অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৮৭/১. আল্লাহর বাণীঃ কেউ ইচ্ছাপূর্বক কোন মু’মিন ব্যক্তিকে হত্যা করলে...
মোট ৫৭ টি হাদিস
হাদিস নং: ৬৯০১ সহিহ (Sahih)
قتيبة بن سعيد حدثنا ليث عن ابن شهاب ان سهل بن سعد الساعدي اخبره ان رجلا اطلع في جحر في باب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم مدرى يحك به راسه فلما راه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لو اعلم انك تنتظرني لطعنت به في عينيك قال رسول الله صلى الله عليه وسلم انما جعل الاذن من قبل البصر
৬৯০১. সাহল ইবনু সা’দ সা’ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন হুজরার দরজার এক ছিদ্র দিয়ে উঁকি মারল। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট চিরুনির মত একখন্ড লোহা ছিল। এ দিয়ে তিনি নিজ মাথা চুল্কাচ্ছিলেন। যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখলেন তখন বললেনঃ যদি আমি নিশ্চিত হতাম যে, তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছ তাহলে এটা দিয়ে আমি তোমার চোখে আঘাত করতাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ চোখের কারণেই অনুমতির বিধান রাখা হয়েছে।[1] [৫৯২৪; মুসলিম ৩৮/৯, হাঃ ২১৫৬, আহমাদ ২২৮৬৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৪)
নোট: [1] উঁকি মেরে বাড়ীর ভিতর তাকানো নিষিদ্ধ- বাড়ী অপরের হোক বা নিজেরই হোক। ইসলাম যে তার অনুসারীদেরকে কত মহান চরিত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, এ হাদীস তার এক উজ্জ্বল প্রমাণ।
হাদিস নং: ৬৯০২ সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا ابو الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة قال قال ابو القاسم صلى الله عليه وسلم لو ان امرا اطلع عليك بغير اذن فخذفته بعصاة ففقات عينه لم يكن عليك جناح
৬৯০২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূল কাসিম (রাঃ) বলেছেনঃ যদি কোন লোক অনুমতি ছাড়া তোমার দিকে উঁকি মারে আর তখন তুমি তার প্রতি কংকর ছুঁড়ে তার চক্ষু উপড়ে ফেল, এতে তোমার কোন অপরাধ হবে না।[1] [৬৮৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৫)
নোট: [1] ৬৯০০-৬৯০২ নং হাদীসগুলো থেকে যে শিক্ষণীয় বিষয় জানা যায় তা নিম্নরূপ :

(১) মাথায় চুল রাখা ও তার পরিচর্যা করা।

(২) এমন হাতিয়ার রাখা যা দ্বারা বিষাক্ত ও হিংস্র প্রাণীকে তাড়ানো যায় এবং যা ব্যবহারে ময়লা ও উকুন বিতাড়ন করা যায়।

(৩) দরজা বন্ধ করে যে ব্যক্তি বাড়ীতে অবস্থান করছে তার বিনা অনুমতিতে বাড়ীতে প্রবেশ না করা, এমন কি দরজার ছিদ্র দিয়ে উঁকি দেয়ার নিষেধাজ্ঞা।

