعوذ بك من فتنة الدنيا، وعذاب القبر ".
৬৩৭৪. সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব বাক্য দিয়ে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করতেন, সে সব দ্বারা তোমরাও আশ্রয় প্রার্থনা কর। তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ! আমি কাপুরুষতা থেকে, আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আমি বার্ধক্যের অসহায়ত্ব থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আর আমি দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের ’আযাব থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।[২৮২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২১)
হাদিস নং: ৬৩৭৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا وكيع، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول " اللهم اني اعوذ بك من الكسل والهرم والمغرم والماثم، اللهم اني اعوذ بك من عذاب النار وفتنة النار وعذاب القبر، وشر فتنة الغنى، وشر فتنة الفقر، ومن شر فتنة المسيح الدجال، اللهم اغسل خطاياى بماء الثلج والبرد، ونق قلبي من الخطايا، كما ينقى الثوب الابيض من الدنس، وباعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب ".
৬৩৭৫. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করতেনঃ হে আল্লাহ! আমি আলস্য, অতি বার্ধক্য, ঋণ আর পাপ থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নামের শাস্তি, জাহান্নামের ফিতনা, কবরের শাস্তি, প্রাচুর্যের ফিতনার কুফল, দারিদ্রের ফিতনার কুফল এবং মাসীহ্ দাজ্জালের ফিতনা থেকে। হে আল্লাহ! আপনি আমার যাবতীয় গুনাহ বরফ ও শীতল পানি দিয়ে ধুয়ে দিন। আমার অন্তর যাবতীয় পাপ থেকে পরিচ্ছন্ন করুন, যেভাবে শুভ্র বস্ত্র ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করা হয়। আমার ও আমার গুনাহসমূহের মধ্যে এতটা দূরত্ব সৃষ্টি করে দিন যতটা দূরত্ব আপনি পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের মধ্যে করেছেন।[৮৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২২)
হাদিস নং: ৬৩৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا سلام بن ابي مطيع، عن هشام، عن ابيه، عن خالته، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يتعوذ " اللهم اني اعوذ بك من فتنة النار ومن عذاب النار، واعوذ بك من فتنة القبر، واعوذ بك من عذاب القبر، واعوذ بك من فتنة الغنى، واعوذ بك من فتنة الفقر، واعوذ بك من فتنة المسيح الدجال ".
৬৩৭৬. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর আশ্রয় চেয়ে বলতেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নামের ফিতনা, জাহান্নামের শাস্তি হতে। আমি আরও আশ্রয় চাচ্ছি কবরের ফিতনা হতে এবং আপনার আশ্রয় চাচ্ছি কবরের ’আযাব হতে। আমি আরও আশ্রয় চাচ্ছি প্রাচুর্যের ফিতনা হতে, আর আমি আশ্রয় চাচ্ছি অভাবের ফিতনা হতে। আমি আরও আশ্রয় চাচ্ছি মাসীহ্ দাজ্জালের ফিতনা থেকে।[৮৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৩)
হাদিস নং: ৬৩৭৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد، اخبرنا ابو معاوية، اخبرنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم اني اعوذ بك من فتنة النار وعذاب النار، وفتنة القبر وعذاب القبر، وشر فتنة الغنى، وشر فتنة الفقر، اللهم اني اعوذ بك من شر فتنة المسيح الدجال، اللهم اغسل قلبي بماء الثلج والبرد، ونق قلبي من الخطايا، كما نقيت الثوب الابيض من الدنس، وباعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب، اللهم اني اعوذ بك من الكسل والماثم والمغرم ".
৬৩৭৭. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’আ পাঠ করতেনঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে জাহান্নামের সংকট, জাহান্নামের শাস্তি, কবরের সংকট, কবরের শাস্তি, প্রাচুর্যের ফিতনা ও অভাবের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। হে আল্লাহ! আমার অন্তরকে বরফ ও শীতল পানি দিয়ে ধৌত করুন। আর আমার অন্তর গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করে দিন, যেভাবে আপনি শুভ্র বস্ত্রের ময়লা পরিষ্কার করে থাকেন এবং আমাকে আমার গুনাহ থেকে এতটা দূরে সরিয়ে রাখুন, পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তকে পশ্চিম প্রান্ত থেকে যত দূরে রেখেছেন। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি অলসতা, গুনাহ এবং ঋণ হতে।[৮৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৪)
হাদিস নং: ৬৩৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، عن انس، عن ام سليم، انها قالت يا رسول الله انس خادمك ادع الله له قال " اللهم اكثر ماله وولده، وبارك له فيما اعطيته ". وعن هشام بن زيد، سمعت انس بن مالك، مثله
৬৩৭৮-৬৩৭৯. উম্মু সুলায়ম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আনাস আপনার খাদিম, আপনি আল্লাহর নিকট তার জন্য দু’আ করুন। তিনি দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তার মাল ও সন্তান বৃদ্ধি করে দিন, আর আপনি তাকে যা কিছু দিয়েছেন তাতে বারাকাত দান করুন। হিশাম ইবনু যায়দ (রহ.) বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে এ রকমই বর্ণনা করতে শুনেছি।[১৯৮২; মুসলিম ৪৪/৩১, হাঃ ২৪৮০, ২৪৮১, আহমাদ ২৭৪৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩২,ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৫)
হাদিস নং: ৬৩৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، عن انس، عن ام سليم، انها قالت يا رسول الله انس خادمك ادع الله له قال " اللهم اكثر ماله وولده، وبارك له فيما اعطيته ". وعن هشام بن زيد، سمعت انس بن مالك، مثله
৬৩৭৮-৬৩৭৯. উম্মু সুলায়ম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আনাস আপনার খাদিম, আপনি আল্লাহর নিকট তার জন্য দু’আ করুন। তিনি দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তার মাল ও সন্তান বৃদ্ধি করে দিন, আর আপনি তাকে যা কিছু দিয়েছেন তাতে বারাকাত দান করুন। হিশাম ইবনু যায়দ (রহ.) বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে এ রকমই বর্ণনা করতে শুনেছি।[১৯৮২; মুসলিম ৪৪/৩১, হাঃ ২৪৮০, ২৪৮১, আহমাদ ২৭৪৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩২,ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৫)
হাদিস নং: ৬৩৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو زيد، سعيد بن الربيع حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت انسا ـ رضى الله عنه ـ قال قالت ام سليم انس خادمك. قال" اللهم اكثر ماله وولده، وبارك له فيما اعطيته ".
৬৩৮০-৬৩৮১. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আনাস আপনার খাদিম। তখন তিনি দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তার মাল ও সন্তান বৃদ্ধি করে দিন এবং আপনি তাকে যা দিয়েছেন তাতে বারাকাত দান করুন।[১৯৮২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৬)
হাদিস নং: ৬৩৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو زيد، سعيد بن الربيع حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت انسا ـ رضى الله عنه ـ قال قالت ام سليم انس خادمك. قال " اللهم اكثر ماله وولده، وبارك له فيما اعطيته ".
৬৩৮০-৬৩৮১. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আনাস আপনার খাদিম। তখন তিনি দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তার মাল ও সন্তান বৃদ্ধি করে দিন এবং আপনি তাকে যা দিয়েছেন তাতে বারাকাত দান করুন।[১৯৮২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৬)
হাদিস নং: ৬৩৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا مطرف بن عبد الله ابو مصعب، حدثنا عبد الرحمن بن ابي الموال، عن محمد بن المنكدر، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعلمنا الاستخارة في الامور كلها كالسورة من القران " اذا هم بالامر فليركع ركعتين، ثم يقول اللهم اني استخيرك بعلمك، واستقدرك بقدرتك، واسالك من فضلك العظيم، فانك تقدر ولا اقدر، وتعلم ولا اعلم، وانت علام الغيوب، اللهم ان كنت تعلم ان هذا الامر خير لي في ديني ومعاشي وعاقبة امري ـ او قال عاجل امري واجله ـ فاقدره لي، وان كنت تعلم ان هذا الامر شر لي في ديني ومعاشي وعاقبة امري ـ او قال في عاجل امري واجله ـ فاصرفه عني واصرفني عنه، واقدر لي الخير حيث كان، ثم رضني به. ويسمي حاجته ".