(৪) চুল আঁচড়ানোর বৈধতা।

(৫) অনুমতি নেয়ার বিষয়টি শুধুমাত্র যাদের সাথে বিবাহ হারাম নয় তাদের সাথে নির্দিষ্ট নয়। বরং তা মুহরিমদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যেমন মা, বোন ইত্যাদি। (ফাতহুল বারী)
হাদিস নং: ৬৯০৩ সহিহ (Sahih)
صدقة بن الفضل اخبرنا ابن عيينة حدثنا مطرف قال سمعت الشعبي قال سمعت ابا جحيفة قال سالت عليا هل عندكم شيء مما ليس في القران وقال مرة ما ليس عند الناس فقال والذي فلق الحبة وبرا النسمة ما عندنا الا ما في القران الا فهما يعطى رجل في كتابه وما في الصحيفة قلت وما في الصحيفة قال العقل وفكاك الاسير وان لا يقتل مسلم بكافر
৬৯০৩. আবূ জুহায়ফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ’আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, যা কুরআনে নেই এমন কিছু আপনাদের নিকট আছে কি? একবার তিনি বলেছেন, যা মানুষের নিকট নেই.....তখন তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম! যিনি খাদ্যশস্য অঙ্কুরিত করেন এবং প্রাণ সৃষ্টি করেন! কুরআনে যা কিছু আছে তা ছাড়া আমাদের নিকট অন্য কিছু নেই। তবে এমন জ্ঞান যা আল্লাহর কিতাব বুঝবার জন্য কোন ব্যক্তিকে দেয়া হয় এবং এ কাগজের টুকরায় যা রয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কাগজের টুকরায় কী রয়েছে? তিনি বললেন, রক্তপণ ও মুক্তিপণের বিধান। আর (এ নীতি) কোন কাফেরের বদলে কোন মুসলিমকে হত্যা করা হবে না।[1] [১১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৬)
নোট: [1] ‘আলী (রাঃ) হয়ত রক্তপণ ও মুক্তিপণ সম্পর্কিত বিধানাবলী রসূলুল্লাহ (সাঃ) হতে জানার পর কাগজের টুকরায় লিখে রেখেছিলেন।
হাদিস নং: ৬৯০৪ সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك وحدثنا اسماعيل حدثنا مالك عن ابن شهاب عن ابي سلمة بن عبد الرحمن عن ابي هريرة ان امراتين من هذيل رمت احداهما الاخرى فطرحت جنينها فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها بغرة عبد او امة
৬৯০৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, হুযায়ল গোত্রের দু’জন মহিলার একজন আরেক জনকে পাথর ছুঁড়ে গর্ভপাত ঘটিয়ে দিল। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মহিলার ব্যাপারে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা দিলেন। [৫৭৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৭)
হাদিস নং: ৬৯০৫ সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا وهيب حدثنا هشام عن ابيه عن المغيرة بن شعبة عن عمر انه استشارهم في املاص المراة فقال المغيرة قضى النبي صلى الله عليه وسلم بالغرة عبد او امة
৬৯০৫. উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি মহিলাদের গর্ভপাত সম্বন্ধে সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। তখন মুগীরাহ (রাঃ) বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত লোকটিকে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেছেন। [৬৯০৭, ৬৮০৮মিম, ৭৩১৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৮)
হাদিস নং: ৬৯০৬ সহিহ (Sahih)
فشهد محمد بن مسلمة انه شهد النبي صلى الله عليه وسلم قضى به
৬৯০৬. মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ ফায়সালা করতে দেখেছেন। [৬৯০৮, ৭৩১৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৮)
হাদিস নং: ৬৯০৭ সহিহ (Sahih)
عبيد الله بن موسى عن هشام عن ابيه ان عمر نشد الناس من سمع النبي صلى الله عليه وسلم قضى في السقط فقال المغيرة انا سمعته قضى فيه بغرة عبد او امة
৬৯০৭. হিশামের পিতা ’উরওয়াহ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ’উমার (রাঃ) লোকদেরকে কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভ্রূণ হত্যার ব্যাপারে ফায়সালা দিতে কে শুনেছে? তখন মুগীরাহ (রাঃ) বললেন, আমি তাঁকে এরূপ ক্ষেত্রে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা প্রদান করতে শুনেছি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তোমার সাক্ষী নিয়ে এসো। [৬৯০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৯)
হাদিস নং: ৬৯০৮ সহিহ (Sahih)
قال اىت من يشهد معك على هذا فقال محمد بن مسلمة انا اشهد على النبي صلى الله عليه وسلم بمثل هذا

م حدثني محمد بن عبد الله حدثنا محمد بن سابق حدثنا زاىدة حدثنا هشام بن عروة عن ابيه انه سمع المغيرة بن شعبة يحدث عن عمر انه استشارهم في املاص المراة مثله
৬৯০৮. মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ ফায়সালা প্রদান করেছেন। [৬৯০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৯)