৬৩৮২. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সকল কাজের জন্য ইস্তিখারা শিক্ষা দিতেন, যেমনভাবে তিনি কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। (বলতেন) যখন তোমাদের কারো কোন বিশেষ কাজ করার ইচ্ছে হয়, তখন সে যেন দু’ রাক’আত সালাত আদায় করে এরূপ দু’আ করে।
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বিইলমিকা অ আস্তাক্দিরুকা বি কুদরাতিকা অ আসআলুকা মিন ফায্বলিকাল আযীম, ফাইন্নাকা তাক্দিরু অলা আক্দিরু অতা’লামু অলা আ’লামু অ আন্তা আল্লা-মুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুন্তা তালামু আন্না হা-যাল আমরা খাইরুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাক্দুরহু লী, অ য়্যাসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহ। অ ইন কুন্তা তা'লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’-কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাস্বরিফহু আন্নী অস্বরিফনী আনহু, অক্বদুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না সুম্মা রায্বযিনী বিহ।
(অর্থ) হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের দ্বারা আমার উদ্দিষ্ট কাজের মঙ্গলামঙ্গল জানতে চাই এবং আপনার ক্ষমতা বলে আমি কাজে সক্ষম হতে চাই। আর আমি আপনার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করি। কারণ, আপনি ক্ষমতাবান আর আমার কোন ক্ষমতা নেই এবং আপনি জানেন আর আমি জানি না। আপনিই গায়িব সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন। হে আল্লাহ! যদি আপনার জ্ঞানে এ কাজটিকে আমার দ্বীনের ব্যাপারে, আমার জীবন ধারণে ও পরিণামে- রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন- আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক দিয়ে মঙ্গলজনক বলে জানেন তাহলে তা আমার জন্য নির্ধারিত করে দিন। আর যদি আমার এ কাজটি আমার দ্বীনের ব্যাপারে, জীবন ধারণে ও পরিণামে- রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন- দুনিয়ায় আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক দিয়ে আপনি আমার জন্য অমঙ্গলজনক মনে করেন, তবে আপনি তা আমা হতে ফিরিয়ে নিন। আমাকেও তা হতে ফিরিয়ে রাখুন। আর যেখানেই হোক, আমার জন্য মঙ্গলজনক কাজ নির্ধারিত করে দিন। তারপর আমাকে আপনার নির্ধারিত কাজের প্রতি তৃপ্ত রাখুন। রাবী বলেন, সে যেন এ সময় তার প্রয়োজনের নির্দিষ্ট বিষয়ের কথা উল্লেখ করে।[১১৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৭)
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বিইলমিকা অ আস্তাক্দিরুকা বি কুদরাতিকা অ আসআলুকা মিন ফায্বলিকাল আযীম, ফাইন্নাকা তাক্দিরু অলা আক্দিরু অতা’লামু অলা আ’লামু অ আন্তা আল্লা-মুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুন্তা তালামু আন্না হা-যাল আমরা খাইরুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাক্দুরহু লী, অ য়্যাসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহ। অ ইন কুন্তা তা'লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’-কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাস্বরিফহু আন্নী অস্বরিফনী আনহু, অক্বদুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না সুম্মা রায্বযিনী বিহ।
(অর্থ) হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের দ্বারা আমার উদ্দিষ্ট কাজের মঙ্গলামঙ্গল জানতে চাই এবং আপনার ক্ষমতা বলে আমি কাজে সক্ষম হতে চাই। আর আমি আপনার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করি। কারণ, আপনি ক্ষমতাবান আর আমার কোন ক্ষমতা নেই এবং আপনি জানেন আর আমি জানি না। আপনিই গায়িব সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন। হে আল্লাহ! যদি আপনার জ্ঞানে এ কাজটিকে আমার দ্বীনের ব্যাপারে, আমার জীবন ধারণে ও পরিণামে- রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন- আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক দিয়ে মঙ্গলজনক বলে জানেন তাহলে তা আমার জন্য নির্ধারিত করে দিন। আর যদি আমার এ কাজটি আমার দ্বীনের ব্যাপারে, জীবন ধারণে ও পরিণামে- রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন- দুনিয়ায় আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক দিয়ে আপনি আমার জন্য অমঙ্গলজনক মনে করেন, তবে আপনি তা আমা হতে ফিরিয়ে নিন। আমাকেও তা হতে ফিরিয়ে রাখুন। আর যেখানেই হোক, আমার জন্য মঙ্গলজনক কাজ নির্ধারিত করে দিন। তারপর আমাকে আপনার নির্ধারিত কাজের প্রতি তৃপ্ত রাখুন। রাবী বলেন, সে যেন এ সময় তার প্রয়োজনের নির্দিষ্ট বিষয়ের কথা উল্লেখ করে।[১১৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৭)
হাদিস নং: ৬৩৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن بريد بن عبد الله، عن ابي بردة، عن ابي موسى، قال دعا النبي صلى الله عليه وسلم بماء فتوضا، ثم رفع يديه فقال " اللهم اغفر لعبيد ابي عامر ". ورايت بياض ابطيه فقال " اللهم اجعله يوم القيامة فوق كثير من خلقك من الناس ".
৬৩৮৩. আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার পানি আনিয়ে অযূ করলেন। তারপর উভয় হাত তুলে দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি ’উবায়দ আবূ ’আমরকে মাফ করে দিন। আমি তখন তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখলাম। আরও দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তাকে কিয়ামতের দিন আপনার সৃষ্ট অধিকাংশ অনেক লোকের উপর স্থান দান করুন।[২৮৮৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৮)