৬৯০৮ মিম. মুহাম্মাদ ইবনু ’আবদুল্লাহ্ (রহ.) ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি সাহাবীগণের সঙ্গে গর্ভপাত ঘটানোর বিষয়ে এরূপ পরামর্শ করেছেন। [৬৯০৫; মুসলিম ২৮/১১, হাঃ ১৬৮২, আহমাদ ১৮১৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪০)
হাদিস নং: ৬৯০৯ সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في جنين امراة من بني لحيان بغرة عبد او امة ثم ان المراة التي قضى عليها بالغرة توفيت فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان ميراثها لبنيها وزوجها وان العقل على عصبتها
৬৯০৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানী লিহয়ানের এক মহিলার ভ্রুণ হত্যার ব্যাপারে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেন। তারপর দন্ডপ্রাপ্ত মহিলার মৃত্যু হল, যার ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ ফায়সালা করেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় ফায়সালা প্রদান করলেন যে, তার ত্যাজ্য সম্পত্তি তার ছেলে সন্তান ও স্বামী পাবে। আর দিয়াত আদায় করবে তার আসাবা। [৫৭৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪১)
হাদিস নং: ৬৯১০ সহিহ (Sahih)
احمد بن صالح حدثنا ابن وهب حدثنا يونس عن ابن شهاب عن ابن المسيب وابي سلمة بن عبد الرحمن ان ابا هريرة قال اقتتلت امراتان من هذيل فرمت احداهما الاخرى بحجر فقتلتها وما في بطنها فاختصموا الى النبي صلى الله عليه وسلم فقضى ان دية جنينها غرة عبد او وليدة وقضى ان دية المراة على عاقلتها
৬৯১০. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযায়ল গোত্রের দু’জন মহিলা ঝগড়াকালে একে অন্যের প্রতি পাথর ছুঁড়ে মারে এবং একজন অন্য জনের গর্ভস্থিত সন্তানকে হত্যা করে ফেলল। তারপর তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বিচার নিয়ে এল। তিনি ফায়সালা দিলেন যে, ভ্রূণের দিয়াত হলো একটি গোলাম অথবা বাঁদী আর এ ফায়সালাও দিলেন যে, নিহত মহিলার দিয়াত হত্যাকারিণীর আসাবার উপর আসবে। [৫৭৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪২)
হাদিস নং: ৬৯১১ সহিহ (Sahih)
عمرو بن زرارة اخبرنا اسماعيل بن ابراهيم عن عبد العزيز عن انس قال لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة اخذ ابو طلحة بيدي فانطلق بي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ان انسا غلام كيس فليخدمك قال فخدمته في الحضر والسفر فوالله ما قال لي لشيء صنعته لم صنعت هذا هكذا ولا لشيء لم اصنعه لم لم تصنع هذا هكذا
وَيُذْكَرُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ بَعَثَتْ إِلَى مُعَلِّمِ الْكُتَّابِ ابْعَثْ إِلَيَّ غِلْمَانًا يَنْفُشُونَ صُوفًا وَلاَ تَبْعَثْ إِلَيَّ حُرًّا

বর্ণিত আছে যে, উম্মু সালামাহ (রাঃ) একটি পাঠশালার শিক্ষকের কাছে খবর পাঠালেন যে, আমার কাছে কতিপয় বালক পাঠিয়ে দিন, যারা পশমের জট ছাড়াবে। তবে কোন আযাদ (বালক) পাঠাবেন না।


৬৯১১. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনা্য় আসলেন, তখন আবূ ত্বল্হা (রাঃ) আমার হাত ধরে আমাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আনাস একজন হুঁশিয়ার ছেলে। সে যেন আপনার খেদমত করে। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি মুকীম এবং সফরকালে তাঁর খেদমত করেছি। আল্লাহর কসম! যে কাজ আমি করেছি এর জন্য তিনি আমাকে কোন দিন এ কথা বলেননি, এটা এমন কেন করেছ? আর যে কাজ আমি করিনি এ জন্য এ কথা বলেননি, এটা এরকম কেন করনি? [২৭৬৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৩)
হাদিস নং: ৬৯১২ সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يوسف حدثنا الليث حدثنا ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وابي سلمة بن عبد الرحمن عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال العجماء جرحها جبار والبىر جبار والمعدن جبار وفي الركاز الخمس
৬৯১২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন পশু কাউকে আহত করলে, কূপে বা খণিতে পড়ে কেউ নিহত বা আহত হলে তাতে কোন দন্ড বা রক্তপণ নেই। আর কেউ গুপ্তধন পেলে তার প্রতি এক-পঞ্চমাংশ দেয়া ওয়াজিব। [১৪৯৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৪)
হাদিস নং: ৬৯১৩ সহিহ (Sahih)
مسلم حدثنا شعبة عن محمد بن زياد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال العجماء عقلها جبار والبىر جبار والمعدن جبار وفي الركاز الخمس
وَقَالَ ابْنُ سِيرِينَ كَانُوا لاَ يُضَمِّنُونَ مِنْ النَّفْحَةِ وَيُضَمِّنُونَ مِنْ رَدِّ الْعِنَانِ وَقَالَ حَمَّادٌ لاَ تُضْمَنُ النَّفْحَةُ إِلاَّ أَنْ يَنْخُسَ إِنْسَانٌ الدَّابَّةَ وَقَالَ شُرَيْحٌ لاَ تُضْمَنُ مَا عَاقَبَتْ أَنْ يَضْرِبَهَا فَتَضْرِبَ بِرِجْلِهَا وَقَالَ الْحَكَمُ وَحَمَّادٌ إِذَا سَاقَ الْمُكَارِي حِمَارًا عَلَيْهِ امْرَأَةٌ فَتَخِرُّ لاَ شَيْءَ عَلَيْهِ وَقَالَ الشَّعْبِيُّ إِذَا سَاقَ دَابَّةً فَأَتْعَبَهَا فَهُوَ ضَامِنٌ لِمَا أَصَابَتْ وَإِنْ كَانَ خَلْفَهَا مُتَرَسِّلاً لَمْ يَضْمَنْ

ইবনে সীরীন (রহ.) বলেন, তাদের সময়ে পশুর লাথির আঘাতের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ প্রদানের ফায়সালা দিতেন না। এবং লাগাম টানার দরুন কোন ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণের ফায়সালা দিতেন। হাম্মাদ (রহ.) বলেন, লাথির আঘাতের কারণে দায়ী করা যাবে না। তবে যদি কেউ পশুটিকে খোঁচা মারে। শুরায়হ্ (রহ.) বলেন, প্রতিশোধমূলক আঘাতের কারণে পশুকে দায়ী করা যাবে না। যেমন কেউ কোন পশুকে আঘাত করল, তখন পশুটিও তাকে পা দিয়ে আঘাত করল। হাকাম (রহ.) ও হাম্মাদ (রহ.) বলেন, যদি ভাড়া-করা ব্যক্তি গাধাকে হাঁকিয়ে নেয়, যে গাধার উপর কোন মহিলা উপবিষ্ট থাকে আর মহিলাটি গাধা থেকে পড়ে যায়, তাহলে তার উপর কিছু বর্তিবে না। শা’বী (রহ.) বলেন, যদি কেউ কোন পশু চালায় এবং তাকে ক্লান্ত করে ফেলে, তাহলে তার উপর ক্ষতিপূরণ বর্তিবে। আর যদি ধীরে চালায় তাহলে বর্তিবে না।


৬৯১৩. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, পশু আহত করলে, খণি বা কূপে পড়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাতে কোন ক্ষতিপূরণ নেই। গুপ্তধনের এক-পঞ্চমাংশ দেয়া ওয়াজিব। [১৪৯৯; মুসলিম ২৯/১১, হাঃ ১৭১০, আহমাদ ৭২৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৫)
হাদিস নং: ৬৯১৪ সহিহ (Sahih)
قيس بن حفص حدثنا عبد الواحد حدثنا الحسن حدثنا مجاهد عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من قتل نفسا معاهدا لم يرح راىحة الجنة وان ريحها ليوجد من مسيرة اربعين عاما
৬৯১৪. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’আমর (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি প্রদত্ত কোন লোককে হত্যা করে, সে ব্যক্তি জান্নাতের সুগন্ধির ঘ্রাণ নিতে পারবে না। অথচ তার সুগন্ধ চল্লিশ বছরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যায়।[1] [৩১৬৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৬)
নোট: [1] হাদীসটিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কাফিরকে হত্যার ভয়াবহতা বর্ণনা করা হয়েছে। প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কাফিরকে হত্যা করার পরিণাম যদি এমন হয় তাহলে একজন মুসলিমকে হত্যা করার পরিণাম কী হতে পারে পারে জ্ঞানী লোকদের একটু ভাবা উচিত।

উল্লেখ্য কাফেরকে হত্যার দায়ে কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না। তবে এর অর্থ এরূপ নয় যে, মুসলিম ব্যক্তি অপরাধী নয়, বরং সে তার এ কর্মের দ্বারা বড় গুনাহে জড়িত হয়েছে। হত্যাকারী এ মুসলিম ব্যক্তিকে যে, হত্যা করা যাবে না তা পরের হাদীসের সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাদিস নং: ৬৯১৫ সহিহ (Sahih)
احمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا مطرف ان عامرا حدثهم عن ابي جحيفة قال قلت لعلي ح حدثنا صدقة بن الفضل اخبرنا ابن عيينة حدثنا مطرف سمعت الشعبي يحدث قال سمعت ابا جحيفة قال سالت عليا هل عندكم شيء مما ليس في القران وقال ابن عيينة مرة ما ليس عند الناس فقال والذي فلق الحبة وبرا النسمة ما عندنا الا ما في القران الا فهما يعطى رجل في كتابه وما في الصحيفة قلت وما في الصحيفة قال العقل وفكاك الاسير وان لا يقتل مسلم بكافر
৬৯১৫. আবূ জুহাইফাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ’আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের কাছে এমন কিছু আছে কি যা কুরআনে নেই? তিনি বললেন, দিয়াতের বিধান, বন্দী-মুক্তির বিধান এবং (এ বিধান যে) কাফেরের বদলে কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না। [১১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৭)
হাদিস নং: ৬৯১৬ সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى عن ابيه عن ابي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تخيروا بين الانبياء
رَوَاهُ أَبُو هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

এ সম্পর্কে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।


৬৯১৬. আবূ সা’ঈদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা নবীদের একজনকে অন্য জনের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিও না। [২৪১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৮)
হাদিস নং: ৬৯১৭ সহিহ (Sahih)
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى المازني عن ابيه عن ابي سعيد الخدري قال جاء رجل من اليهود الى النبي صلى الله عليه وسلم قد لطم وجهه فقال يا محمد ان رجلا من اصحابك من الانصار قد لطم في وجهي قال ادعوه فدعوه قال لم لطمت وجهه قال يا رسول الله اني مررت باليهود فسمعته يقول والذي اصطفى موسى على البشر قال قلت وعلى محمد صلى الله عليه وسلم قال فاخذتني غضبة فلطمته قال لا تخيروني من بين الانبياء فان الناس يصعقون يوم القيامة فاكون اول من يفيق فاذا انا بموسى اخذ بقاىمة من قواىم العرش فلا ادري افاق قبلي ام جوزي بصعقة الطور

৬৯১৭. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহূদী, যার মুখে চপেটাঘাত করা হয়েছিল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আপনার জনৈক আন্সারী সাহাবী আমার মুখে চপেটাঘাত করেছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে ডেকে আন। তারা তাকে ডেকে আনল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কেন চড় মারলে? সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এক ইয়াহূদীর কাছ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন আমি তাকে বলতে শুনলাম যে, ঐ সত্তার কসম! যিনি মূসাকে মানবকুলের উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। তখন আমি বললাম, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপরেও কি? অতঃপর আমার ভীষণ রাগ এসে গেল। ফলে আমি তাকে চড় মেরে দেই।

তিনি বলেনঃ তোমরা আমাকে নবীদের মাঝে কারোউপর শ্রেষ্ঠত্ব দিও না। কেননা সকল মানুষই কিয়ামতের দিন বেহুঁশ হয়ে পড়বে। তখন আমিই হব প্রথম ব্যক্তি যে হুঁশ ফিরে পাবে। কিন্তু আমি তখন মূসা (আঃ)-কে এমন অবস্থায় পাব যে, তিনি আরশের খুঁটিগুলো থেকে একটি খুঁটি ধরে আছেন। আমি বুঝতে পারব না যে, তিনি আমার আগে হুঁশ ফিরে পেলেন, না তূর পর্বতে বেহুঁশ হবার প্রতিদান দেয়া হয়েছে (যে জন্য তিনি পুনরায় বেহুঁশই হননি)? [২৪১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৯)

অধ্যায় তালিকা